Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / শরণার্থী প্রসঙ্গে আইন বিষয়ক সাংবাদিকদের কর্মশালা

শরণার্থী প্রসঙ্গে আইন বিষয়ক সাংবাদিকদের কর্মশালা

  • ২৪-০৪-২০১৬
  • রাষ্ট্রহীনতার ঝুঁকিতে থাকা শরণার্থীদের সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আইন বিষয়ক সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর)।

    শনিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রিডাকশন অব স্টেটলেসনেস : রোল অব দি মিডিয়া’ বিষয়ক এক কর্মশালায় ইউএনএইচসিআর’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্টিনা জুংডেল সাংবাদিকদের এ প্রশিক্ষণ দেন।

    তিনি বলেন, ‘যাদের রাষ্ট্রীয় পরিচয় নেই, তাদের সমস্যা আমরা সচরাচর দেখতে বা শুনতে পাই না। যেসব আইন ও নীতিমালার ফলে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তার নাগরিক অধিকার হারায়, তা অনুসন্ধান করে দুর্ভোগ ও বৈষম্য লাঘবে এবং রাষ্ট্রহীনতার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে গণমাধ্যম।’

    স্টিনা জুংডেল বলেন, ‘নাগরিকত্ব সনদ বা পরিচয়পত্র না থাকায় মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকে। দশ বছরের মধ্যে রাষ্ট্রহীনতা নির্মূল করতে ২০১৪ সালের নভেম্বরে বিশ্বব্যাপী প্রচারণা শুরু করে ইউএনএইচসিআর। বিদ্যমান পরিস্থিতির সমাধানকল্পে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এমনকি নতুন করে নাগরিকত্বহীনতা প্রতিরোধে জাতিসংঘ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, সুশীল সমাজ ও স্থানীয় সরকারের পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ।’

    কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আইন, আদালত, সংবিধান ও মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের (এলআরএফ) সভাপতি দি ডেইলি স্টারের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আশুতোষ সরকার।

    সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে কর্মশালা শেষ হয় দুপুর ২টায়। কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সাংবাদিক কাজী আবদুল হান্নান, ইউএনইচসিআর’র বাংলাদেশের সহকারী প্রটেকশন অফিসার ফাহমিদা করিম ও সৌভিক দাস তমাল।

    আলোচকরা কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির নাগরিকত্ব লাভ করা যায় ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আবার একজন ব্যক্তি বা সম্প্রদায় কীভাবে রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে তাও আলোচনায় উঠে আসে। বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীর নাগরিকত্ব কীভাবে নির্ধারণ করা হবে ও বাংলাদেশে আটকে পড়া উর্দুভাষী পাকিস্তানি অথবা বিহারীদের জাতীয়তা বা পরিচয় কী হবে, সেসব নিয়েও আলোচনা করা হয়।

    পাশাপাশি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে কি না বা তারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবে কি না; আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীরা বাংলাদেশের নাগরিক মনে করছেন কিনা, সে বিষয়গুলোও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। বর্তমানে বিশ্বে ১ কোটি মানুষ রাষ্ট্রহীন, যারা তারা কোনো দেশের নাগরিক নন- এমন পরিসংখ্যানও উঠে আসে কর্মশালায়।

    এলআরএফ’র সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দিদারুল আলম এসময় ইউএনএইচসিআর’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্টিনা জুংডেলকে ধন্যবাদ জানান। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী ৪০ সাংবাদিককে শরণার্থী বিষয়ক সনদ প্রদান করা হয়।

    (Visited 14 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *