আজ ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২২শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

‘সব মন্ত্রণালয়ে একজন করে জি কে শামীম আছে’

সব মন্ত্রণালয়ে একজন করে জি কে শামীম আছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশোতে তিনি একথা বলেন।

দেশে চলমান শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে শ্যামল দত্ত বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন সেখান থেকে ফিরে আসার কথা তিনি বলছেন না। বরং নিজ দলের (আওয়ামী লীগ) দুইজন এমপিকে নোটিশ করা হয়েছে।

‘তবে এখন একটা স্লোগান আছে এক সম্রাট কারাগারে লক্ষ সম্রাট ঘরে ঘরে। যে সম্রাট কিংবা জি কে শামীমের কথা আমরা বলছি। অথচ শত শত জি কে শামীম বিলং করছে আমাদের পলিটিকসে। আপনি পূর্ত মন্ত্রণালয়ের জি কে শামীমের কথা জানেন। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, রেল মন্ত্রণালয়, অন্যান্য মিনিস্ট্রির জি কে শামীমের কথাতো আপনি জানেন না। সব মিনিস্ট্রিতেই একজন করে জি কে শামীম আছে।’

তিনি বলেন, এখন মানুষ ভাবছে শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারির নায়ক বা ব্যাংক লুটকারীকে পাশে রেখে এই অভিযানটি করেন তাহলে সেটা কতখানি হবে? কারা এই ব্যাংক থেকে লুটপাটটি করেছে, কারা আজ ব্যাংকের এই দুর্দশার জন্য দায়ী? কেন একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে বাংলাদেশের সব ব্যাংক চলে যাবে? এবং শেয়ারবাজারে যারা দুই নম্বরি করেছে তারাতো এখনও ক্ষমতার বলয়ের মধ্যে আছে।’

‘শুধু তাই নয় বিদ্যুৎ সেক্টরে কেন একটা কোম্পানি সব ব্যবসা পাবে? রেল খাতে ৫০ হাজার কোটি টাকা গত ৫ বছরে বিনিয়োগ হয়েছে তার কোনো সুফল নাই কেন? কেন রেলের কোনো সার্ভিস ডেভেলপড করে নাই? কেন যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য খাতে প্রত্যাশিত কোনো অগ্রগতি আসে নাই? এগুলো মানুষের মধ্যে এখন আলোচনার মধ্যে আছে। আপনি এমপি ধরবেন, দুর্নীতিবাজ ধরবেন ঠিক আছে কিন্তু এই জিনিসগুলো অ্যাড্রেস হবে না কেন?

শ্যামল দত্ত বলেন, ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর আপনাকে মানুষের কাছে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিজের সততা নিয়ে প্রশ্ন করার কোনো অবকাশ নেই। তিনি এসব বিতর্কের ঊর্ধ্বে। আসলে সিস্টেমটাকে ডেভেলপড করতে হবে তাহলেই সম্ভব।

Comments are closed.

      আরও নিউজ