Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / জাতীয় / চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে চাকরিচ্যুত ।। songbadprotidinbd.com

চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে চাকরিচ্যুত ।। songbadprotidinbd.com

  • ০৭-০৭-২০১৮
  • max-hospitale-aamr-1865259318সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  শিশু রাফিদা খান রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ৭ জুলাই, শনিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান হাসপাতালটির পরিচালক ডা. লিয়াকত আলী খান।

    চাকরিচ্যুত দুই চিকিৎসক হলেন ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেব। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. বিধান রায়ের বিষয়ে লিয়াকত আলী বলেন, ‘তিনি আমাদের নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক নন।’

    এর আগে ৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি। ঘটনার সময় দায়িত্বরত তিন চিকিৎসক ডা. বিধান রায়, ডা. দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডা. শুভ্র দেবের অবহেলার প্রমাণ মিলেছে বলে তদন্ত কমিটি জানায়।

    চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনের নেতৃত্বাধীন এ কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, শিশু রাইফা খান যখন তীব্র খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয় তখন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের অনভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতার অভাব ছিল। ওই সময়ে থাকা সংশ্লিষ্ট নার্সদের আন্তরিকতার অভাব না থাকলেও এ রকম জটিল পরিস্থিতি মোকাবেলা করার দক্ষতা বা জ্ঞান কোনোটাই তাদের ছিল না।

    অসুস্থ রাইফার ম্যাক্স হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হওয়া থেকে শুরু করে শেষ চিকিৎসা পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে তার অভিভাবকদের ভোগান্তি চরমে ছিল বলেও তদন্ত কমিটি জানায়।

    এ ছাড়াও তদন্ত কমিটি জানায়, শিশুবিশেষজ্ঞ ডাক্তার বিধান রায় চৌধুরী শিশুটিকে যথেষ্ট সময় ও মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা করে দেখেননি এবং ডাক্তার দেবাশীষ সেন গুপ্ত ও ডাক্তার শুভ্র দেব শিশুটির রোগ জটিলতার বিপদকালীন সময়ে আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদান করেননি।

    গত ২৯ জুন দিবাগত রাত ১২টায় নগরীর বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে সমকালের ক্রাইম ও স্পোর্টস রিপোর্টার রুবেল খানের একমাত্র কন্যা রাফিদা খান রাইফা মারা যায়। ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় মৃত্যু হয় রাইফার এমন অভিযোগ ওঠে।

    রাইফার মৃত্যুর পর থেকে অভিযুক্ত ডাক্তার, ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ এবং চট্টগ্রাম জেলার বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল ইকবালের সনদ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

    এদিকে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দোষীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্ছ শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছে সাংবাদিক সমাজ।

    (Visited 8 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *