Templates by BIGtheme NET
Home / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় কত? ।। songbadprotidinbd.com

ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় কত? ।। songbadprotidinbd.com

  • ০৭-০২-২০১৮
  • image-124662-1517945604সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  গান, নাটক, চলচ্চিত্র, টিভি অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে এমন কোনো কনটেন্ট নেই যে আমরা ইউটিউবে দেখতে পাই না। বিনোদনের প্রধান মাধ্যম এখন ইউটিউব। টেলিভিশনের জন্য নয়, শুধু ইউটিউবকে কেন্দ্র করেও নির্মিত হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। বিভিন্ন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও খুলছেন ইউটিউব চ্যানেল। সর্বোপরি বাংলাদেশের বিনোদন জগৎ এখন অনেকটাই ইউটিউবকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। সংগীতাঙ্গনের এখন প্রায় শতভাগ বিনিয়োগই ইউটিউবকে ঘিরে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের যেমন ইউটিউব চ্যানেল আছে, তেমনি অনেক কণ্ঠশিল্পীরই নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। শুধু মিউজিক কোম্পানি কেন, বর্তমানে দেশের প্রতিটি টিভি চ্যানেলেরও রয়েছে আলাদা ইউটিউব চ্যানেল। আর শুধু ইউটিউবকে কেন্দ্র করে খুব কম সময়ের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে প্রায় ডজনখানেক মানসম্পন্ন মিউজিক চ্যানেল। এ ছাড়া ব্যক্তিপর্যায়ে রয়েছে অগণিত চ্যানেল। ইদানীং অনেক উঠতি নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকা ইউটিউব চ্যানেলকেন্দ্রিক কাজ করতে বেশি আগ্রহী। কিন্তু কেন? ইউটিউবের ব্যবসাটা আসলে কোথায়?মুখে মুখে প্রচলিত আছে, কোনো গান, নাটক বা সিনেমা কিংবা যে কোনো কনটেন্ট ইউটিউবে এক কোটিবার দর্শক দেখলে ওই চ্যানেল মালিক ছয় লাখ টাকা পাবেন ইউটিউব কোম্পানি থেকে। কেউ কেউ বলেন, লাখ ভিউতে ২৩শ টাকা পাওয়া যায়। কোটি ভিউতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২০-৫০ হাজারও পাওয়া যেতে পারে। আবার ৫-১০ লাখ টাকাও পাওয়া যেতে পারে। বিষয়টি সম্পূর্ণই নির্ভর করছে ওই ভিডিওটি কোন মহাদেশের দর্শক বেশিবার দেখেছে তার ওপর।

    বিষয়টি আরও একটু খোলাসা করা যাক। ইউটিউব চ্যানেলের একটি ভাষা হচ্ছে ‘কস্ট পার ভিউ’। অর্থাৎ একটি ভিডিও একবার দেখতে কত টাকা খরচ করছেন একজন দর্শক। ইন্টারনেটে একজন দর্শক এমবি (মেগাবাইট) কিনে যে পদ্ধতিতে (মোবাইল, ওয়াইফাই ইত্যাদি) ভিডিওটি দেখছেন, তাতে একটি ভিডিও দেখতে যে পরিমাণ এমবি খরচ হচ্ছে তাকেই বলা হচ্ছে কস্ট পার ভিউ। প্রাথমিক হিসাবে মহাদেশ অনুযায়ী এই কস্ট পার ভিউ এশিয়া মহাদেশে মাত্র ৮ পয়সা, মধ্যপ্রাচ্যে ৪-৫ টাকা, আফ্রিকা মহাদেশে ১ টাকা, কানাডায় ৭-৮ টাকা, আমেরিকায় ৫-৬ টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ৪-৬ টাকা আবার এশিয়ার কোনো কোনো দেশে ২-৩ টাকা। এখন একটি ভিডিও কোটি ভিউ হলে যদি সেই ভিডিওর দর্শক বেশিরভাগই এশিয়া বা আফ্রিকাকেন্দ্রিক হয়, তা হলে রেভিনিউ অনেক কম পাওয়া যায়। আবার কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দর্শক যদি বেশি দেখেন, তা হলে রেভিনিউ অনেক বেশি পাওয়া যাবে। সুতরাং কোটি ভিউতে ছয় লাখ টাকা পাওয়া যায়, এমনভাবে নিশ্চিত কোনো হিসাব নেই। যিনি চ্যানেলের মালিক তিনি প্রতিদিনই তার রেভিনিউর পরিমাণ সহজেই দেখতে পারেন। ইউটিউবের একটি নির্দিষ্ট সার্ভার প্রতিদিনই প্রতিটি চ্যানেলে রেভিনিউ হিসাব করে সেটির আপডেট দিয়ে দিচ্ছে।

    (Visited 27 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *