Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / সারাবাংলা / রংপুর / আজ হাতিবান্ধা মুক্ত দিবস ।। songbadprotidinbd.com

আজ হাতিবান্ধা মুক্ত দিবস ।। songbadprotidinbd.com

  • ০৬-১২-২০১৭
  • হাতীবান্ধাশাহিনুর ইসলাম প্রান্ত, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: আজ ৫ ডিসেম্বর। হাতিবান্ধা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় হাতিবান্ধা। পাক বাহিনী এ দেশীয় দোসরদের সহযোগীতায় ৭১ সালের ৮ এপিল হাতিবান্ধা প্রথম প্রবেশ করেন। তারা দ ঃ গড্ডিমারী ছকিরের ডাঙ্গা ও বড়খাতা রেল ষ্টেশনে যুদ্ধ ক্যাপ স্থাপন করে  যুদ্ধ পরিচালনা করেন।
    ১৯৭১ সালের ১৫ আগষ্ট হাতিবান্ধার দিঘীর হাট, পুর্ব সারোডুবি, দ ঃ গড্ডিমারী গ্রামে পাক বাহিনীর সাথে মুক্তি বাহিনীর মুখোমুখি যুদ্ধে ক্যাপ্টেন ফজলুল হক ও সুবাদার রঙ্গন, ৮ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবু সহ তিন জন এবং ৩০ নভেম্বর পারুলিয়ায় বোরহান উদ্দিন সহ ৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। মুক্তিযোদ্ধারা ছাড়াও এ অঞ্চলের বাঙ্গালী ইপিআর, আনসার সদস্যরা যৌথ ভাবে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভারতীয় সীমান্তের ওপারে ১১টি যুব প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করা হয় ।
    এ সময় প্রশিক্ষিত যুব মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্রের চাপ দিলে তৎকালীন সাব সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নওয়াজীন পান বাড়ী ক্যাম্প থেকে কিছু অস্ত্র এনে তাদের হাতে তুলে দেয়। ১১টি সেক্টরে বিভক্ত হয়ে হাতিবান্ধায় ৬ নং সেক্টরের সাব সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ চলে। এ সাব সেক্টরের প্রথমে নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন নওয়াজীন পরে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান সাথে ছিলেন কোম্পনী কমান্ডার বোরান উদ্দিন.গোলাম মোস্তফা, জহরুল হক, ফজুলুল হক, আলতাব হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু হারেজ। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। ৫ ডিসেম্বর সকালের দিকে পাক বাহিনী – মুক্তি বাহিনীর মুখোমুখি যুদ্ধে পাক বাহিনী পরাজিত হয়ে হাতিবান্ধা ছাড়লে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানের নেতৃত্বে হানাদার মুক্ত হয় হাতিবান্ধা।

    (Visited 6 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *