Categories
জাতীয়

‘স্থিতিশীল উন্নয়ন চাইলে জিডিপি বাড়াতে হবে’ ।। songbadprotidinbd.com

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, বর্তমানে দেশে ১৬ কোটির বেশি জনগণ থাকলেও কর দেয় মাত্র এক শতাংশ। এটি আমাদের জন্য গৌরবের বিষয় নয়। এশিয়ার মধ্যে আমাদেরই সবচেয়ে কম সংখ্যক মানুষ কর দেয়।

তিনি বলেন, সরকার চায় সবাই কর দিক। যদি আমরা স্থিতিশীল উন্নয়ন চাই তাহলে অবশ্যই কর জিডিপির অনুপাত বাড়াতে হবে। এজন্য করযোগ্য সবাইকে কর দিতে হবে।

শনিবার সকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে আয়কর দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ বলেন, সঙ্গীতের লোকেরা কর দিতো না। এখন আমরা কর দিচ্ছি। কারণ যেদেশে বসবাস করছি, সেই দেশের উন্নতির জন্য আমাদের কর দিতে হবে। তাই নিজেরা কর দেয়ার পাশাপাশি সবাইকে কর দেয়ার জন্য উৎসাহিত করছি।

নাট্যকার বৃন্দাবন দাস বলেন, কর দেয়াটা আমাদের দায়িত্ব। এক টাকা দিয়ে আমরা অনেক সুবিধা ভোগ করি। তবে সৃজনশীল ও হয়রানিমুক্তভাবে কর আদায়ের জন্য এনবিআরকে আহ্বান জানাচ্ছি।

নাট্যকার ও অভিনেতা ড. ইমামুল হক বলেন, কর দেয়ার মানেই হল, দেশকে ভালোবাসা। দেশের উন্নয়নের জন্য আমরা কর দিয়ে থাকি। আসুন সবাই সরকারকে কর দেই।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- চিত্রনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক, ওমর সানি, চিত্র নায়িকা মৌসুমী, পপি, চঞ্চল চৌধুরীসহ বিভিন্ন অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

এরপর এনবিআরের সামনে থেকে ঘোড়ার গাড়িতে করে র‌্যালিতে অংশ নেন এনবিআর চেয়ারম্যান, অভিনেতা-অভিনেত্রী, নাট্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিকসহ সবাই। র‌্যালিটি এনবিআরের সামনে থেকে কাকরাইল, মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব, পল্টন হয়ে আাবার এনবিআরের সামনে এসে শেষ হয়।

উল্লেখ্য, এবারের জাতীয় আয়কর দিবস-২০১৯ এর স্লোগান ‘সবাই মিলে দেব কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ একইসঙ্গে দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘কর প্রদানে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, নিশ্চিত হোক রূপকল্প বাস্তবায়ন।’ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরেও জাতীয় আয়কর দিবসের বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Categories
লাইফস্টাইল

জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা খুব জরুরি ।। songbadprotidinbd.com

প্রতিটি মানুষেরই এক খণ্ড জমির মালিক হওয়ার আশা থাকে। তাইতো জীবনের সব কষ্টের উপার্জনের বিনিময়ে জমি কিনতে চান। কিন্তু আশা পূরণ করতে গিয়েই বাড়ে বিপদ।

মানুষ অনেক সময় এতো বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে, কোনটি সঠিক কিংবা কোনটি ভুল তা বুঝে উঠার সময় থাকে না। এছাড়াও জমি কেনা-বেচায় অসাধু চক্র, টাউট-বাটপার ও দালালরা তো আছেই। বিশেষ করে রাজধানী, বিভাগীয় শহর, উপশহর, শহরতলী এলাকার জমি কেনার ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা অনেক বেশি থাকে।

তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি-

> অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে জরিপের মাধ্যমে প্রণিত রেকর্ড। খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।

> জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ দেখে নিতে হবে।

> জমি কেনার আগে উক্ত জমির সিএস রেকর্ড, এসএ রেকর্ড, আরএস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

> বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয়সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার কেনার দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে যিনি বেচবেন তার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।

> জমির বিক্রিকারী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে, তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তার মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সম্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালো ভাবে যাচাই করে নিতে হবে।

আইনজ্ঞরা আরও বলছেন, যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন (AD) তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে সত্যায়ন বা শুদ্ধতার পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।

> তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রিকারীর শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রিকারীর সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।

> জমি বিক্রিকারীর নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।

> জমি কেনার ক্ষেত্রে যিনি জমি কিনবেন তাকে মনে রাখতে হবে যে ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা/দাবি আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়।

Categories
সারা বাংলা

সাতক্ষীরায় বন্দুকযুদ্ধে দুই ছিনতাইকারী নিহত ।। songbadprotidinbd.com

সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল ও দীপ নামে দুই ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত ৩টার দিকে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কের কামালনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, কিছুদিন আগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ এলাকায় বিকাশ এজেন্টের থেকে ২৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় তারা দুইজন গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হন।

তিনি আরো জানান, পুলিশ ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার করতে গেলে তাদের সহযোগীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে তাদের দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।