Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / ওষুধ-নাস্তা দিতে পারলেও দেখা করতে পারেননি স্ত্রী

ওষুধ-নাস্তা দিতে পারলেও দেখা করতে পারেননি স্ত্রী

  • ১৬-০৪-২০১৬
  • ডিবি অফিসে দীর্ঘ আধা ঘণ্টা আপেক্ষা করেও শফিক রেহমানের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি স্ত্রী তালেয়া রহমান। তবে তার আনা ওষুধ ও নাস্তা ডিবি কর্মকর্তারা রিসিভ করে ভেতরে নিয়ে যান।

    রোববার দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে স্ত্রী তালেয়া রেহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর ডিবি অফিস থেকে ওষুধ ও সকালের নাস্তা চেয়ে আমার কাছে ফোন করা হয়। এরপরই আমি বেলা ১১টা ২৪ মিনিটে ইস্কাটনের বাসা থেকে মিন্টো রোডস্থ ডিবি অফিসে রওয়ানা হই।’

    তালেয়া বলেন, ‘আমাকে ডিবি অফিসের ওয়েটিং রুমে বসিয়ে ওষুধ ও খাবার নিয়ে ভেতরে দিয়ে আসে। এরপর ডিবি অফিস থেকে জানানো হয়- আপনারা দেখা করতে পারবেন না। আপনারা চলে যান। পরে আপনাদের ডাকা হবে।’

    এদিকে বিএনপির দাবি, সাংবাদিক শফিক রেহমানকে আটক করতে গিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের লোকজন। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘শনিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশ বৈশাখী টেলিভিশনের লোক পরিচয় দিয়ে শফিক রেহমানের ইস্কাটনের বাসায় প্রবেশ করে। এরপর ভাবি (শফিক রেহমানের স্ত্রী তালেহা রেহমান) তাদেরকে বসতে বলে চা-নাস্তা খাওয়ান। পরে শফিক রেহমানের সাথে কথা বলতে বলতে তারা বাইরে বের হয়ে আসেন। একপর্যায়ে তারা শফিক রেহমানকে গাড়িতে উঠতে বলেন। শফিক রেহমান এর কারণ জানতে চাইলে তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়।’

    রিজভী বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, গ্রেপ্তারের পর সাংবাদিক শফিক রেহমানকে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া পল্টন থানার পুরনো একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাকে।’

    শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের অনাচার, ব্যর্থতা ও কুপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে অবিচল নির্ভয়ে শাণিতভাবে লিখে যাওয়ার কারণে শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার হুকুমবাজ ও বাধ্য করার নীতি শফিক রেহমানের ওপর প্রয়োগ করা যায় না। কারণ, তিনি ধ্রুব তারার মতো অবিচল, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। তাকে গ্রেপ্তার সরকারের চৈতন্যলোপের শামিল।’

    (Visited 10 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *