Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / শিক্ষাঙ্গন / যশোর বোর্ডে শীর্ষে সাতক্ষীরা, সর্বনিচে মাগুরা

যশোর বোর্ডে শীর্ষে সাতক্ষীরা, সর্বনিচে মাগুরা

  • ১১-০৫-২০১৬
  • যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে ২০১৬ সালের এসএসসিতে চমক দেখিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা। এ জেলা থেকে ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ পাস করে বোর্ডের শীর্ষে অবস্থান করছে। আর বোর্ডে সব থেকে নিচে রয়েছে মাগুরা জেলা। এ জেলা থেকে ৯ হাজার ৫৫৫ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

    যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্র মতে, বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগ থেকে এক লাখ ৪৮ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৩৫ হাজার ৯৯৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। ২০১৫ সালে পাসের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৫১। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৪৪৪ শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ১৯৮।

    বুধবার দুপুর ১টার দিকে প্রেসক্লাব যশোরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র।

    বোর্ড সূত্র মতে, যশোর বোর্ডের মধ্য সবচেয়ে ভাল ফলাফল করেছে সাতক্ষীরা জেলা। জেলা থেকে ১৫ হাজার ১৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা জেলা। এ জেলা থেকে ২২ হাজার ৮৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৯৩ দশমিক শূন্য আট শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে আছে নড়াইল জেলা। এ জেলা থেকে ৭ হাজার ৯২ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। পাসের হার ৯২ দশমিক ৪২ শতাংশ।

    এরপরেই যশোরের অবস্থান। বোর্ডের চতুর্থ হওয়া এ জেলা থেকে ২৩ হাজার ৭০২ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৯২ দশমিক ১৪ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে কুষ্টিয়া জেলা। এ জেলা থেকে ১৭ হাজার ৬৯১ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৯১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ৬ষ্ঠ অবস্থানে আছে ঝিনাইদহ জেলা। এখান থেকে ১৫ হাজার ৫৮৯ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৯০ দশমিক ৯৭। ৭ম স্থানে মেহেরপুর। এ জেলা থেকে ৫ হাজার ৪৮৪ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাশের হার ৮৯ দশমিক ৯০। এরপর ৮ম অবস্থানে বাগেরহাট। এ জেলা থেকে ১১ হাজার ৪৪২ জন পাশ করেছে। পাসের হার ৮৯ দশমিক ২৮। ৯ম অবস্থানে চুয়াডাঙ্গা জেলা। এখান থেকে ৮ হাজার ৩৪৭ জন পাশ করেছে। পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮১। যশোর বোর্ডে সব চেয়ে নিচে অবস্থান করছে মাগুরা। এ জেলা থেকে ৯ হাজার ৫৫৫ শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৮৭ দশমিক ২৫।

    যশোর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, গতবছর ফলাফল আশানুরুপ না হওয়ায় তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে নামেন। বিভিন্ন স্কুল তাৎক্ষণিক পরিদর্শনসহ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এছাড়া গত বছর ফল খারাপ হওয়ায় অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের বাড়তি যত্ন নিয়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে এবার যশোর বোর্ডের ফলাফল সন্তোষজনক হয়েছে।

    (Visited 11 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *