Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / সারাবাংলা / রাজশাহী / সাইনবোর্ড লাগিয়েই প্রকল্পের টাকা উত্তোলণ ।। songbadprotidinbd.com

সাইনবোর্ড লাগিয়েই প্রকল্পের টাকা উত্তোলণ ।। songbadprotidinbd.com

  • ২৮-১১-২০১৭
  • natoreলালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:  নাটোরের লালপুরে কাজ না করে শুধু সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নে অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি(ইজিপিপি) ২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ঘাটচিলান গোরস্থান হতে আনছারের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা পূনঃনির্মাণ, চাঁদপুর আত্তাবের বাড়ি হতে এস্কেন্দার মির্জার জমি অভিমুখে খাল পূনঃসংস্কার, ডাঙ্গাপাড়াচিলান হানিফ প্রাং বাড়ি হইতে এলাহী প্রাং বাড়ি এবং নাওদাড়া গ্রামের আজিজ মোল্লার বাড়ি হতে আব্দুস সাত্তারের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা পূনঃসংস্কার প্রকল্পগুলোর কাজ না করেই শুধু সাইনবোর্ড লাগিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ডাঙ্গাপাড়াচিলান হানিফ প্রাং এর হইতে এলাহী প্রাং বাড়ি এবং নাওদাড়া গ্রামের আজিজ মোল্লার বাড়ি হতে আব্দুস সাত্তারের বাড়ি অভিমুখে রাস্তা পূনঃসংস্কার প্রকল্পের শ্রমিকদের তালিকায় নাম থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শ্রমিক বলেন, তালিকাভূক্ত ৫১জন শ্রমিক আছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই হয় কোন নেতার ছোট ভাই ভাতিজা অথবা কোন জনপ্রতিনিধির আত্মীয়স্বজন। তাই কাজ করাই লাগেনা। যে কয়জন সাধারণ শ্রমিক আছে তাদের দিয়ে নামমাত্র কাজ করিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে প্রকল্পের পি.আই.ছি ও নেতাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতনের অংশ দিতে হয়েছে। তারা আরো বলেন, প্রত্যেক শ্রমিকের নামে ব্যাংক একাউন্ট থাকলেও ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ইউনিয়ন পরিষদে ভাগ করতে হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে প্রতিনিধিরা বলে কাজ না করে যা পেয়েছিস এটাই তো বেশি। বেশি আবদার করলে এটাও পাবিনা। উপর মহলকে ম্যানেজ করেই সব কিছু করছি। চাঁদপুর গ্রামের এস্কেন্দার মির্জা বলেন, হঠাৎ করেই আত্তাবের বাড়ির পাশে একটি সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে॥ সেখানে আত্তাবের বাড়ি হইতে আমার জমি পর্যন্ত খাল পুনঃসংস্কার করার কথা লেখা আছে। চার লাখ নব্বই হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। অথচ সেখানে চারটা শ্রমিকও কাজ করতে দেখলাম না। কবে কখন এই কর্মসূচির কাজ হলো। কারাই বা এই খাল সংস্কার করলো। একদিনও চোখে পড়লো না। তাহলে কার পকেটে গেলো এই চার লাখ নব্বই হাজার টাকা। এখানে নব্বই টাকার কাজও করেনি। একই গ্রামের মোখলেসুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সেকেন্দার মন্ডল(মাস্টার) বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ইজিপিপি প্রকল্পের সাইনবোর্ড ছাড়া কিছুই দেখতে পেলাম না। কাজ না করেই সাইনবোর্ড লাগিয়েছে। সাধারণ জনগনকে এতোবড় ধোকা এটা মেনে নেওয়া যায়না। মনে হয় উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা অন্ধ ছিলো। তাই না দেখেই প্রকল্পের বিলে স্বাক্ষর করেছে। কি আর বলবো? এ বিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম রেজা মাষ্টার বলেন, প্রতিটি প্রকল্পের কাজই যথাযথভাবে করা হয়েছে। এস্কেন্দার মির্জা নির্বাচনের আগে তৃণমূল আ’লীগের ভোটে আমার কাছে বিপুল ভোটে হেরে যায়। তারপর নৌকা প্রতীক নিয়ে আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে সে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্নভাবে ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করছে।

     

    নাহিদ হোসেন, লালপুর,নাটোর

    (Visited 8 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *