সংবাদ প্রতিদিন বিডি

সংবাদ প্রতিদিন বিডি

কারা চালাচ্ছেন এসব ভুয়া ফেসবুক পেজ

1 min read

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও পেজ খুলে তা পরিচালনার অভিযোগ বেশ আগে থেকেই। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নামেও ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে অবৈধভাবে পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এর বাইরেও বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য এবং নামের আগে মুক্তিযুদ্ধ কিংবা শেষে লীগ যুক্ত করে কথিত ভুঁইফোড় সংগঠনের নামে ফেসবুক পেজ চালানো হচ্ছে।

নামে-বেনামে ভুয়া এসব পেজ বা আইডি খুলে নানা ধরনের প্রতারণা করার অভিযোগও বিভিন্ন সময় পাওয়া গেছে। বিষয়টি অনেক সময় আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নজরে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তারা গণমাধ্যমে বিবৃতি দেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে একাধিকবার। কিছু ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতাও দেখা গেছে। 

আওয়ামী লীগের অনুরোধে ২০১৯ সালের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদের মধ্যে একজন ছিলেন ওমর ফারুক নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে ছয়টি ফেসবুক পেজসহ তার পরিবার ও আওয়ামী লীগের নামে ৩৬টি ফেসবুক পেজ চালাচ্ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ও সরকারের তৎপরতা চালানোর সময় এসব পেজগুলোর পরিচালনাকারীরা কিছুদিন ডিএক্টিভ করলে করে রাখলেও পরিস্থিতি কিছু কিছু স্বাভাবিক হলে ফের চালানো শুরু করে। আবার কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পেজ বা আইডি বন্ধ করলেও অন্য কেউ একই নামে তা আবার খুলছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত বাংলাদেশ ‘আওয়ামী চাকরিজীবী লীগও’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর একটি ভুঁইফোড় সংগঠন। নিজেকে সংগঠনটির আহ্বায়ক উল্লেখ করে গত বছরের ২০ অক্টোবর পেজটি খোলেন মাহাবুব মমিন নামের একজন, যিনি ঢাকা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী। 

আওয়ামী চাকরিজীবী লীগের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ‘মাহবুব মমিনের সমর্থক’ নামে আরেকটি ফেসবুক পেজ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক ফেসবুক আইডিও পেজ পরিচালনা করেছেন এই মাহবুব। তিনি Sheikh Hasina International Virus Research Centre and Hospital নামে একটি ফেসবুক পেজের এডমিন। গতবছর ১১ আগস্ট পেজটি ক্রিয়েট করা হয়। Sajeeb Wazed Joy নামের একটি ফেসবুক পেজের এডমিন মাহবুব। প্রাইভেট এ পেজের মাধ্যমেই তিনি চাকরিজীবী লীগ সংক্রান্ত পোস্টগুলো দিয়ে থাকেন। গত বছর ২০ জুলাই এ পেজটি খোলা হয়েছে। এ ছাড়া মাহবুব মমিন Honorable Prime Minister Sheikh Hasina (বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ) এবং Saima Wajid Putul (বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ) নামে আরও দুটি ফেসবুক পেজ চালাচ্ছেন। তিনি ‘শেখ হাসিনা’ নামে একটি ফেসবুক আইডির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

মুমিনের আরেকটি পেজ হচ্ছে প্রবাসী চাকরিজীবী লীগ। পেজটি ২০০০ সালের আগস্ট মাসে Saima Wajid Putul নামে খোলা হয়েছিল পরে এর নাম পরিবর্তন করা হয়। এরপর নিয়মিত পোস্ট দিচ্ছেন।

মাহবুব মমিন তার পরিচালিত Sajeeb Wazed Joy পেজে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে আগ্রহীদের যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন। গত জানুয়ারি মাসে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির একজন সদস্যকে চাকরিজীবী লীগের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক উল্লেখ করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাকে তাদের সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দেখতে চান বলে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

এদিকে হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের উপ-কমিটি থেকে বহিষ্কারের পর পরই চাকরিজীবী লীগ নামের ফেসবুক পেজের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী পরিষদ নামকরণ করা হয়েছে।

হেলেনা জাহাঙ্গীর কাণ্ডের পরেও মাহবুব মুমিনের ফেসবুক পেজগুলো সক্রিয় রয়েছে এবং তিনি নিয়মিত নানা ধরনের পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। 

হেলেনা কাণ্ডের পরে Sajeeb Wazed Joy নামক ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি সঠিক বিচার না করে তাহলে এই Facebook-এ আর থাকবো না। বের হয়ে যাব। আমরা এক টাকাও আওয়ামী লীগ থেকে পাইনি।’

এখানে উল্লেখ্য যে, চাকরিজীবী লীগের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের সম্পর্ক মাত্র ১০-১২ দিন আগে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে হেলেনা দাবি করেন। তবে চাকরিজীবী লীগের কথিত ফেসবুক পেজে গত ১১ জুন হেলেনাকে সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মাহবুব মুমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ২৭ জুলাই তিনি বলেন, তিনি কোনও ঘটনার বিষয়ে কোনও ধরনের মন্তব্যই এই মুহূর্তে করবেন না। ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে কোনও গণমাধ্যম তার সঙ্গে সংযুক্ত হলে তিনি সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যেসব ভুয়া পেজের অস্তিত্ব 

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি’ নামে একটি ফেসবুক পেজের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শেখ মো. ফজলুল হক নামে এক ব্যক্তি বিভিন্ন নামে এই পেজটির এডমিন। ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিষদ লীগের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশ অনলাইন বঙ্গবন্ধু পরিষদ লীগ নামের পেজটি খোলা হয়েছে ২০১৪ সালের ১৭ মার্চ। ফজলুল হক ‘বিশ্ব সন্ত্রাস ও মানবাধিকার সংগঠন’ বাংলাদেশ অধ্যায়ের সহ-সভাপতি হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

এ ছাড়াও শেখ ফজলুল হক ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটি’র এডমিন। ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তৈরি করা এ পেজের সদস্য ২৪ হাজার। তার খোলা অন্যগুলোর মত এই পেজের ক্ষেত্রেও তিনি একাই পাঁচটি ভিন্ন নামে এডমিন।

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে গত বছরের ৫ জানুয়ারি। রাজু নামের একটি ফেসবুক আইডি পেজটির এডমিন। এর বর্তমান সদস্য এগারশো।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঐক্য (public গ্রুপ) নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল। এ পেজের বর্তমান সদস্য প্রায় ৫ হাজার। এ পেজটির এডমিন হারুন অর রশীদ ও সুমী চৌধুরী। 

‘আওয়ামী অনলাইন লীগ’ নামে ফেসবুক পেজের সদস্য ৪৫ হাজার। আবু আল তৌফিক রাসেল নামে এক ব্যক্তি নিজেকে আওয়ামী অনলাইন লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এ পেজে। ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল ‘মানব সেবা জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে প্রথমে পেজটি খোলা হলেও পরে পরিবর্তন করে আওয়ামী অনলাইন লীগ করা হয়েছে।

তৌফিক রাসেল ‘বিশ্ব আওয়ামী অনলাইন ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। জয় রাসেল, জয় বাংলা রাসেল, চায়না ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন নামে তিনি অন্তত ১৩টি গ্রুপের এডমিন। এরমধ্যে হৃদয়ে বাংলাদেশ নামে একটি ফেসবুক পেজ রয়েছে।

‘সজীব ওয়াজেদ জয় পরিষদ’ নামে একটি ফেসবুক পেজে আবুল হাসনাত নামে একজন নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দাবি করেছেন। ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বরে খোলা এ পেজের বর্তমান সদস্য ৩৫ হাজার।

‘বঙ্গবন্ধুর প্রিয় বাংলাদেশ চেতনায় ৭১ লীগ অফলাইন ও অনলাইন গ্রুপ’ নামে একটি ফেসবুক পেজের সদস্য ২৮ হাজার। মোহাম্মদ তাজু শেখ নামে এক ব্যক্তি এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে ওই পেজের নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী অনলাইন লীগ (Bangladesh Awami Online League) এর সদস্য ২৬ হাজার। ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার নামে এক ব্যক্তি নিজেকে এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দাবি করেছেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে খোলা এ পেজটির এ পর্যন্ত ১৭ বার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। হেলেনা কাণ্ডের পর এ পেজটি থেকে সংগঠনটির একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ আওয়ামী অনলাইন লীগ কোন ভুঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তারা আওয়ামী লীগ সরকারের নাম ভাঙ্গিয়ে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়নি। তারা আট বছর ধরে কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রামাণ্য অভিযোগ ছাড়া তাদের ভুঁইফোড় সংগঠন বলা জঘন্যতম অপরাধ।

‘বিশ্ব মুজিব সেনা লীগ’ নামের একটি ফেসবুক পেজের অস্তিত্ব রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতে জাকির খান নামে এক ব্যক্তি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন। ২০১৭ সালের ৪ জুলাইয়ে ক্রিয়েট হওয়া এ পেজের প্রথম নাম ছিল ‘অনলাইন মুজিব সেনা পরিষদ’। এই গ্রুপেরই ক্রিয়েট করা আরেকটি ফেসবুক পেজ হচ্ছে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু অনলাইন’।

‘বাংলাদেশ অনলাইন লীগ’ নামে ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া একটি পেজে লালটু খান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

‘বাংলাদেশ তরুণ জনতা লীগ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে আল মামুন জুয়েল নিজেকে এ সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দাবি করেছেন। সংগঠনের কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে আল মামুন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বাইরেও আমাদের কার্যক্রম রয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি আছে। বেশ কয়েকটি জেলা কমিটিও দিয়েছিলাম। তবে আমরা কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছি।’ 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বাইরে অফিসের কোনও ঠিকানা রয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি ফোনের লাইনটি কেটে দেন।

‘বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’ নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সংগঠনটি অস্তিত্ব পাওয়া গেছে মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম নামে এক ব্যক্তি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সজীব ওয়াজেদ জয় বলে দাবি করা হয়েছে। ফেরদৌস আলমসহ চারজন পেজটির এডমিন এবং মডারেটরের সংখ্যা ৫৭ জন।

মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, তাদের সংগঠনের একাধিক ফ্রাকশন (ভাগ) রয়েছে। তিনি একটি অংশের সাধারণ সম্পাদক। করোনাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেরই তাদের কার্যক্রম সীমিত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে অনুমোদন নিয়ে পুরোদমে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন বলে তিনি দাবি করেন।

‘Bangladesh student’s League’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে ২০১৪ সালে। উপস্থিত সদস্য প্রায় আড়াই লাখ। এর রয়েছে ৯ এডমিন ও ১০টি মডারেটর আইডি। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ’ নামে একটি ফেসবুক আইডিও এটার মডারেটর। ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ নামের প্রথমে পেজটি খোলা হয়। বিভিন্ন সময় ‘বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিগ্রেড’, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ (অনলাইন সমর্থক পরিবার) ইত্যাদি নাম পরিবর্তন করে শেষে ‘Bangladesh student’s League’ নামকরণ করা হয়েছে।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ নামের একটি ফেসবুক পেজের সদস্য এক লাখ ৮২ হাজার। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই এটি খোলা হয়েছে। মো. রুবেল, মো. আবুল কাশেম, আব্দুর রহমান সোহাগ ও আব্দুর রহমান এর এডমিন।

হুবহু একই নামে আরেকটি ফেসবুক পেজ রয়েছে যেটি খোলা হয় গত বছর অক্টোবরে। যার সদস্য ৩২ হাজার। এর প্রোফাইলে লেখা রয়েছে ‘Group Bhai Tanmay Vai’। 

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ অনলাইন আওয়ামী লীগ পাবলিক গ্রুপ, জয় ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী প্রজন্ম লীগ, অনলাইন লীগ (Oneline League), Bangladesh Awamilig, Bangladesh Shadinata League (BSL), বাংলাদেশ আওয়ামী তথ্য প্রযুক্তি লীগ, আমরা নৌকা মার্কা লোক, তৃণমূল আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগসহ বিভিন্ন লাভ নামে অসংখ্য ফেসবুক পেজ ও আইডি সক্রিয় রয়েছে। সুত্র বাংলা ট্রিবিউন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *