Templates by BIGtheme NET
Home / ছবির হাট / গরমে রোদে পোড়া ত্বকের যত্ন ।। songbadprotidinbd.com

গরমে রোদে পোড়া ত্বকের যত্ন ।। songbadprotidinbd.com

  • ১৬-০৬-২০১৯
  • image-95568লাইফস্টাইল ডেস্কঃ  গরমের সময় তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এ সময় বাইরে গেলে রোদের তাপে ত্বকের ক্ষতিহয়। যতই সানস্ক্রিন লাগিয়ে রোদে যান না কেন ত্বক কালচে হবেই।

    এ ক্ষেত্রে সানস্ক্রিন লাগানোর পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু সহজ উপায়ে ত্বকের পোড়া ভাব দূর করতে পারেন। প্রতিকারের উপায় রয়েছে হাতের নাগালে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে রোদে পোড়াভাব দূর করার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

    শসা
    তাজা শসা টুকরা করে কেটে ত্বকে আলতোভাবে ১০ মিনিট মালিশ করে ধুয়ে ফেলুন।

    হলুদ, বেসন ও দই
    এই প্যাকটার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। দুই টেবিল-চামচ বেসন, এক চা-চামচ হলুদ গুঁড়া এবং এক টেবিল-চামচ টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ব্রাশের সাহায্যে প্যাকটি ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    মধু ও লেবু
    দুই টেবিল-চামচ মধু এবং এক চা-চামচ লেবুর রস নিন। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    দুধ
    কাঁচা তরল দুধে একটা তুলার বল ডুবিয়ে সারা মুখে মেখে নিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    চা
    কয়েকটি টি ব্যাগ পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। রোদে পোড়া ত্বকে উপর তোয়ালে দিয়ে রেখে দিন ৩০ মিনিট। কমে যাবে রোদে পোড়া দাগ। এছাড়া দুধে টি ব্যাগ ভিজিয়ে ত্বকে লাগালেও উপকার পাবেন।

    সরিষার তেল
    রোদে পোড়া ত্বকে সরিষার তেল ঘষুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এটি দ্রুত কমিয়ে দেবে রোদে পোড়া দাগ।

    আলুর রস
    আলু টুকরা করে রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে ঘষুন। তুলার বল আলুর রসে ভিজিয়েও লাগাতে পারেন ত্বকে। এটি রোদে পোড়া কালচে দাগ দূর করতে খুবই কার্যকর।

    চন্দন
    চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে চায়ের লিকার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। রোদে পোড়া ত্বকে লাগিয়ে রাখুন মিশ্রণটি। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    গোলাপজল
    গোসল করার সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিন। সানবার্ন কমে যাবে।

    টমেটো
    টমেটো চটকে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি রোদে পোড়া দাগ দূর করবে।

    অ্যালোভেরা
    অ্যালভেরার জেল সরাসরি লাগান ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পোড়া দাগ কমে মিলিয়ে যাবে ধীরে ধীরে।

    এদিকে, মুখের যত্ন নিলেও বেশির ভাগ সময় আমরা ভুলে যাই হাত, পা ও ঘাড়ের যত্ন নেয়ার কথা। মুখের ত্বকের সঙ্গে ঘাড়, হাত-পায়ের ত্বকের মিল থাকে না। তাই ঘাড়, হাত-পায়েরও যত্ন নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

    চলুন জেনে নিই কীভাবে হাত, পা, গলা ও ঘাড়ের যত্ন নেয়া যায়।

     

    ১. রোদে পুড়ে আমাদের হাত, পা, গলা ও ঘাড় শুষ্ক হয়ে য়ায়। বাইরে থেকে এসে হাত, পা, ঘাড়ে টক দই লগাবেন। এতে রোদে পোড়া কালো দাগ কমে যাবে।

    ২. যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তারা শীত বা গরম যাই হোক না কেন, ত্বকে ভ্যাসলিন লাগাবেন। এতে হাত-পা কোমল হবে।

    ৩. গোসলের আগে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ গ্লিসারিন, পাঁচ চা চামচ দুধ ও ভিটামিন ই লিকুইড মিশিয়ে ম্যাসাজ করবেন। এতে হাত, পায়ের রং উজ্জ্বল হবে।

    ৪. প্রতিদিন বা সপ্তাহে তিন-চার দিন গোসলের সময় হাত, পা স্ক্রাব করবেন। গোসলের পর ভারী ক্রিম বা ভ্যাসলিন মাখবেন।

    ৫. হাত, পা, গলা ও ঘাড়ের লালচে ভাব দূর করতে শসার রস, গ্লিসারিন, গোলাপজল মিশিয়ে মাখবেন।

    ৬. প্রাকৃতিক ব্লিচিংয়ের জন্য আলু ও টমেটোর রস বেশ উপকারী। এগুলোর রস হাত-পায়ে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

    ৭. যাদের ঘাড় কালো, তারা ছয় চামচ কাঁচা দুধের সঙ্গে এক চামচ উপটান, আধা চামচ হলুদ দিয়ে প্যাক বানিয়ে ঘাড়ে ও গলায় লাগান। পনেরো মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। এতে কালো দূর হবে।

    তবে গরমে ঘাম তো হবেই। কিন্তু ঘাম মানেই তাতে দুর্গন্ধ থাকবে আর তা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হবে, সেটা নয়। শরীরের তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক হলো ঘাম, যার গন্ধ বা রং কোনোটিই নেই। কিন্তু শরীরের ভাঁজে ভাঁজে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ঘামের প্রতিক্রিয়ায় গায়ে গন্ধ হয়। সবাই একইরকম ঘামেও না। কে কতটা ঘামে তা নির্ভর করে ত্বকের গ্রন্থির সংখ্যার ওপর। যাদের শরীরে ঘর্মগ্রন্থি বেশি তাদের ঘামও বেশি। তবে তুলনামূলকভাবে নারীরা পুরুষদের চেয়ে কম ঘামে।

     

    পরিচ্ছন্নতা

    গরমে ঘামের গন্ধ দূর করার প্রথম ধাপই হলো পরিচ্ছন্ন থাকা, ভালো করে গোসল করা। গোসল আমাদের শরীরের ব্যাকটেরিয়াগুলো দূর করে। আর সেই গোসল সারতে হবে ভালো মানের সাবান দিয়ে। এ ছাড়া ঘামাচির হাত থেকে মুক্তি পেতে গোসলের পানিতে মিশিয়ে নিন ওডিকলোন।

    কিছু কথা মনে রাখুন

    প্রতিদিন দুবার গোসল করুন। ব্যায়াম বা খেলাধুলা করার পর অবশ্যই গোসল করতে হবে।

    গোসল করার পর পায়ের পাতা ভালো করে মুছে পাউডার লাগান। এতে পা কম ঘামবে।

    সুতির মোজা পড়ুন। এমন জুতা পরবেন যাতে পায়ে বাতাস লাগে।

    পা ঘামার অভ্যাস থাকলে প্রতিদিন জুতা বদল করে পরুন। পর পর দুদিন একই জুতা পরবেন না।

    যখনই সম্ভব হবে খালি পায়ে হাঁটবেন। অনেকক্ষণ জুতা পরে থাকতে হলে মাঝে
    মাঝে জুতা খুলে রাখুন।

    সুতির আন্ডার গার্মেন্টস ব্যবহার করবেন।

    সুতির আরামদায়ক জামা-কাপড় পরুন।

    ঘাম হলেই তা মুছে ফেলুন।

    চুল নিয়মিত শ্যাম্পু করুন।

    ধুমপান এড়িয়ে চলুন। কারণ ধূমপানের গন্ধ শরীরের অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশে অস্বস্তিকর গন্ধ সৃষ্টি করে।

    রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা এবং সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

    প্রচুর পানি এবং ফলের রস পান করতে ভুলবেন না।

    (Visited 6 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *