Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / কর্পোরেট নিউজ / দুর্নীতির অভিযোগে আবুল খায়ের গ্রুপের চার পরিচালককে দুদকে তলব ।। songbadprotidinbd.com

দুর্নীতির অভিযোগে আবুল খায়ের গ্রুপের চার পরিচালককে দুদকে তলব ।। songbadprotidinbd.com

  • ১২-১২-২০১৭
  • Abul-Khairসংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  আবুল খায়ের গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এজন্য চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে আবুল খায়ের গ্রুপের চার পরিচালককে তলব করেছে দুদক। সংস্থাটির দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    দুদক সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় আবুল খায়ের গ্রুপের পরিচালকদের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অসৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছরের আগস্টে আবুল খায়ের গ্রুপের বিরুদ্ধে ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি ও দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণের নামে কয়েক হাজার কোটি আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ আসে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে গ্রুপটির দুর্নীতি অনুসন্ধানের জন্য গত ১৭ আগস্ট দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। দুদকের মহাপরিচালক আসাদুজ্জামানকে অনুসন্ধানের তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

     অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যবসায়িক গ্রুপটির পরিচালক আবুল কাশেম, আবুল হাশেম, মো. আবু সাঈদ চৌধুরী ও শাহ শফিকুল ইসলামকে তলব করেছে দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা। গতকাল সোমবার দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল হোসেন পাঠানো এক নোটিশে আবুল কাশেমকে ২১ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় ও অপর তিন পরিচালককে আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় দুদকের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের বিড়ি ব্যবসায়ী আবুল খায়েরের হাত ধরে এ গ্রুপটির পথচলা শুরু। পাহাড়তলীর আবুল বিড়ি কোম্পানি থেকেই ব্যবসা বিস্তৃতি শুরু। ১৯৭৮ সালে এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত বিড়ি ও ট্রেডিংই ছিল তাদের মূল ব্যবসা। এরপর একে একে এক ডজনের বেশি মাঝারি ও ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান গ্রুপে যোগ হয়েছে। পুরোনো তামাক ব্যবসার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়েরের উত্তরসূরিরা স্টিল মিল, সিমেন্ট কারখানা,  চা-বাগান ও ডেইরি প্রডাক্টসহ নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগ করেছেন। গড়ে তুলেছেন বেশ কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ১৯৯৩ সালে আবুল খায়ের গ্রুপ ‘স্টার শিপ কনডেন্সড মিল্ক’ দিয়ে দুগ্ধ খাতে নাম লেখায়। এরপর ১৯৯৬ সালে পণ্যের বহরে যোগ হয় ‘স্টারশিপ ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার’। ১৯৯৭ সালে আসে ‘মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার’।

    ১৯৯৩ সালে ‘আবুল খায়ের গরু মার্কা ঢেউটিন’ দিয়ে ইস্পাতশিল্পে নাম লেখায়। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ‘করুগেটেড কালার কোটেড’ ঢেউটিন উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে ২০টির বেশি দেশে এ ঢেউটিন রফতানি হচ্ছে। ২০০৪ সালে ‘সিলন চা’ নিয়ে চায়ের বাজারে প্রবেশ করে আবুল খায়ের গ্রুপ। দেশের সিমেন্ট খাতে এগিয়ে থাকা শাহ সিমেন্টও আবুল খায়ের গ্রুপের কোম্পানি। দেশে-বিদেশি সিমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ খাতের শীর্ষ কোম্পানি শাহ সিমেন্ট। ফি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব দিলেও কয়েক বছর ধরেই কোম্পানিটির বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে। এবার বিষয়টি আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখছে দুদক। সূত্র: শেয়ার বিজ

    (Visited 22 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *