Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / আইন ও অপরাধ / ছোটবোনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে বন্ধুকে গলাকেটে হত্যার লোমহর্ষক বর্ননা! – Songbad Protidin BD

ছোটবোনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে বন্ধুকে গলাকেটে হত্যার লোমহর্ষক বর্ননা! – Songbad Protidin BD

  • ১৪-০৯-২০১৭
  • golakete-hottaমৌলভীবাজার প্রতিনিধি : কমলগঞ্জে বোনের সাথে প্রেম করায় বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা করেছেন এক যুবক। এ ঘটনায় ঘাতক বন্ধু চা শ্রমিক কান্ত তন্ত বাই (২৪) ও তার পিতা বদরী তন্ত বাই (৫০) আটক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
     
    বুধবার মৌলভীবাজার আদালতে ১৬৪ ধারায় এ লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি দেন তিনি। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
     
    সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাধবপুর চা বাগানের বলরাম নুনিয়ার ছেলে পান ব্যবসায়ী সুমন নুনিয়ার (২৪) সঙ্গে মিরতিংগা চা বাগানের চা শ্রমিক বদরী তন্ত বাইর ছেলে কান্ত তন্ত বাই এর বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিলো। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে কান্ত তন্ত বাইয়ের বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় সুমন।
     
    এক পর্যায়ে তারা প্রায়ই অবৈধভাবে মেলামেশা করতো। দীর্ঘ দিন এ নিয়ে সুমন বাধা দিলে তিনি পাত্তা দেননি। পরে প্রায় দুই মাস আগ থেকে প্রতিশোধ হিসাবে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে কান্ত তন্ত বাই।
     
    শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাকে ফোন করে ডেকে এনে অতিরিক্ত মদ পান করান তিনি। পরে সুমনকে জবাই করে মস্তক ধানি জমিতে পুতে রেখে লাশটি চা বগানের পাহাড়ি ছড়ায় ফেলে দেন কান্ত। গত সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) মিরতিংগা চা বাগানের ২০ নং সেকশনের একটি ছড়া থেকে মস্তকবিহীন লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
     
    golakete-hotta22পরে লাশের পরিচয় সনাক্ত হলে বিভিন্ন সূত্র ধরে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্দেহভাজন হিসেবে চা শ্রমিক বদরী তন্ত বাই ও তার ছেলে কান্ত তন্ত বাইকে জিজ্ঞাসাবাধ করলে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। বুধবার মৌলভীবাজার আদালতে ১৬৪ ধারায়ও এ লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি দেন কান্ত তন্ত বাই।
     
    কমলগঞ্জ থানার ওসি বদরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বোনের সাথে প্রেম করায় বন্ধুকে গলাকেটে হত্যা করেছেন কান্ত তন্ত বাই। বুধবার মৌলভীবাজার আদালতে ১৬৪ ধারায় এ লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
    (Visited 36 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *