Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / জাতীয় / যুগ্ম সচিব হলেন ১৫৭ কর্মকর্তা ।। songbadprotidinbd.com

যুগ্ম সচিব হলেন ১৫৭ কর্মকর্তা ।। songbadprotidinbd.com

  • ২১-০৯-২০১৮
  • image-92782-1537503835সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  এবার যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৫৭ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে ১৪৯ কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করা হলেও পদোন্নতি বাকি ৮ জন আছেন লিয়েন ও শিক্ষাছুটিতে। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তার মধ্যে ১৩২ জন বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার এবং ১৭ হন অন্যান্য ক্যাডারের।

    তবে মেয়াদ পূর্তির শেষ সময়ে এসেও সরকার পদোন্নতি বঞ্চনার অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাত ১০টা পদোন্নতি বঞ্চিত বেশ কয়েক কর্মকর্তা তাদের ক্ষোভ অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন।

    তাদের দাবি, দলমত নিরপেক্ষ মেধাবী কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও এবারও তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়নি। এছাড়া নতুন করে বিবেচনায় আসা ১৫তম ব্যাচ থেকেও বাদ পড়েছেন প্রায় ২০ জন।

    যাদের কয়েকজনকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি রাজনৈতিক বিবেচনায়। এদিকে পদোন্নতির বিষয়টি নিশ্চিত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ বৃহস্পতিবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, সুন্দর একটি পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

    অতীতের লেফটআউট ৭৩ কর্মকর্তাকে এবার পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন ক্যাডারের বাইরের ১৭ কর্মকর্তা এবার পদোন্নতি পেয়েছেন। যারা পদোন্নতি পাননি তাদের বিভাগীয় মামলাসহ নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে।

    এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অপর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা দাবি করেন সবাইকে পদোন্নতি দেয়ার সুযোগ নেই। পদোন্নতি কোনো অধিকার নয়, এটি অর্জন করতে হয়। যারা পদোন্নতি পাননি তাদের প্রত্যেকের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ আছে। তা সত্ত্বেও সত্যিই যোগ্য-দক্ষদের কেউ যদি বাদ পড়ে থাকেন সেটি সরকার বিবেচনা করতে পারে।

    প্রসঙ্গত, যুগ্ম সচিব পদে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৪১১। বর্তমানে এই পদে কর্মরত আছেন ৬১৩ কর্মকর্তা। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ১৫৭ জনকে যুগ্ম সচিব করা হয়। এর ফলে এ পদে কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল ৭৭০-এ। হিসাব অনুযায়ী অনুমোদিত পদের চেয়ে অতিরিক্ত কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫৯। এ অবস্থায় পদ না থাকায় পদোন্নতি পাওয়া অধিকাংশ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইন সিটু) কাজ করতে হবে অথবা ওএসডি থাকতে হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রেওয়াজ অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্তদের ইতিমধ্যেই ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে।

    পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিসিএস ১৯৮৪ ব্যাচের একজন, ১৯৮৫ ব্যাচের ৭ জন, ১৯৮৬ ব্যাচের ৯ জন, নবম ব্যাচের ৬ জন, দশম ব্যাচের ৫ জন, ১১তম ব্যাচের ১০ জন, ১৩তম ব্যাচের ৩৫ জন এবং নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ১৫ ব্যাচের ৫৯ কর্মকর্তা রয়েছেন। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে থেকে ১৭ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে এবার কমবেশি ৭৩ কর্মকর্তা রয়েছেন, যাদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে এর আগে একাধিকবার বঞ্চিত হয়েছিলেন।

    প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুগ্ম সচিব পদে ১৫৭ জনকে পদোন্নতি দিতে গিয়ে দেড় শতাধিক কর্মকর্তা বঞ্চিত হয়েছেন। যারা বিসিএস ১৯৮৪ ব্যাচ, ১৯৮৫ ব্যাচ, ১৯৮৬ ব্যাচ, নবম, দশম, একাদশ, ১৩তম ও ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা বিচারাধীন অথবা চাকরির গোপন প্রতিবেদনে বিরূপ মন্তব্য থাকায় পদোন্নতি দেয়া সম্ভব হয়নি।

    যারা পদোন্নতি পেলেন: মো. রফিকুল ইসলাম সরকার (২৪৭৮), মোস্তাক আহমেদ (৪৫৩২), মো. শেফাউল করিম (৪৫৮৬), মো. হুমায়ুন কবীর (৪৬০২), আবদুল ওয়াহাব খান (৪৭৬৫), একেএম আমিনুল ইসলাম (৪৭৬৭), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (৪৭৭৭), মো. ফজলুল করিম (৪৭৭৯), মো. ইলিয়াস ভূঁইয়া (৫২৩৭), অমর চান বণিক (৫২৪৪), বেগম মোহসেনা খান (৫২৪৭), হাওলাদার জাকির হোসেন (৫২৬০), মহিউদ্দিন আহমেদ খান (৫২৬৪), কলে্লাল কুমার চক্রবর্তী (৫২৯৮), মো. আলীম উদ্দিন (৫৩০৬), মো. আবু তালেব (৫৩৫৯), মো. জোবায়দুর রহমান (৫৩৯১), মোহাম্মদ জাকের হোসেন (৫৪৩২), নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার (৫৪৩৭), আবদুল মান্নান (৪১৪৭), মো. আলমগীর হোসেন (৪১৫৮), আবুল বায়েছ মিয়া (৪১৬২), একেএম মাসুদুর রহমান (৪১৬৭), মো. রিজওয়ানুল হুদা (৫৪৯৪), মো. মোজ্জাম্মেল হক (৪২৪৭), ড. মো. খালেদ হোসেন (৫৫৩৪), জাফর রাজা চেৌধুরী (৫৬২৪), বেগম মোমেনা খাতুন (৫৬২৮), মো. মাসুদুল হাসান (৫৬৭২), ড. মোহা. শের আলী (৫৬৭৫), মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৭১৬), এএইচএম গোলাম কিবরিয়া (৫৭৩৩), মো. সাইফুল্লাহ পান্না (৫৭৩৬), সুব্রত পাল চেৌধুরী (৫৭৬৬), মোহাম্মদ ইয়াছিন (৫৭৭০), মো. মুহিবুজ্জামান (৫৭৭২), মো. ফয়সল শাহ (৫৭৯৯), মো. আবুল কালাম আজাদ (৫৮৪১), ড. মো. মনিরুল হুদা (৫৯০১), ড. নাসিম আহমেদ (৫৯০৫), একেএম শামীম আক্তার (৫৯০৮), এসএম হামিদুল হক (৫৯১১), মোহা. অলিউল্লাহ মিয়া (৫৯১৭), ড. মলয় চেৌধুরী (৫৯২১), সঞ্জয় কুমার ভেৌমিক (৫৯২২), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৯২৩), মো. মিজানুর রহমান (৫৯২৪), মো. নজরুল ইসলাম (৫৯২৭), মো. ফাহিমুল ইসলাম (৫৯২৮), মো. ইকবাল হোসেন (৫৯৩০), মো. জহুরুল হক (৫৯৩১), এটিএম কামরুল ইসলাম (৫৯৫৪), ওয়াহেদ-উজ-জামান (৫৯৫৬), মো. হাসান সারওয়ার (৫৯৬০), মো. আমিন উল আহসান (৫৯৬৫), মো. আমিনুল ইসলাম (৫৯৬৯), একেএম মাসুদুজ্জামান (৫৯৭৩), মলি্লক সাঈদ মাহবুব (৫৯৯৫), খোন্দকার মো. রুহুল আমীন (৬০০৫), মো. খলিলুর রহমান (৬০০৭), আশরাফ উদ্দীন আহাম্মদ খান (৬০০৯), মো. এনায়েত উল্লাহ খান ইউসুফজী (৬০২৯), মো. ইসমাঈল হোসেন (৬০৩০), মুহাম্মদ শাহেদ কবির (৬০৩৪), শেখ হামিম হাসান (৬০৩৫), মো. মোস্তফা কামাল মজুমদার (৬০৪৩), মো. আবু বকর সিদ্দিক (৬০৬১), মোহাম্মদ ইয়াসিন (৬০৬৪), সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার (৬০৭৭), খালেদ মামুন চেৌধুরী (৬০৭৯), বেগম মাহবুবা পান্না (৬০৮২), হায়দার জাহান ফরাস (৬০৮৪), দেওয়ান মো. আবদুস সামাদ (৬১১৮), বেগম ফারজানা মমতাজ (৬২৫২), মো. মফিদুর রহমান (৬২৫৪), মো. হাবিবুর রহমান (৬২৫৭), মোহাম্মদ শহিদুল আলম (৬২৫৮), কেএম আবদুল ওয়াদুদ (৬২৬০), ডা. মো. সারোয়ার বারী (৬২৬১), আবু তাহের মো. মাসুদ রানা (৬২৬২), মো. আনোয়ার হোসেন (৬২৬৪), মো. সাইফুল ইসলাম (৬২৬৬), বেগম ফাতেমা রহিম ভীনা (৬২৭১), মো. যাহিদ হোসাইন (৬২৭৬), মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (৬২৭৭), মো. খোরশেদ আলম (৬২৮১), মো. জহির রায়হান (৬২৮২), খান মো. নুরুল আমিন (৬২৮৩), মো. মাহবুব আলম তালুকদার (৬২৮৪), সরদার মো. কেরামত আলী (৬২৮৯), জাহিদ হোসেন মুন্সী (৬২৯০), একেএম সোহেল (৬২৯২), ড. মো. এনামুল হক (৬২৯৪), মো. মহিদুল ইসলাম (৬২৯৬), মো. রাশিদুল ইসলাম (৬২৯৭), বেগম জিনাত আরা (৬২৯৯), ড. মো. আমিনুর রহমান (৬৩০১), মো. আবদুর রহিম খান (৬৩০২), ড. মলি্লক আনোয়ার হোসেন (৬৩০৩), মো. তোফাজ্জেল হোসেন (৬৩০৫), বেগম জাহেদা পারভীন (৬৩০৮), মো. রাশিদুল হাসান (৬৩১১), মো. আবদুল মালেক (৬৩১২), মো. শফিকুল ইসলাম (৬৩১৪), আমেনা বেগম (৬৩১৫), মো. নুরুজ্জামান (৬৩১৬), মো. আশরাফুল ইসলাম (৬৩২১), ড. হুমায়রা সুলতানা (৬৩২২), ড. মো. রেজাউল বাসার সিদ্দিকী (৬৩২৩), দেলোয়ারা বেগম (৬৩২৪), মো. নাজমুস সাদাত সেলিম (৬৩২৫), মো. মাহমুদুল হাসান (৬৩৩০), বেগম মুনিমা হাফিজ (৬৩৩৫), মো. হেলাল মাহমুদ শরিফ (৬৩৩৬), এএইচএম লোকমান (৬৩৩৭), মো. হাবিবুল হক খান (৬৩৪১), মনোজ কুমার রায় (৬৩৪২), মো. লুত্ফর রহমান (৬৩৪৭), পরিমল সিংহ (৬৩৪৮), বেগম সায়মা ইউনুস (৬৩৪৯), মো. আখতারুজ্জামান (৬৩৫১), মো. মানজারুল মান্নান (৬৩৫৬), ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম (৬৩৫৮), সিরাজুন নূর চেৌধুরী (৬৩৬২), মো. সাবিরুল ইসলাম (৬৩৬৩), বেগম জুবাইদা নাসরিন (৬৩৬৪), শফিউল আজিম (৬৩৬৫), মো. আবুল হাসানাত হুমায়ুন কবির (৬৩৬৭), বেগম স্মৃতি কর্মকার (৬৩৭১), বেগম সেলিনা পারভেজ (৬৩৭৩), সৈয়দা সালমা জাফরীন (৬৩৭৪), রেখা রাণী বালো (৬৩৭৫), মো. আবদুল মজিদ (৭৫৭৫), মো. আবুল বাসার (৭৫৭৭), শাহ& আবদুল আলীম খান (৭৫৮০), মো. মনিরুজ্জামান (৭৫৮৪), মো. খাইরুল ইসলাম (৭৫৮৫), নাজির আহমদ (৭৫১১), নূর মো. মাহবুবুল হক (৭৬৯১), মুহাম্মদ আশরাফ আলী ফারুক (৭৫৯০), জেহসান ইসলাম (৭৪৪৭), সৈয়দ আলী রেজা (৭৫৪৮), মো. শওকত আলী (৭৫৪৯), মো. জাকারিয়া (৭৬২৮), অসীম কুমার দে (৭৪৫৯), মো. হারুন অর রশিদ (৭৫৬২), তাহমিদ হাসনাত খান (৭৬৩২), আবদুর রাজ্জাক (৭৬৩৪), এসএম রেজাউল মোস্তফা কামাল (৭৬২৪), মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ (৬২৬৯), মো. সারোয়ার আলম (৬৩০০), ড. মো. আশফাকুল ইসলাম বাবুল (৬৩৬০), ড. মো. সিরাজুল ইসলাম (৭৪৯৬), ড. সৈয়দ মাসুম আহমেদ চেৌধুরী (৭৬৩৩)।

    (Visited 7 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *