Categories
জাতীয়

আইটি আয় পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে: জয় ।। songbadprotidinbd.com

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, দেশের তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) ও প্রযুক্তি খাতটি খুব দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় এই খাতের আয় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গার্মেন্টস খাতকে ছাড়িয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিআইসিসি হলে তিন দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জয় বলেন, আজ অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী আইটি খাতে বাংলাদেশের রফতানি ১শ’ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বাস করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের প্রযুক্তি খাতের রফতানি গার্মেন্টস খাতকে অতিক্রম করবে।

তিনি বলেন, অধিকাংশ আইটি সেবা ইন্টারনেট ভিত্তিক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এ খাতে রফতানি হচ্ছে। তাই প্রকৃতপক্ষে কি পরিমাণ রফতানি হচ্ছে তা জানা সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বাস করি যে আইটি খাত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আনঅফিসিয়ালি অন্তত আরো ১শ’ থেকে ২শ’ কোটি মার্কিন ডলার রফতানি হচ্ছে। কিন্তু তা জানা যাচ্ছে না। তাই আমাদের আইটি সেবা গার্মেন্টস শিল্পের রফতানি আয়কে ছড়িয়ে যাওয়ার পথেই এগোচ্ছে।

জয় আশা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের দেশেও ৫জি প্রযুক্তি চালু হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান একেএম রহমত উল্লাহ্, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব নূর-উর রহমান।

Categories
জাতীয়

‘এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক: সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ এখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের পথে রয়েছে।

মঙ্গলবার আবুধাবিতে ‘ফিউচার সাসটেইনেবলিটি সামিট’-এ ইন্টারভিউ সেশনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘এমডিজি অর্জনে আমরা চমৎকার সাফল্য অর্জন করেছি এবং ইতোমধ্যে আমরা এসডিজি অর্জনের পথে রয়েছি।’

এসডিজি উন্নয়নে জাতিসংঘে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের মানুষের জন্য সকল দেশের গৃহীত এটি একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে আমরা বিবেচনা করি।’

তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন যদি দৃশ্যমান না হয় তাহলে বৈষম্য সৃষ্টি হবে এবং অসমতা দেখা দেবে। এতে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

প্রধানমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এসডিজির অনেক আগেই আমরা রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ ঘোষণা করেছি। এতে সাসটেইনেবলিটির বিষয়টি আমরা অন্তর্ভুক্ত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি উন্নয়নের পথে সবসময় সম্পদের স্বল্পতাই মূল কারণ নয়, সম্পদের সমবণ্টনের সমস্যাও আরেকটি কারণ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার প্রান্তিক জনগণকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করেছে। নারী ও শিশু, সাধারণ দরিদ্র মানুষ, প্রতিবন্ধী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর দেয়ার জন্য এ ক্যাটাগরি করা হয়েছে।

প্রান্তিক জনগণের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষা দিয়ে শুরু করেছি এবং সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক স্কুল ও ৬৮৫টি মাধ্যমিক স্কুলকে জাতীয়করণ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়া অবৈতনিক করা হয়েছে এবং অটিস্টিকসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন সারাদেশে ‘আমার বাড়ি, আমার খামার’ প্রকল্পের আওতায় এক লাখ ৪২ হাজার সমবায় সমিতির মাধ্যমে ৬০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সংগঠিত করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রায় এক চতুর্থাংশ পরিবার সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির আওতায় এসেছে।

রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের খাদ্য, আবাসন, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জরুরি সেবাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের পরিসেবা প্রদান করে আসছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যদিও কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী নয়, কিন্তু কার্বন নিঃসরণের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু বসে না থেকে এটি মোকাবেলায় নিজস্ব সম্পদ দিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি।’

সূত্র: বাসস

Categories
জাতীয়

বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় আ.লীগ নেতারা কোথায় ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় আওয়ামী লীগের নেতারা কোথায় ছিলেন এবং কেন তাদের কেউ এ হত্যার বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করতে এগিয়ে আসেননি তার উত্তর এখনও খুঁজে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার ৪৯তম বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এটা (আওয়ামী লীগ) এত বড় সংগঠন…এত নেতা! তারা কোথায় ছিলেন? মাঝে মাঝে আমি তা জানতে চাই, কেউ সাহস করে এগিয়ে এলো না। সাধারণ মানুষ সব সময় বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিল।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি অবাক হন যে কেন দেশের কেউ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বিষয়ে জানতে পারল না এবং কেন কেউ এ হত্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল না।

‘লাশ (ধানমন্ডি) ৩২ নম্বরে পড়ে ছিল, কেন? সেই উত্তর আমি আজও পাইনি,’ বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে রক্ষায় ব্যর্থতার খেসারত জাতিকে পরবর্তী দশকগুলোতে দিতে হয়েছে। ‘কারণ, বারবার ক্যু হয়েছে। জাতির পিতার হত্যার পর এ দেশে ১৮-১৯টি ক্যু হয়েছে…দলের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছে।’

‘যদি কেউ সাহস নিয়ে এগিয়ে আসতেন তাহলে হয়তো এসব অত্যাচার ও নির্যাতন হতো না এবং হয়তো দেশে বারবার ক্যু হতো না… বারবার ক্যু দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছিল,’ বলেন তিনি।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা, হুমায়ুন কবির ও এসএম মান্নান কচি।

Categories
জাতীয় রাজনীতি

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সঙ্গে কোনো আপস নয়: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের আপস হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।সোমবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একাত্তরে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর পর এ কথা বলেন তিনি।

কাদের বলেন, রাজাকারের উত্তরসূরিদের সাথে কোন আপস নেই। দলে অনুপ্রবেশকারি হিসেবে কেউ থাকলে দলের সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের বের করে দেয়া হবে।

স্বাধীনতাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদারদের দোসর ও তাদের প্রেতাত্মারা আজও বাংলার মাটিতে বিজয়কে সুসংহতকরণের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।

এ সময় আরও শ্রদ্ধা জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।

এর আগে সোমবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Categories
জাতীয়

সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার বলেছেন, তার সরকার পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায়।

তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য কখন, কী প্রয়োজন সে সম্পর্কে আমরা ভালোভাবে জানি এবং আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি। এজন্য আমরা একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চাই।’

মিরপুর সেনানিবাসে শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) ও সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্স (এএফডব্লিউসি) ২০১৯ এর স্নাতক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার গৃহীত প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে সরকার ‘সশস্ত্র বাহিনী গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

‘বিশ্ব ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। সেজন্য পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আমাদের অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম থাকতে হবে এবং এসবের জন্য সব ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সর্বশেষ সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। যাতে তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যবহৃত আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামসমূহের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে ও যেকোনো পরিস্থিতিতে ভূমিকা পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার সময় দেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে অবদানের রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা দেশকে আরও উন্নত করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা আশা করেন, সনদপ্রাপ্ত স্নাতকরা জাতিকে স্থিতিশীলতা, স্বনির্ভরতা ও টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনডিসি কমানড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ।

সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন এবং বিদেশি সামরিক বাহিনীর মোট ৮৫ কর্মকর্তা এনডিসি কোর্স ২০১৯ এবং ৩৮ জন এএফডব্লিউসি-২০১৯ কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

এনডিসি স্নাতকদের মধ্যে চীন, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, মালয়েশিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তানজানিয়া, যুক্তরাজ্য, মালি ও নাইজার থেকে ১৬ জন বিদেশি সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দুটি কোর্সের স্নাতক শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশংসাপত্র বিতরণ করেন।

Categories
জাতীয়

মীরজাফররা আর যেন ক্ষমতায় না আসে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দেশে মোশতাক, জিয়ার মতো মীরজাফররা আর যেন কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে, দেশের উন্নয়ন আর যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।

শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর একটাই স্বপ্ন ছিল। সেটা হলো দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের একজন মানুষও যেন খাদ্যে কষ্ট না পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর কালো মেঘের ছায়া ছিল। সে মেঘ কেটে গেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, হত্যা, খুন, সন্ত্রাস আর লুটপাট করেছে তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছে জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা পালিয়েছিল তাদের ধরে এনে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছে।

‘এ দেশে মোস্তাক, জিয়ার মতো মীরজাফররা আর যেন কোনওদিন ক্ষমতায় না আসতে পারে, দেশের উন্নয়ন আর যেন বাধাগ্রস্ত না হয়’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের মন্ত্রী বানিয়েছে। তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে। ভোট চুরি করে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলের নেতা বানিয়েছে।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ২৪ বছরের পাকিস্তানি বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে দেশের আপামর জনসাধারণকে সংগঠিত করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জামায়াতসহ ধর্মান্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তারা আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে পাক বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুট করে।

‘বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে।’

Categories
জাতীয়

ফোর্বসের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা

বিশ্বের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগজিন। এই তালিকার শীর্ষ একশ নারীর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। তালিকার ২৯তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফোর্বসের তালিকায় প্রভাবশালী শীর্ষ ১০ নারীর তালিকায় আছেন অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ক্রিস্টিনে লেগারদে, নেন্সি পেলোসি, আরসুলা ভন দের লেয়েন, মেরি বারা, মেলিন্ডা গেটস, আবিগেইল জনসন, আনা পেট্রিসিয়া বোটিন, গিনি রোমেটি এবং মেরিলিন হিউসন। ২০১৮ সালে ফোর্বসের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ২৬তম।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘকালীন সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়ে টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত নির্বাচনে তার দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদের ৩শ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতেই জয় লাভ করে।

বিশ্বের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় ৪০ নম্বরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাংকা ট্রাম্প রয়েছেন ৪২ নম্বর স্থানে। এদের পেছনে ফেলে ৩৪ নম্বরে স্থান পেয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যদিও দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ক্রমাগত বিরোধীদের সমালোচনায় বিদ্ধ তিনি। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে তাঁর ব্যর্থতা সোশ্যাল মিডিয়াতেও সমালোচনার শিকার হয়েছে।

ফোর্বসের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় রয়েছেন আরও দুই ভারতীয়, ৫৪ নম্বরে রোশনি নাদার মালহোত্রা এবং ৬৫ নম্বরে কিরণ মজুমদার শাহ।

Categories
জাতীয়

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তা বা ফ্লাইওভারে কনসার্ট বা নাচ-গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে-উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা, আতশবাজি, পটকা ফোটানো যাবে না। থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের সব বার বন্ধ।

এ সময়ের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।

৩১ ডিসেম্বর রাত আটটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকার ব্যতীত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।

দিনটি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা রয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো রকম আশঙ্কা নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট দুটি দিবসে খুব কাছাকাছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং থার্টিফার্স্ট নাইট যাতে শৃঙ্খলভাবে উদযাপন কেউ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য আজকের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভাটি করেছি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথভাবে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাসহ সারাদেশের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টি চার্জে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে সমন্বয় করে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে।

বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোলরুম থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চার্চগুলোতে রাখা ফোকাল পয়েন্ট সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ। ফায়ার ফাইটিং এর কুইক রেসপন্স টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Categories
জাতীয়

‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত: হাইকোর্ট

‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান হিসেবে ব্যবহারের মৌখিক নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট বলেছেন, ‘জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত। আগামী ১৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে রুলের রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান করার বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার এ রুলের শুনানি শেষ হলো।

এর আগে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। ওই রিটে ‘জয় বাংলাকে’ কেনো জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, ‘জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, এটি আমাদের জাতীয় প্রেরণার প্রতীক।’

Categories
জাতীয় ফিচার

অফিসে দেরিতে আসলে বেতন কাটা যাবে সরকারি চাকরিজীবীদের

কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া দেরিতে অফিসে উপস্থিত হতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রতি দুইদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে।

সম্প্রতি ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ জারি করে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৫ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এতে এ সংক্রান্ত নতুন বিধি আরোপ করা হয়।

এছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ ও দেরিতে অফিসে উপস্থিত হলে ওই কর্মচারীর আরো অতিরিক্ত সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে বলেও বিধিতে বলা হয়।

এতে আরো বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকবে পারবে না। অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মচারী অফিসে অনুপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়ে কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নিতে পারবেন।

এতে বলা হয়, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। তবে জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। সংরক্ষিত রেজিস্টারে অফিস ত্যাগের কারণ, সময়, তারিখ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বেতন কাটা হলে তিনি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুনর্বিবেচনার কোনো আবেদন করা হলে, আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, বেতন কর্তনের আদেশ সংশোধন বা বাতিল রাখতে পারবে। পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির ক্ষেত্রে সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কেটে আদায় করতে হবে। ওই কর্মচারী নিজের বিল নিজে উত্তোলনকারী হলে, তাকে বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কাটার নির্দেশ দিতে হবে। নির্দেশের কপি হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাতে হবে। ওই কর্মচারী বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কর্তন না করলে হিসাবরক্ষণ অফিস তা কেটে বিল পাস করবে বলে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।