Categories
অর্থনীতি জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনাকে স্বাগত জানালেন রপ্তানিকারকরা

করোনাভাইরাসে রপ্তানি খাতে কর্মরত শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়েছেন রপ্তানিকারকরা।

এ টাকা কোন প্রক্রিয়ায় পাবেন সে বিষয়ে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়নের জন্যও বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে প্রভাবে বুধবার পর্যন্ত ৯৩৬টি কারখানার ২ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মূল্যের রপ্তানি আদেশ বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। আরো রপ্তানি আদেশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আসছে না নতুন কোনো রপ্তানি আদেশ।

প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ওই প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা মালিকদের প্রতি মাসে শ্রমিকের মজুরি বাবদ চার হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়। প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগে শ্রমিক মজুরী পরিশোধ নিয়ে গার্মেন্টস মালিকরা কিছুটা ভারমুক্ত হলো।

বাংলাদেশ নিটওয়ার প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, ‘একের পর এক অর্ডার বাতিল হচ্ছে। নতুন করেও কাজ আসছে না। আমরা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। এ মূহুর্তে প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণা আমাদের আশার আলো দেখিয়েছে। মনে হচ্ছে আমাদের মাথার ওপর থেকে বড় একটা বোঝা নেমে গেল। ব্যবসাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শুধু প্রণোদনাই দেননি, তিনি জুন পর্যন্ত ঋণ পরিশোধ না করতে পারলে খেলাপি ঘোষণা করা যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আমরা সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করব, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তবে মালিকরা এই টাকা কোন প্রক্রিয়ায় পবে সে বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

Categories
জাতীয়

মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে সেনা মোতায়েন

মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সব সরকারি অফিস ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই সময়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তবে কাঁচাবাজার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হাসপাতালসহ জরুরি সেবা বিভাগগুলো এই ঘোষণার আওতায় থাকবে না।

Categories
জাতীয়

২৬ মার্চ থেকে সরকারি সব অফিস বন্ধ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক: নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে আগামী ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। এতে সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষ। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় ৯৯ হাজার মানুষ।

বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন দিন এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাবে দেশে এখন পর্যন্ত ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন তিনজন। সেলফ ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন প্রায় ১৮ হাজার মানুষ। তাদের অধিকাংশই বিদেশফেরত।

করোনার বিস্তাররোধে এরই মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

মুলতবি করা হয়েছে জামিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ।

Categories
জাতীয় স্বাস্থ্য

দেশে আরো ৩ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট আক্রান্ত ২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরো তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৭। এরমধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ জন।

রোববার আইইডিসিআর’র নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি জানান, আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন মহিলা রয়েছেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৪০ এর কোঠায়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যদিও এর আগে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছিলেন আজ তাদের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং হবে না। বিকল্প উপায়ে ভিডিও কনফারেন্সে সাংবাদিকদের যুক্ত করে আগামীকাল থেকে নিয়মিত ব্রিফিং করা হবে। তবে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি ব্রিফিংয়ে আসেন।

এদিকে দিনে দিনে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারি। শনিবার রাতারাতি মৃত্যুর মিছিলে যোগ হয়েছে আরও প্রায় ২ হাজারের মতো মানুষ। ফলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা রাতারাতি ১৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং এই সংখ্যা ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। বিপর্যস্ত জনপদের তালিকার শীর্ষে এখনও ইটালি, স্পেন ও ইরান।

শনিবার সবমিলিয়ে ১৮৮টি দেশ ও অঞ্চলে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯। এতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯৫ জন এবং বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫০য়ে। আক্রান্তদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৭৯৭ জন চিকিৎসার পর সুস্থ হয়েছেন।

ইতালিতে একদিনে মৃত্যু ৭৯৩

ইটালিতে করোনাভাইরাসে শনিবার আরও ৭৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় কোনও দেশে একদিনে এটি সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।এর আগে বিশ্বের কোথাও এমনকি করোনার সূতিকাগার হিসাবে পরিচিত চীনের উহান শহরেও একদিনে এত লোক মারা যায়নি।

গত কয়েকদিন ধরেই দেশটিতে করোনায় মৃত্যুর নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে। শুক্রবার সেদেশে রেকর্ড ৬২৭ জন মারা গিয়েছিল।

গত বুধবারই করোনায় মৃত্যুর সংখ্যায় প্রথমবারের মতো চীনকে ছাড়িয়ে যায় ইতালি। সেদিন সেখানে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪৭৫ জন কোভিড-১৯ রোগী। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেটাই ছিল যেকোনও দেশের জন্য একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

শুক্রবার ও শনিবার নিজেদের সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা। ফলে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪৮২৫ জনে পৌঁছেছে।

শনিবার সেখানে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৬৫৫৭ জন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫৩ হাজার ৫৭৮ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর তুলনায় ইতালিতে এখনও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যা অনেক কম। শনিবার অব্দি সেখানে সুস্থ হয়েছেন মাত্র ৬০৭২ জন। এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪২ হাজার ৬৮১ জন। এদের মধ্যে ২৮৫৭ জনের অবস্থা গুরুতর।

Categories
স্বাস্থ্য

করোনা এড়াতে ১৫ দিন বাড়িতে থাকুন ।। songbadprotidinbd.com

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের ১৮৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ করোনাভাইরাস। শুক্রবার পর্যন্ত এতে ২ কোটি ৭৫ হাজার ৯৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১১ হাজার ৪০২ জন। তবে করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার চাইতে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটাই এ মুহূর্তে বেশি দরকার। এছাড়া অহেতুক ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে চলাটা উচিত। তাই তো সরকারি পর্যায় থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটাই পরামর্শ, আগামী কিছু দিন অন্তত বাড়িতে থাকুন।

এই বিষয়ে কনসালট্যান্ট পালমোনলজিস্ট সৌম্য দাস বলেন, ইটালির ভয়াবহ পরিস্থিতি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, নভেল করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ কে অবহেলা করলে কী মারাত্মক ফল হতে পারে। অবিবেচকের মতো কাজ করলে অন্যরাও ঘোর বিপদে পড়তে পারেন। অনেকের ধারণা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করে বা মাস্ক পরে স্বাভাবিক কাজ করায় কোনও বাধা নেই। কিন্তু দোকানে এ দু’টি বস্তুই অমিল। এ ক্ষেত্রে সব থেকে বুদ্ধিমানের কাজ, নিতান্ত দরকার না পড়লে বাড়ির বাইরে না যাওয়া।

তিনি আরও বলেন, তবে সবার পক্ষে বাড়িতে থাকা সম্ভব না-ও হতে পারে। তাই ভাইরাসের থাবা থেকে মুক্তি পেতে মুখে রুমাল বেঁধে রাখতে পারেন। হাঁচি-কাশি হলে অবশ্যই মুখে চাপা দেওয়া উচিত। এটা ঠিক, সচেতনতা আগের থেকে অনেক বেড়েছে। শুধু কোভিড -১৯ই নয়, অন্যান্য ফ্লু ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার একমাত্র উপায় এটিই। আসলে সার্স-কোভ-২ করোনা ভাইরাসের চরিত্রের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে এখনও আমরা অনেক কিছুই জানি না। তাই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত হারে। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে, ড্রপলেট অর্থাৎ হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসবাহিত হয়ে অসুখটা ছড়িয়ে পড়ে। অযথা নাকে, মুখে বা চোখে হাত দেওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যেস। এই বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

পালমোনলজিস্ট সৌম্য দাস বললেন, কোভিড -১৯ করোনাভাইরাস সব থেকে ক্ষতি করে ধূমপায়ীদের। তাই এই সুযোগে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। বাড়িতে বসে ঘন ঘন সিগারেট টানলে নিজের ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের অন্যরাও অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কোনও ভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হলে রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।

তার মতে, এই ভাইরাস সরাসরি শ্বাসনালী ও ফুসফুসকে আক্রমণ করে অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিনড্রোম বা এআরডিএস হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রোগীকে ভেন্টিলেশনে দিয়েও অনেক সময় শেষরক্ষা করা যায় না। এই অসুখ আটকাতে সচেষ্ট হতে হবে সবাইকে। শুধুমাত্র চিকিৎসক বা সরকার কিন্তু এই মহামারি আটকাতে পারবেন না। সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভাইরাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে এখনই।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা মাস্ক না থাকলে যা করবেন

• মুখে রুমাল চাপা দিয়ে হাঁচি-কাশি বাধ্যতামূলক।

• নাক, মুখ বা চোখে হাত দেওয়া মানা। দিলেও হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। বাড়িতে থাকলে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া উচিত।

• করমর্দন বা জড়িয়ে ধরে নয়, দূরত্ব বজায় রেখে অভ্যর্থনা জানান।

• দরজা খুলতে হাতের বদলে কনুই ব্যবহারে করুন।

• কোভিড-১৯ ভাইরাস থুতু বা কফের মধ্যে বেশ কয়েক ঘণ্টা বেঁচে থাকে। তাই যেখানে সেখানে থুতু ফেলবেন না।

• বাইরে থেকে ফিরে সোজা বাথরুমে পোশাক ছেড়ে গরম জলে ভিজিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে সাবান দিয়ে কাচা পোশাক পরে তবেই ঘরে ঢুকুন।

আশা করা যায়, এই ভাবেই সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় কোভিড-১৯ ভাইরাসের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

সূত্র: আনন্দবাজার

Categories
জাতীয় স্বাস্থ্য

করোনায় দেশে আরও একজনের মৃত্যু, মোট ২ ।। songbadprotidinbd.com

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দুইজনের মৃত্যু হলো। এছাড়া নতুন করে ৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে আক্রান্ত সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ জনে।

বিশ্বজুড়ে দাবানলের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাস। শুক্রবার পর্যন্ত এই ভাইরাসে ১৮৫টি দেশ বা অঞ্চলের মোট ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৪০২ জন। এছাড়া এই ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯১ হাজার ৯৫২ জন।

শুক্রবারও বুহ দেশে করোনায় আক্রান্ত শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে সবচেয়ে কঠিন দিন অতিক্রম করেছে ইতালি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানসহ বেশ কিছু দেশ। কেননা এসব দেশে একদিনে সর্বেচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে।

গত কয়েক মাসে চীন যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে ঠিক একই রকম পরিস্থিতি এখন ইতালিতে। বরং চীনে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যায় চীনসহ অন্যান্য দেশকে ছাড়িয়ে গেছে ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ২১। সেখানে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৯৮৬।

শুক্রবার সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইতালিতে। সেখানে মোট ৬২৭ জন মারা গেছেন। এটি একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে বিশ্বের কোথাও এমনকি করোনার সূতিকাগার হিসাবে পরিচিত চীনের উহান শহরেও একদিনে এত মানুষ মারা যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৩২ জনে পৌঁছেছে। আর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছে ৫ হাজার ১২৯ জন। ইউরোপের দেশটিতে ৩৭ হাজার ৮৬০ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে আক্রান্তদের মধ্যে ২ হাজার ৬৫৫ জনের অবস্থা গুরুতর।

গত বুধবারই করোনায় মৃত্যুর সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যায় ইতালি। সেদিন সেখানে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪৭৫ জন কোভিড-১৯ রোগী। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেটাই ছিল যেকোনও দেশের জন্য একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। শুক্রবার নিজেদের সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে তারা।