Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / বিনোদন / “কণ্ঠে নজরুলের গান ধারণ করেছি, এটাই জীবনের বড় প্রাপ্তি” ।। songbadprotidinbd.com

“কণ্ঠে নজরুলের গান ধারণ করেছি, এটাই জীবনের বড় প্রাপ্তি” ।। songbadprotidinbd.com

  • ১১-০৩-২০১৮
  • image-66428ফাতেমা-তুজ-জোহরা। বাংলাদেশের নজরুল সঙ্গীতের গর্ব তিনি। সঙ্গীতজীবনে পেয়েছেন একুশে পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার। গানের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবেও একসময় বেশ সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। অভিনয়েও প্রশংসা কুড়িয়েছেন । গান ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেছেন সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের সঙ্গে। তার সাক্ষাতকারের চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : বর্তমানের আপনি খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ ব্যস্ততা কী নিয়ে?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : সাদিয়া আফরিন মল্লিকের নির্দেশনায় নজরুলের জাগরণী একটি গানের মিউজিক ভিডিওতে অংশ নিয়েছি। আমার সঙ্গে শাহীন সামাদ আপা, নাশিত কামালসহ আরো অনেকেই ছিলেন। আর নজরুলসঙ্গীতের অ্যালবামের পাশাপাশি টিভি লাইভ শো ও স্টেজ শো তো রয়েছেই।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : আপনার নজরুল সঙ্গীতের নতুন অ্যালবাম কবে আসবে?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : নজরুলসঙ্গীতের অ্যালবামটির কাজ ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। ইতিমধ্যে এর কাজ অনেকটা গুছিয়ে এনেছি। এতে নজরুলসঙ্গীতের বিভিন্ন ঘরানার প্রচলিত ১০টি গান থাকবে। তবে গানগুলো সম্পর্কে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছিনা। এটি আমার নিজের সঙ্গীতায়োজনে প্রকাশ করতে যাচ্ছি। অবশ্য এর আগেও নিজের সঙ্গীতায়োজনে অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। এক্ষেত্রে গানগুলোকে শতভাগ নিজের করার একটা সুযোগ থাকে। এছাড়া এ ক্ষেত্রে আমার আত্মবিশ্বাসেরও কমতি নেই। এই আত্মবিশ্বাস থেকেই ১৮তম এককের সঙ্গীতায়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : আধুনিক গান নিয়ে আপনার সর্বশেষ ও নতুন অ্যালবাম সম্পর্কে কিছু বলুন

    ফাতেমা তুজ জোহরা : ১০ বছর আগে ২০০৮ সালে ‘রুপের বাজার’ নামে আমার সর্বশেষ আধুনিক গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। এর বেশ কিছু গান শ্রোতামহলে খুব প্রশংসিত হয়েছিল। আধুনিক গানের অ্যালবামের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম অনেক আগে। মাঝে মায়ের অসুস্থতার পাশাপাশি নানা জটিলতার কারণে এর কাজ শুরু করতে পারিনি। তাছাড়া নজরুলসঙ্গীতের অ্যালবামের ফাঁকে এর কাজ আর ধরা হয়নি। তবে ইতিমধ্যে এর কিছু গান নির্বাচন করেছি। কিছুদিনের মধ্যেই অ্যালবামটির কাজে হাত দেব।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : মেয়ের অ্যালবামের কাজে হাত দিয়েছিলেন, সেটার খবর কী?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : নাজিয়া মিশকাত তমার (আমার মেয়ে) একক অ্যালবামের কাজ এখন আপাতত স্থগিত রয়েছে। আমি এর সঙ্গীতায়োজনের কাজটিও করছি। এটিও নজরুলসঙ্গীতের অ্যালবাম। অনেক আগেই এর কয়েকটি গানের কাজ সম্পন্ন করেছিলাম। এখন বাকি কাজটুকু সম্পন্ন করার বিষয়ে ভাবছি।

     

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি: আপনিতো অভিনয়ও করতেন, অনেকদিন অভিনয়ে দেখা যায় না আপনাকে.

    ফাতেমা তুজ জোহরা : ১৯৮৪ সালে খ.ম.হারুনের নির্দেশনায় ‘লাগুক দোলা’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনয়ে আমার অভিষেক হয়। এই নাটকে আমি নির্বাক একজন মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। আমার বিপরীতে ছিলো খালেদ খান। নজরুলের গল্প নিয়ে ‘শিউলী মালা’, রবীন্দ্রনাথের গল্প নিয়ে ‘শেষের রাত্রি’ নাটকেও অভিনয় করেছিলাম।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : একটি চলচ্চিত্রেও তো আপনি অভিনয় করেছিলেন?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : ২০০৮ সালে শিমুলের নির্দেশনায় ‘ভালোবাসা সাদাকালো’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলাম। অনেকটা হঠাৎ করেই আসলে চলচ্চিত্রে অভিনয় করা আমার। সিনেমাতে অভিনয় করার কোনো আগ্রহই আমার ছিলো না। কিন্তু পরিচালক আমাকে গল্প দেখিয়ে বললেন এই চলচ্চিত্রে যে মায়ের চরিত্রটি আছে তার জন্য আমিই নাকি বেশি মানানসই ছিলাম। সে কারণেই আসলে এটি করা।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : একটি ধারাবাহিক নাটকেও অভিনয় করেছিলেন আপনি..

    ফাতেমা তুজ জোহরা : সেটি ২০১৪ সালের কথা। মেহেদী বিন আশরাফের নির্দেশনায় ‘মাতাল হাওয়া’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছিলাম। এটি চ্যানেল আইতে প্রচার হয়েছিলো।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : আপনিতো একুশে পদক, নজরুল পদকেও ভূষিত হয়েছেন, এই যে প্রাপ্তি কেমন লাগে?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : নিশ্চয়ই ভালোলাগার বিষয়। একজন নজরুল সঙ্গীতের শিল্পী হিসেবে নজরুল পদক নিঃসন্দেহে অনেক আনন্দের, ভালোগার এবং গর্বেরও। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননার একটি ‘একুশে পদক’, সেই পদকেও ভূষিত হয়েছি। একজন শিল্পী হিসেবে এই অর্জন ভীষণ আনন্দের। এর নেপথ্যে আমার ভক্ত, শ্রোতা দর্শকের ভালোবাসাই কাজ করেছে আমাকে আগামীর পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি : সঙ্গীত জীবন নিয়ে আপনার প্রত্যাশা?

    ফাতেমা তুজ জোহরা : আমার কণ্ঠে নজরুলসঙ্গীত কতটা প্রাণ সঞ্চার করতে পেরেছে, জানিনা! নজরুলের গান মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াস চালিয়ে আসছি। তবে দেশ-বিদেশের কনসার্টে গান গেয়ে শ্রোতাদের অনেক ভালবাসা ও সাধুবাদ পেয়েছি। এছাড়া জীবনে যশ, খ্যাতি, সুনাম, পরিচিতি এসব তো গান গেয়েই অর্জন করেছি। এজন্য সঙ্গীত জীবন নিয়ে আমার মাঝে কোনো হতাশা নেই। মোটকথা সঙ্গীত জীবন নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।আমার কণ্ঠে নজরুলের গান ধারণ করেছি, এটাই তো জীবনের বড় প্রাপ্তি।

     

     

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডট কম / অভি মঈনুদ্দীন / বি বা 

    (Visited 42 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *