Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / খেলাধুলা / বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে শীর্ষ দুইয়ে খুলনা টাইটান্স ।। songbadprotidinbd.com

বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে শীর্ষ দুইয়ে খুলনা টাইটান্স ।। songbadprotidinbd.com

  • ০৫-১২-২০১৭
  • BPL_KT_CHV_Top20171205165918ক্রীড়া প্রতিবেদক : দুই ম্যাচ পর আবারো জয়ে ফিরল খুলনা টাইটান্স। আজ মঙ্গলবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে মিরপুর শের-ই-বাংলায় খুলনা টাইটান্স হারিয়েছে ১৪ রানে।

    সপ্তম জয়ে নিজেদেরকে শীর্ষ দুইয়ে নিয়ে গেছে খুলনা। তবে আগামীকাল রংপুরের বিপক্ষে ঢাকা জিতে গেলে তিনে নেমে যেতে হবে তাদেরকে। ফলে এলিমিনেটর ম্যাচে খেলা হবে কিনা তা এখনই নিশ্চিত নয় মাহমুদউল্লাহর খুলনা টাইটান্সের।

    ম্যাচ হারলেও কুমিল্লা রয়েছে শীর্ষে। ১১তম ম্যাচে এটি তাদের তৃতীয় হার। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে বিপিএলের তৃতীয় আসরের চ্যাম্পিয়নরা। আগামীকাল তাদের শেষ ম্যাচ সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে।

    আগে ব্যাটিং করে খুলনা টাইটান্স ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৭ উইকেটে ১৬০ রানে থামে কুমিল্লার ইনিংস।

    টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো হলেও মাঝে পথ হারায় খুলনা। পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারের শেষ বলে নাজমুল হোসেন শান্ত (৩৭) আউট হলেও দলের স্কোর তখন ৫৫। কুমিল্লার হয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন পেসার আল-আমিন হোসেন। ২১ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রান করা শান্ত আউট হন ডানহাতি এ পেসারের বলে বোল্ড হয়ে।

    আরেক ওপেনার মাইকেল ক্লিঙ্গারও ছিলেন ছন্দে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করে ২৮ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় করেন ২৯ রান। ৮৭ রানের মাথায় ক্লিঙ্গার ফিরে যাওয়ার পর ১৬ রান তুলতেই আরও ২ উইকেট হারায় খুলনা। ২৩ বলে ২৩ রান করে আল-আমিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন মাহমুদউল্লাহ। আর শোয়েব মালিকের বলে স্ট্যাম্পড হন নিকোলাস পুরান। দ্রুত উইকেট হারানোর পাশাপাশি রানের চাকাও থেমে যায় খুলনার। ১৫ ওভারে দলের রান ৪ উইকেটে ১০৭।

    পরের ৫ ওভারে পাল্টে যায় খুলনার ব্যাটিং চিত্র। কুমিল্লার বোলাররা মধ্যভাগে যে চাপ তৈরী করেছিলেন তা ধরে রাখতে পারেননি। শেষ ৫ ওভারে ৬৭ রান তোলে খুলনা। যার শেষ ৩ ওভারে ৫০ রান পায় তারা। পুরো কৃতিত্ব আরিফুল হক ও কালোর্স ব্রেথওয়েটের। দূর্ঘটনাক্রমে রান আউট হওয়ার আগে ১২ বলে ২২ রান করেন ব্রেথওয়েট। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে আরিফুল ২১ বলে করেন ৩৫ রান। ৩ বলে ২ বাউন্ডারিতে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন বেনি হাওয়েল।

    বল হাতে আল-আমিন ৩ উইকেট নিলেও খরচ করেন ৫২ রান। ১টি করে উইকেট নেন শোয়েব মালিক ও সোলোমান মির। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ভালো অভিজ্ঞতা হয়নি মেহেদী হাসান রানার। ৪ ওভারে ৩৬ রান দেন বাঁহাতি পেসার।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লার। জিম্বাবুয়ের সোলোমান মির ইনিংসের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হন। প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে হতাশ করেন এ হার্ডহিটার। তামিম ও ইমরুল দ্বিতীয় উইকেটে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। ওভার প্রতি দশ করে রান তুললেও এ দুই ব্যাটসম্যান ৪ রানের ব্যবধানে ফিরে গেলে চাপে পড়ে কুমিল্লা।

    বেনি হাওয়েলের বলে ২০ রানে ব্রেথওয়েটের হাতে ক্যাচ দেন ইমরুল। ৩৩ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করেন তামিম ইকবাল। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস বাটলার হাওয়েলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন দলীয় ৯০ রানে।

    চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন শোয়েব মালিক ও মারলন স্যামুয়েলস। দুজন দলকে টেনে নেন ১২৭ রান পর্যন্ত। ১৭তম ওভারের শেষ বলে মালিককে ফিরিয়ে খুলনাকে আবারও ম্যাচে নিয়ে আসেন তরুণ লেগ স্পিনার মোহাম্মদ ইরফান। ২৩ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ রান করা মালিক এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন। সঙ্গী হারালেও শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যান স্যামুয়েলস। শেষ দুই বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু ১৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এ তারকাকে। ১৬ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন স্যামুয়েলস।

    বল হাতে খুলনার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী ও বেনি হাওয়েল।

    (Visited 7 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *