Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / আইন ও অপরাধ / মানবতাবিরোধী অপরাধে ৪ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড ।। songbadprotidinbd.com

মানবতাবিরোধী অপরাধে ৪ রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড ।। songbadprotidinbd.com

  • ১৭-০৭-২০১৮
  • image-38147-1531806854নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৌলভীবাজারের রাজনগর থানার চার রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।

    আসামিদের মধ্যে ৭৯ বছর বয়সী আকমল আলী তালুকদার কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিন আসামি আব্দুন নূর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া (৬৬), আনিছ মিয়া (৮০) ও আব্দুল মোছাব্বির মিয়া (৬৭) পলাতক।

    রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা দুটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি অভিযোগে চার আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য অভিযোগে সবাইকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এরপর গত বছরের ৭ মে এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে বিচার শুরু করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা করে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি এ বছরের মার্চ মাসে শেষ হয়। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।

    আদালতের নথির তথ্য অনুযায়ী, ওই চার জন একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতায় রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে রাজনগরের পাঁচগাও গ্রামে বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটায়।

    তাদের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষক আকমল ও লাল মিয়া সে সময় মুসলিম লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। আকমল ছিলেন পাঁচগাও ইউনিয়ন শান্তি কমিটির সদস্য।

    তাদের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০২টি পরিবারের ১৩২টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ছয় জনকে ধর্ষণ, সাত জনকে অপহরণ ও ৬১ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

    ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর ওই চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রাম থেকে আকমল আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিরা এখনো পলাতক।

    গত ২৭ মার্চ এ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর দীর্ঘ প্রায় চার মাস পরে মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ঠিক করা হয়।

    ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর হায়দার আলী, সাইয়্যেদুল হক সুমন ও শেখ মুশফেক কবীর। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার। পলাতকদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন আবুল হোসেন।

    (Visited 19 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *