Categories
জাতীয় ফিচার

অফিসে দেরিতে আসলে বেতন কাটা যাবে সরকারি চাকরিজীবীদের

কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া দেরিতে অফিসে উপস্থিত হতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রতি দুইদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে।

সম্প্রতি ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ জারি করে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৫ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এতে এ সংক্রান্ত নতুন বিধি আরোপ করা হয়।

এছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ ও দেরিতে অফিসে উপস্থিত হলে ওই কর্মচারীর আরো অতিরিক্ত সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে বলেও বিধিতে বলা হয়।

এতে আরো বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকবে পারবে না। অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মচারী অফিসে অনুপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়ে কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নিতে পারবেন।

এতে বলা হয়, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। তবে জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। সংরক্ষিত রেজিস্টারে অফিস ত্যাগের কারণ, সময়, তারিখ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বেতন কাটা হলে তিনি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুনর্বিবেচনার কোনো আবেদন করা হলে, আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, বেতন কর্তনের আদেশ সংশোধন বা বাতিল রাখতে পারবে। পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির ক্ষেত্রে সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কেটে আদায় করতে হবে। ওই কর্মচারী নিজের বিল নিজে উত্তোলনকারী হলে, তাকে বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কাটার নির্দেশ দিতে হবে। নির্দেশের কপি হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাতে হবে। ওই কর্মচারী বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কর্তন না করলে হিসাবরক্ষণ অফিস তা কেটে বিল পাস করবে বলে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Categories
ফিচার

নৌযানের নামের আগে এম.ভি লেখা থাকে কেন? ।। songbadprotidinbd.com

যাতায়াতের জন্য আমরা তিন ধরনের পথ ব্যবহার করে থাকি। স্থলপথ, জলপথ এবং আকাশপথ। এসব পথে চলার জন্য যানবাহনও থাকে। তেমনি জলপথে চলাচলের জন্য নৌযান থাকে।

লঞ্চ, জাহাজ বা স্টিমারে চলাচল নিশ্চয় করেছেন! চলার পথে হয়তো খেয়ালও করেছেন, নৌযানের নামের আগে এম.ভি (MV) লেখা থাকে। অনেকেরই এই লেখাটি কেন লেখা হয় তা জানার খুব আগ্রহও থাকে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কেন নৌযানের আগে এম.ভি (MV) লেখা থাকে-

এম ভি (MV) এর মানে হচ্ছে ‘মোটর ভেসেল’ (Motor Vessel)। এর মানে বোঝায়, জলযানটি মোটর তথা ইঞ্জিন চালিত। সাধারণত ইঞ্জিন চালিত জলযানের নামের আগে এমভি লেখা হয়। খেয়াল করলে দেখবেন যে, ইঞ্জিন ছাড়া কোনো নৌযানেই এম ভি লেখা থাকে না। সাধারণত দূরের পথে যাত্রার জন্য এইসব নৌযান ব্যবহার করা হয়। তাছাড়াও এসব নৌযানে ভারী মালামাল বহন করা যায়। যা সাধারণ নৌযানে বহন করা সম্ভব হয় না।