Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / অর্থ ও বাণিজ্য / বিকাশ ও রকেটের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক ।। songbadprotidinbd.com

বিকাশ ও রকেটের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক ।। songbadprotidinbd.com

  • ০৮-০৪-২০১৮
  • bikash (1)সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদকঃ  মুদ্রাপাচার, ঘুষ লেনদেন, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনেদেনের অভিযোগে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ লিমিটেড ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এজন্য দুই প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে তাদের দুদক কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুদকের উপ-পরিচালক মো. মাহমুদ হাসানের সই করা পৃথক চিঠি তাদের দেওয়া হয়েছে। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    দুই কর্মকর্তা হলেন বিকাশ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) হুমায়ুন কবীর ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের এসএভিপি অ্যান্ড হেড অব এফআইডি সাইফুল আলম মো. কবির। হুমায়ুন কবীরকে ১২ এপ্রিল এবং সাইফুল আলমকে ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। চিঠিতে বিকাশ ও রকেটের বিরুদ্ধে ‘নীতিমালা লঙ্ঘন করে ঘুষ লেনদেন, মুদ্রাপাচার, ইয়াবাসহ মাদক পরিবহন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনদেনের’ অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।

    একই অভিযোগে এসএ পরিবহন, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস ও কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসের লেনদেনের তথ্য চেয়ে দুদকের পক্ষ থেকে পৃথক চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে তা হলো কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নাম, কুরিয়ার সার্ভিসে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র, টাকা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে পোস্টাল নীতিমালা, সর্বোচ্চ যে পরিমাণ অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে কোনো ব্যক্তির জানানোর নিয়ম রয়েছে কি না, কোনো ব্যক্তি অর্থ লেনদেন করলে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর বা অন্য কোনো শনাক্তকরণ পত্রের ফটোকপি গ্রহণ করা হয় কি না, অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে (টাকা) কমিশনের পরিমাণ, কমিশন নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কি না, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা কত, কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যেমন সিআইডি, পিবিআই, র‍্যাব বিভিন্ন সংস্থা সন্দেহজনক লেনদেন-সংক্রান্ত কোনো সহায়তা বা তথ্য চায় কি না। চেয়ে থাকলে গত এক বছরে প্রদান করা তথ্যের বিবরণী প্রভৃতি।

    দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শেরপুর-১ আসনের সরকারদলীয় এমপি ও সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় সংসদের হুইপ এমপি আতাউর রহমান আতিককে তলব করেছে দুদক। আগামী ১৭ এপ্রিল অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক কেএম মেসবাহউদ্দিনের সামনে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিতে নোটিস জারি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ নোটিশ জারি করা হয়। দুদক সূত্র জানায় এমপি আতিকের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় বছর ধরে অনুসন্ধান করছে দুদক।

    এমপি আতিউর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে এমপি হওয়ার পর দুর্নীতির মাধ্যমে গ্রামে ৩০ একর জমির ওপর বাগানবাড়ি, ঢাকার বসুন্ধরা ও বনশ্রীতে দুটি প্লট, গুলশানে দুটি ফ্ল্যাট, নামে-বেনামে শতকোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা। এছাড়া নিয়োগ বাণিজ্য এবং টিআর-কাবিখা ও স্কুল-কলেজের এমপিও থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ গ্রহণ প্রভৃতি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাকে তলব করা হয়েছে।

    (Visited 28 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *