Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / আইন ও অপরাধ / রায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন হলো যাদের ।। songbadprotidinbd.com

রায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন হলো যাদের ।। songbadprotidinbd.com

  • ১০-১০-২০১৮
  • image-45697-1539160908সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ১৪ বছর পর আজ বুধবার ঘোষিত রায়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিণ্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি এবং তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    এছাড়াও আরও ১১ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড হয়েছে।

    ওই হামলার পর প্রকৃত হামলাকারীদের বাঁচিয়ে নিরীহ জজ মিয়াকে ফাঁসানোর চেষ্টা, আলামত গায়েবসহ নানা ঘটনায় বিচার পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। আর মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার কারণে পরে তদন্তেই কেটে গেছে আটটি বছর। এরপর শুনানি হয়েছে আরও ছয় বছর।

    হামলাটি হয়েছিল সে সময়ের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায়। আর আহত-নিহত সবাই আওয়ামী লীগেরই নেতা-কর্মী। আর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে আজ বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। এই রায় ঘোষণা হওয়ায় এক ধরনের স্বস্তি আছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলে।

    এ রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুকে। এ ছাড়া আরও ১৭ জনকে একই সাজা দিয়েছেন আদালত। এই ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন কারাগারে আছেন, বাকি দুজন পলাতক।

    কারাগারে থাকা ১৭ জন হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআই মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, মো. আবদুল মাজেদ ভাট ওরফে মো. ইউসুফ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জানদাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন।

    আর পলাতক দুজন হলেন আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই ও জঙ্গিনেতা মাওলানা মো. তাজউদ্দীন এবং হানিফ পরিবহনের মালিক মো. হানিফ।

    অন্যদিকে গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, সাবেক সাংসদ কায়কোবাদসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া এই ১৯ আসামির মধ্যে ১৩ জনই পলাতক রয়েছেন। আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন ছয়জন।

    যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া ১৯ আসামি হলেন- শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল (উপস্থিত), মাওলানা আবদুর রউফ ওরফের আবু ওমর আবু হোমাইরা ওরফে পীরসাহেব (উপস্থিত), মাওলানা সাব্বির আহমদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির (উপস্থিত), আরিফ হাসান ওরফে সুজন ওরফে আবদুর রাজ্জাক (উপস্থিত), হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া (উপস্থিত), আবু বকর ওরফে হাফে সেলিম হাওলাদার (উপস্থিত), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (উপস্থিত), মহিবুল মোত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন (পলাতক), আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন (পলাতক), মো. খলিল (পলাতক), জাহাঙ্গীর আলম বদর ওরফে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর (পলাতক), মো. ইকবাল (পলাতক), লিটন ওরফে মাওলানা লিটন (পলাতক), তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া (পলাতক), হারিছ চৌধুরী (পলাতক), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (পলাতক), মুফতি শফিকুর রহমান (পলাতক), মুফতি আবদুল হাই (পলাতক) এবং রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে বাবু ওরফে রাতুল বাবু (পলাতক)।

    তবে ১৪ বছরে বিচারিক আদালত থেকে রায় এলেও দণ্ড কার্যকরের জন্য এখনও নানা ধাপ রয়ে গেছে। হাইকোর্টে ডেথ রেফানেন্স এবং আপিল শুনানির পর আপিল বিভাগেও আবেদন করার সুযোগ পাবেন আসামিরা। সেখানেও দণ্ডিত হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ আছে।

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলায় নিহত হয় ২৩ জন। আহত হয় কয়েকশ নেতা-কর্মী।

    (Visited 20 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *