Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / কর্পোরেট নিউজ / এনসিসি ব্যাংকের সাথে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে সমঝোতায় প্যাসিফিক ডেনিমস ।। songbadprotidinbd.com

এনসিসি ব্যাংকের সাথে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে সমঝোতায় প্যাসিফিক ডেনিমস ।। songbadprotidinbd.com

  • ২২-০২-২০১৮
  • pacific-denims-1সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদকঃ  পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ মতিঝিল শাখার সঙ্গে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। ব্যাংকের পর্ষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে, চলতি মাসের মধ্যে ঋণের আসল বাবদ ব্যাংকটিকে ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করবে কোম্পানিটি। সমঝোতার ভিত্তিতে অনাদায়ী ঋণের ওপর বাড়তি সুদ গুনতে হচ্ছে না তাদের।
    জানা গেছে, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে কোম্পানির ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত সময় নেয় প্যাসিফিক ডেনিমস। এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকে অনুমোদন নেয় তারা।
    এরই ধারাবাহিকতায় এনসিসি ব্যাংককে এককালীন ১০ কোটি টাকা পরিশোধের মাধ্যমে দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির জন্য প্রস্তাব পাঠায় প্যাসিফিক ডেনিমস। আর কোম্পানিটির এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে চলতি মাসের মধ্যেই এ অর্থ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে ব্যাংকের পর্ষদ। সমঝোতার মাধ্যমেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হচ্ছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্যাসিফিক ডেনিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজম মহসিন বলেন, ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে আমরা দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি। তারা আমাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে। এনসিসি ব্যাংকের টাকা শোধ করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে। সামান্য কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আশা করছি, দ্রুতই আমরা তাদের পাওনা মিটিয়ে দিতে পারব। এরপর শুধু অগ্রণী ব্যাংকের ঋণটুকু বাকি থাকবে, যেটি শোধ করে দিয়ে আমরা দ্রুতই দায়মুক্ত হয়ে যেতে চাই।

    এনসিসি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অনাদায়ী ঋণের ওপর সুদ প্রযোজ্য হলেও এক্ষেত্রে তারা কোম্পানির প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে একদিকে যেমন কোম্পানির পক্ষে ঋণ শোধ করা সহজ হবে, অন্যদিকে ব্যাংকের খেলাপি ঋণও আদায় হবে। এ সমঝোতায় কোম্পানি ও ব্যাংক উভয়ই উপকৃত হবে।

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের তিন মাসের মধ্যেই ২৫ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুই ব্যাংক ও তিন ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এনওসি নিয়েছিল প্যাসিফিক ডেনিমস। আইপিও প্রসপেক্টাসেও শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ২৫ কোটি টাকায় দুটি ব্যাংক ও তিনটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছিল তারা। কিন্তু ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আইপিওর অর্থ ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়ার তিন মাস অর্থাৎ ৭ মে’র মধ্যে এনসিসি ব্যাংককে ২ কোটি, অগ্রণী ব্যাংককে ৫ কোটি এবং তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান-আইডিএলসি, আইআইডিএফসি ও ফার্স্ট ফিন্যান্সকে ১ কোটি করে ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করে কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ে কোম্পানিটি আইপিওর অর্থে মাত্র ১০ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করে। পরবর্তীতে অগ্রণী ব্যাংককে আরো ৫ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। অনাদায়ী থেকে যায় এনসিসি ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার ঋণ।

    আইপিওর প্রসপেক্টাস অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এনসিসি ব্যাংকের ১০ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংকের ৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ না করায় প্যাসিফিক ডেনিমসের বিরুদ্ধে বিএসইসির কাছে অভিযোগ করে ব্যাংক দুটি। এর বাইরে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজম মহসিনের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের ঋণের টাকা আদায়ে বিএসইসির সহায়তা চেয়ে চিঠি দেয় সোনালী ব্যাংক। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্যাসিফিক ডেনিমসের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইপিওর অর্থ ব্যবহারে ব্যর্থতার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ৬১১তম কমিশন সভায় নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যাবস অ্যান্ড জে পার্টনার্সকে দিয়ে বিশেষ নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি। এরই মধ্যে বিশেষ নিরীক্ষার কার্যক্রম শেষ হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনও কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন নিরীক্ষক। সূত্র: বণিক বার্তা

    (Visited 46 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *