Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / নোয়াখালী / লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ডেভলপার কোম্পানি ।। songbadprotidinbd.com

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ডেভলপার কোম্পানি ।। songbadprotidinbd.com

  • ১৫-০৩-২০১৯
  • image-65011-1552646454রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জনতা ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী নামের একটি প্রতিষ্ঠান পাঁচ কোটি টাকার সম্পদ ও লগ্নিকৃত টাকা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পথে বসার উপক্রম জেলার রামগঞ্জ শহরের অর্ধশত ব্যবসায়ী, চাকরীজীবি ও প্রবাসীর পরিবারের।ফার্মের মালিক সাড়ে ৪ বছরে ১০ তলা মার্কেটটি নির্মাণ শেষ করার চুক্তিবদ্ধ হলেও দীর্ঘ ৯ বছরেও তিন তলার কাজ শেষ না করে কোটি কোটি টাকা নিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিক।

    রামগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে (থানার সামনে) জনতা ইউনিটি টাওয়ার নামে ১০ তলা ভবন নির্মাণে টাকা ও সম্পদ দিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে ভুক্তভুগীদের মাঝে। ব্যাংক ঋণের বোঝা ও ধার করা টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে অনেকেই এখন সর্বস্বান্ত।

    এ ব্যাপারে লুৎফর রহমান মাস্টার, তোফাজ্জল হোসেন, ফিরোজ আলম, ফেরদৌসি বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকগণ নানা তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, ২০১০ সালে রামগঞ্জ থানা সংলগ্ন রতনপুর মৌজার বিভিন্ন দাগে স্থানীয় ১৩জন ব্যবসায়ী ১০তলা মাকের্ট ও ফ্লাট নির্মাণে ঢাকার গুলশানস্থ জনতা ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী শামস রহমান মানিকের সাথে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ হন।

    চুক্তি অনুযায়ী সাড়ে চার বছরে ওই মার্কেটের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ফার্মের মালিক গত ৮ বছরে নানা বাহানায় তিন তলার নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ রাখেন। ৫৫/৬০জন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে থেকে শামস রহমান মানিক উচ্চমূল্যে দোকান বিক্রি করেও দোকানগুলো বুঝিয়ে না দিয়ে বর্তমানে গা-ঢাকা দিয়েছেন। এছাড়াও একই দোকান কয়েকজনের কাছে বিক্রি করায় প্রকৃত মালিকরা দোকানগুলো দখলেও নিতে পারছেন না।

    রোমান হোসেন পাটওয়ারী, আবদুল হান্নান, ফরহাদ আহমেদসহ কয়েকজন ভূমি মালিকগণ জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গত কয়েক বছরে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিককে আইনি নোটিশ দেয়া হলেও তার পক্ষ থেকে আশানুরুপ সাড়া পাওয়া যায়নি। এছাড়াও চুক্তিমতে ভূমি মালিকদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দেয়ায় চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

    বতর্মানে ভূমি মালিকরা জনতা ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজিসের নির্মাণাধীন তৃতীয়তলা পর্যন্ত অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে কত টাকা প্রয়োজন এ মর্মে একটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের কাছে হিসাব চাইলে ওই প্রতিষ্ঠান সার্ভে করে প্রায় এক কোটি সতের লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানায়।

    এ ব্যাপারে জনতা ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজিসের স্বত্তাধিকারী শামসু রহমান মানিক মুঠোফোনে জানান, মালিকপক্ষের রিয়েল এস্টেট বিষয়ে ধারণা না থাকায় তারা অনেক কথাই বলতে পারে। এছাড়া জমি মালিকদের জমি নিস্কণ্টক নয়। প্রায় ৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করার কারণে ডিজাইন কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। ব্রোকারের মাধ্যমে দোকান বিক্রির কারণে দুই একটা দোকান নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে।

    (Visited 5 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *