Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / অর্থ ও বাণিজ্য / মাছ-মাংস-সবজি কোথাও নেই স্বস্তি ।। songbadprotidinbd.com

মাছ-মাংস-সবজি কোথাও নেই স্বস্তি ।। songbadprotidinbd.com

  • ০২-০৪-২০১৯
  • image-66958-1553855762সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া ছাড়া কোনো মাছের কেজি ২০০ টাকার নিচে মিলছে না। আর হাতে গোনা দু-একটি সবজি বাদে বেশিরভাগের দাম ১০০ টাকার কাছাকাছি। প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম সাড়ে পাঁচশ টাকা। পাকিস্তানি কক মুরগির কেজি ছাড়িয়েছে ৩০০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগির কেজি পৌঁছেছে আড়াইশো টাকায়। বয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকার কাছাকাছি। রাজধানীর মাছ-মাংস-সবজির বাজারগুলোতে কোথাও নেই স্বস্তি।

    রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    সবজি, মাছ ও মাংসের এমন ব্যাপক চড়া দামে বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। বাজারে মাংসের যে দাম তাতে আমাদের মত নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে মাসে এক-দুবার মাংস খাওয়ার উপায়ও নেই। বেশিরভাগ সবজির দাম প্রায় ১০০ টাকা।

    বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বয়লার মুরগির কেজি আগের সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা থেকে ১৭৫ টাকা। লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। আর পাকিস্তানি কক মুরগি গত সপ্তাহের মতো ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

    এদিকে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে গরুর মাংসের কেজি পৌঁছে গেছে সাড়ে ৫০০ টাকায়। বাজার ভেদে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ থেকে ৫৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫২০ থেকে ৫৩০ টাকা কেজি। এর মাধ্যমে গত এক মাসে প্রতি সপ্তাহেই গরুর মাংস দাম কিছু না কিছু বেড়েছে।

    মাংসের দামের পাশাপাশি স্বস্তি দিচ্ছেনা ডিমের দামও। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম নতুন করে না বাড়লেও খুচরা পর্যায়ে এক পিস ডিম ১০ টাকার নিচে মিলছে না। আর পাইকারিতে ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা।

    সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দাম। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা কেজি। রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং চিতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।

    এদিকে তিন সপ্তাহ ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া সবজির দাম এখনও কমেনি। বরবটি গত সপ্তাহের মতো ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঢেঁড়স, কচুর লতি ও করলা। শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা পিস। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস। আর ধুন্দুল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। মূলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।

    চড়া দামের বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হওয়া পেঁপে, টমেটো, শসা ও গাজরের দাম কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁপের দাম বেড়ে ৩০ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে। পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। শসার দাম দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগে টমেটো ও শসা ৩০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। আর ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজরের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

    তবে দাম অপরিবর্তিত থাকার তালিকায় রয়েছে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ। বাজার ভেদে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ আগের মতোই ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকা।

    (Visited 8 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *