আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দীন জানালেন দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে। তাই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই।

সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্য সচিব।

চলতি বছর বন্যার কারণে ভারতের মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে পেঁয়াজের উৎপাদন বড় ধাক্কা খায়। ফলে পেঁয়াজের পাশাপাশি নিত্যপণ্যের দামও বাড়ছে কিছুদিন ধরে।

ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেয়।

আর ওই খবরে বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম এক লাফে বেড়ে যায় ২০ থেকে ৩০ টাকা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। টিসিবি খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করে।

দেশের চাহিদা পূরণে ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকেও পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দীন বলেছিলেন, ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, দাম দ্রুত কমে আসবে। তার কথার এক সপ্তাহের মধ্যেই গতকাল রোববার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।

ভারতের ঘোষণার পরই বাংলাদেশে লাগামহীন হয়ে উঠে পেঁয়াজের বাজার। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা। তবে বাণিজ্য সচিব বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে।

পেঁয়াজের দাম নিয়ে যারা কারসাজি করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিশর ও তুরস্ক থেকে শিগগিরই এলসি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাবে বলেও জানান বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

জাফর উদ্দীন বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ে যারা কারসাজি করবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মিশর ও তুরস্ক থেকে শিগগিরই এলসি করা পেঁয়াজ দেশে পৌঁছাবে বলেও জানান বাণিজ্য সচিব জাফর।

Comments are closed.

      আরও নিউজ

ফেসবুক পেইজ