Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / আন্তর্জাতিক / বেক্সিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে প্রস্তুত থেরেসা মে ।। songbadprotidinbd.com

বেক্সিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে প্রস্তুত থেরেসা মে ।। songbadprotidinbd.com

  • ২৮-০৩-২০১৯
  • theresa_may_brexit_desh_rupantor_imageআন্তর্জাতিক ডেস্কঃ  বেক্সিট ইস্যুতে পদত্যাগ করতে রাজি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। বুধবার নিজ দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ ঘোষণা দিলেও পদত্যাগের দিনক্ষণ উল্লেখ করেননি তিনি।

    ওই দিন টোরি দলের সদস্যদের উদ্দেশ করে বলেন, “আমাদের দেশ ও আমাদের দলের জন্য যা সঠিক তা করার উদ্দেশে আমি আমার দায়িত্ব আগে থেকেই ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।”

    বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট ইস্যুতে এমপিদের আটটি প্রস্তাবের কোনটিই নিম্ন-কক্ষের ভোটে স্পষ্ট সমর্থন আদায় করতে পারেনি।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি কাস্টমস ইউনিয়নের প্রস্তাব, চুক্তি অনুমোদনের জন্য গণভোটের আহ্বান, নো-ডিল ব্রেক্সিটের প্রস্তাব থেকে শুরু করে ইইউয়ের সঙ্গে শুল্ক কাঠামো রক্ষা করে ব্রেক্সিট চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রস্তাব সবই বাতিল হয়ে যায়।

    এই ফলাফলের কারণে থেরেসা মে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যদি তার চুক্তি পাস হয়ে যায়, তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।

    বুধবারের এই ভোটাভুটি ব্রেক্সিট ইস্যুতে পার্লামেন্টের এত দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করলেও কোন নির্দিষ্ট অবস্থানে পৌঁছাতে না পারার ব্যাপারটিকে সমালোচকেরা ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

    ব্রেক্সিট গণভোটের রায় অনুযায়ী এ বছরের ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়নের থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

    ব্রেক্সিট পরবর্তীকালে ইইউয়ের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক কেমন হবে তেমন কিছু শর্ত নির্দিষ্ট করে একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে তা সংখ্যাগরিষ্ঠ এমপির সমর্থন আদায় করতে পারেনি।

    এরপর গত ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মে ইইউ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এমপিদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে এমন একটি চুক্তি পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন। কিন্তু সেটাও পরাজিত হয়।

    এখন তিনি তৃতীয়বারের মতো ব্রেক্সিট চুক্তি পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে চাইছেন। তবে তার আগে তিনি যথেষ্ট সংখ্যক এমপির সমর্থন নিশ্চিত করতে চান।

    এবার মে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ায় অনেক টোরি এমপি, তার চুক্তির প্রতি সমর্থন দিতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেলেও ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এই চুক্তির বিরোধিতা করে যাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি জানেন যে টোরি সাংসদরা তাকে আর ব্রেক্সিটের পরবর্তী আলোচনার নেতৃত্বে দেখতে চান না এবং তিনিও সেই পথেই দাঁড়াবেন না বলে জানান।

    ব্রেক্সিট সম্পন্ন হওয়ার পর টোরি নেতৃত্বের লড়াই হতে পারে বলে জানা গেছে। সেটা কবে নাগাদ হবে তা নির্ভর করবে রক্ষণশীল দলের ওপর। আর নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত মে প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন।

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ২৯ মার্চের বদলে ১২ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় নেতারা। থেরেসা মে’র চুক্তি অনুমোদন পেলে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা ২২ মে পর্যন্ত বাড়াতো ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে কোনো বিকল্প পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হলে ১২ এপ্রিলেই কোন চুক্তি ছাড়াই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে হবে।

    (Visited 5 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *