Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / আইন ও অপরাধ / ঐশী রহমানকে যে ৫ কারণে মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলো ।। Songbad Protidin BD

ঐশী রহমানকে যে ৫ কারণে মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলো ।। Songbad Protidin BD

  • ২৩-১০-২০১৭
  • resize66449-660x330সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদকঃ  পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমানকে হত্যার দায়ে তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ। গতকাল রবিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।

    রায়ে মাহফুজুর রহমান দম্পতির মেয়ে ঐশী রহমানের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাঁচটি কারণের কথা বলা হয়েছে। কারণগুলো হলো

    ১. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জোড়া খুনের ঘটনা ঘটিয়েছেন সুস্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়া এবং মানসিকভাবে বিচ্যুতির কারণেই। এ আসামি অ্যাজমাসহ নানা রোগে আক্রান্ত।

     

    ২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদন অনুসারে তার দাদি ও মামা অনেক আগে থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার পরিবারে মানসিক বিপর্যস্ততার ইতিহাস রয়েছে।

     

    ৩. ঘটনার সময় তার বয়স ছিল ১৯ বছর। তিনি এ ঘটনার সময় সাবালকত্ব পাওয়ার মুহূর্তে ছিলেন।

     

    ৪. তার (ঐশী) বিরুদ্ধে অতীতে ফৌজদারি অপরাধের নজির নেই। ও

     

    ৫. ঘটনার দুই দিন পরই স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

     

    ঐশী রহমানের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদ- কমিয়ে গত ৫ জুন যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশ দিয়ে সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিচারিক আদালতের দেওয়া জরিমানা ২০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে পাঁচ হাজার টাকা করা হয়। মামলাটির ডেথ রেফারেন্স শুনানিকালে গত ১০ এপ্রিল হাইকোর্ট কারাগার থেকে ঐশীকে হাইকোর্টে হাজির করে বিচারপতির খাসকামরায় তার বক্তব্য শোনা হয়।

    বাবা-মাকে হত্যার দায়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু কার্যকরের আদেশের বিরুদ্ধে মেয়ে ঐশী রহমানের খালাস বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।এর আগে ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ঐশী রহমানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- দেন ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।

    ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগের বাসা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোটভাই মো. মশিউর রহমান রুবেল পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরদিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। গত বছরের ৯ মার্চ ডিবির ইন্সপেক্টর আবুল খায়ের মাতুব্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে ঐশীসহ চারজনকে অভিযুক্ত করে পৃথক দুটি চার্জশিট দাখিল করেন।

    (Visited 17 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *