Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / মিডিয়া সংবাদ / ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত মারা গেছেন ।। songbadprotidinbd.com

ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত মারা গেছেন ।। songbadprotidinbd.com

  • ১০-১২-২০১৭
  • 1512878118860সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক সুখরঞ্জন সেনগুপ্ত আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন সুখরঞ্জন। কয়েকদিন আগে তার হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর ইউরিনে সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় ফের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। শুক্রবারই তিনি কোমায় চলে যান। মৃত্যুর আগে তিনি স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীকে রেখে গেছেন।

    অবিভক্ত ভারতের খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন সুখরঞ্জন, পরে দেশ ভাগের পর পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন তিনি। খুব ছোটবেলা থেকেই সাংবাদিক জগতে প্রবেশ করেন। গত ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিক জগতের পেশায় ছিলেন তিনি। কাজ করেছেন বাংলা পত্রিকা লোকসেবা, জনসেবা, যুগান্তর এবং আনন্দবাজারের মতো পত্রিকার সঙ্গে। দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকাতেও নিউজ আর্টিকেল লিখতেন তিনি। সিনিয়র রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সরাসরি উঠাবসা ছিল তার।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও সংবাদ সংগ্রহ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বেশ কয়েকটি বইও লিখেছিলেন সিনিয়র এই সাংবাদিক। সাংবাদিকতার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তবে সরকারিভাবে অবসর নিলেও সাংবাদিকতার জগতকে কোনদিনই ছেড়ে দেননি তিনি। সামর্থ্য থাকাকারীন অবস্থায় কলকাতার বহু পত্র-পত্রিকাতেই ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করে গিয়েছিলেন।

    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শোক প্রকাশ জানিয়েছে ইন্ডিয়ান প্রেস ক্লাব ও কলকাতা প্রেস ক্লাব। কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর, ও সম্পাদক কিংশুক প্রামানিকও শোক জানিয়েছেন।

    কলকাতায় ধুতি পরিহিত রাজনৈতিক সাংবাদিকদের শেষ প্রজন্মের একজন ছিলেন এই সুখরঞ্জন। রবিবার কলকাতাতেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

    (Visited 10 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *