Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / খেলাধুলা / ব্রাজিল বনাম মেক্সিকো: আজ জয়ের পাল্লা কার দিকে? ।। songbadprotidinbd.com

ব্রাজিল বনাম মেক্সিকো: আজ জয়ের পাল্লা কার দিকে? ।। songbadprotidinbd.com

  • ০২-০৭-২০১৮
  • maxresdefaultস্পোর্টস ডেস্কঃ  ব্রাজিল বনাম মেক্সিকোর লড়াই। আর এ নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। ব্রাজিল ১৯৯০ সালের পর থেকে কখনও বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালের আগে বাদ পড়েনি। অন্যদিকে শেষ ছয় বিশ্বকাপেই দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে ছিটকে গেছে মেক্সিকো। বিশ্ব মঞ্চে চার দেখায় একবারও ব্রাজিলকে হারাতে পারেনি, হজম করেছে ১১টি গোল। সামারায় সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দল।

    তিতের ব্রাজিল নিজেদের শেষ ১৫টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে অপরাজিত আছে। অন্যদিকে ১৯৯৯ সালের পর থেকে ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ১৫ ম্যাচের সাতটিতে জয় পেয়েছে মেক্সিকো, ব্রাজিল হেরেছে পাঁচটিতে।

    রাশিয়া বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৪২ বার বল ড্রিবল করার চেষ্টা করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার। ২৮ বার ড্রিবল করে তার সবচেয়ে কাছে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি।

    এ পর্যন্ত নেইমার ১৮টি গোলের সুযোগ পেয়েছেন, যা আসরে অন্য যে কোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি।

    গ্রুপ পর্বে নিজেদের তিন ম্যাচে ৫৬টি শট নিয়েছে ব্রাজিল। টুর্নামেন্টে টিকে আছে এমন দলগুলির মধ্যে এটি সর্বোচ্চ। শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ মেক্সিকো নিয়েছে ৪৪টি শট। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৮৪টি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেছে সেলেসাওরা, যা মেক্সিকোর চেয়ে ৬৩১টি বেশি।

    গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে ২৯৭.৬৬ কিলোমিটার দৌড়েছে মেক্সিকো। চলতি আসরে এর চেয়ে কম দৌড়েছে শুধু পানামা। ব্রাজিলের সবাই মিলে দৌড়েছে ৩১৩.৪ কিলোমিটার। টুর্নামেন্টে টিকে থাকা দলগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের চেয়ে বেশি সময় বল পায়ে রাখতে পেরেছে শুধু স্পেন। তিন ম্যাচে ১১১ মিনিট ৪ সেকেন্ড নিজেদের পায়ে বল রেখেছে তিতের দল। অন্যদিকে মেক্সিকোর বল পজেশন ৮৮ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।

    গ্রুপ পর্বে দুই হলুদ কার্ড দেখায় শেষ ষোলোয় খেলতে পারবেন না মেক্সিকোর ডিফেন্ডার এক্তর মোরেনো। তিন ব্রাজিলিয়ান (ফিলিপে কৌতিনিয়ো, কাসেমিরো ও নেইমার) ও মেক্সিকোর তিন খেলোয়াড় (এক্তর এররেরা, মিগেল লাইয়ুন ও হেসুস গাইয়ার্দো) আর একটি করে হলুদ কার্ড দেখলেই এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন।

    ব্রাজিল ও মেক্সিকো নিজেদের মুখোমুখি হয়েছে ৪০ বার। লাতিন পরাশক্তিদের ২৩ জয়ের বিপরীতে মেক্সিকানদের জয় ১০টি। বিশ্বকাপে চারবার দেখা হয়েছে দুই দলের। প্রথম তিন দেখায় জয় ব্রাজিলের। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষ দেখা গ্রুপ পর্বের ম্যাচে। ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।

    বিশ্বকাপে চারবারের দেখায় ব্রাজিলের জালে কোনো গোল দিতে পারেনি মেক্সিকো, হজম করেছে ১১টি। ব্রাজিল শেষবার কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠতে পারেনি ১৯৯০ সালে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৫৬ ম্যাচ খেলে কোনো শিরোপা ঘরে তুলতে পারেনি মেক্সিকো। বিশ্ব মঞ্চে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলে শিরোপা জিততে না পারার রেকর্ড এটি।

    তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলা টাইব্রেকার পর্যন্ত গড়ালে ব্রাজিল জিতে যাবে। কারণ মেক্সিকোর চেয়ে ট্রাইব্রেকারে মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা ব্রাজিলেরই বেশি। বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত চারবার টাইব্রেকার পেয়েছে ব্রাজিল। এর মধ্যে ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে একবারই হেরেছিল দেশটি।

    বিপরীতে মেক্সিকোর টাইব্রেকারের অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই। বিশ্বকাপে দুবার টাইব্রেকার পেয়েছে তারা। দুবারই হারতে হয়েছে তাদের।

     

    চলতি বিশ্বকাপ আসরে মেক্সিকো একটি সুসংগঠিত দল। তারা এখন উত্তেজনার মধ্যে আছে। দলটিতে গিয়ের্মো ওচোয়ার মতো একজন গোলকিপার আছেন। কাজেই তারা সহজে ভেঙে পড়ার মতো দল না।

    যাই হোক, ব্রিটেনের ডেইলি টেলিগ্রাফের ভবিষ্যদ্বাণী হচ্ছে, ব্রাজিলের বিপক্ষে মেক্সিকো এক গোলে জিতবে। কিন্তু লিভারপুলের হয়ে খেলা সাবেক ফুটবল তারকা মার্ক লওরেনসনের ভাষ্য হচ্ছে, ব্রাজিল দুই গোলে এগিয়ে যাবে।

    বিবিসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, আমি মনে করছি না, মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলা ব্রাজিল খুব একটা উপভোগ করবে। এটা সত্যি, মেক্সিকোর সঙ্গে তাদের একটা ভালো রেকর্ড রয়েছে। শেষ ছয় বারের মুখোমুখি হয়ে মেক্সিকোকে চারবার হারিয়েছে ব্রাজিল। কিন্তু ১৯৯৯ সাল থেকে ১৫টি খেলায় মেক্সিকো সাতটিতে জয় পেয়েছে, তিনটিতে ড্র করেছে।

     

    (Visited 54 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *