Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / সারাবাংলা / চট্টগ্রাম / রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আসছে মিয়ানমারের গবাদিপশু – Songbad Protidin BD

রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আসছে মিয়ানমারের গবাদিপশু – Songbad Protidin BD

  • ২৩-০৮-২০১৭
  •  শাহ্‌ আলimage-47571ম,  উখিয়া প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উখিয়া সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী ও করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু, মহিষ, ছাগল আসছে। এসব গবাদিপশু গোপন লেনদেনের মাধ্যমে সরাসরি কক্সবাজার সদর, রামুসহ বিভিন্ন এলাকার হাটবাজারে চলে যাওয়ার কারণে স্থানীয় ইজারাদার এ খাতে টোল বা রাজস্ব আদায় করতে পারছে না।
    স্থানীয় বেশ কয়েকটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চোরাই পথে আসা গবাদিপশু নিয়ন্ত্রণ করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা চেষ্টা করেও তা প্রতিরোধ করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
    সম্প্রতি উখিয়ার গাল্স স্কুলের অস্থায়ীভাবে অবস্থানকারী ৩৪ বিজিবি’র সদস্যরা রাজাপালং ইউনিয়নের করইবনিয়া এলাকা থেকে পাঁচটি মহিষ আটক করে বালুখালী কাস্টমসে জমা দেয়। এছাড়া উল্লেখ্যযোগ্য কোনো গবাদিপশুর চালান আটক করতে পারেনি সীমান্তের বিজিবি।
    জানা গেছে, চোরাই পথে গবাদিপশু পাচার হয়ে আসা প্রতিরোধে ২০০৪ সালে উখিয়া উপজেলা সংলগ্ন নাই্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের উখিয়ার ঘাট, বালুখালী, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে একটি করিডোর স্থাপন করা হয়। ওই সময় মিয়ানমার থেকে করিডোর দিয়ে অসংখ্য গরু, ছাগল আমদানি হয়ে আসছিলো। এ খাতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়। বালুখালী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি খাত থেকে প্রায় তিন লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়। এভাবে পরবর্তী তিন মাসের তিন দফা গবাদিপশু আমদানি করে বালুখালী কাস্টমস প্রায় ১১ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করে। এভাবে কয়েক মাস করিডোর সচল থাকলেও করিডোরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও অসহযোগিতার কারণে করিডোরটি আলোর মুখ দেখেনি।
    সূত্র জানায়, স্থানীয় চোরাকারবারিরা অসাধু উপায়ে গবাদিপশুর ব্যবসায় বেশি লাভজনক মনে করে ওইসব ব্যবসায়ীরা। করিডোর দিয়ে আসা গরু ক্রয় করতে অনমনীয়তা প্রকাশ করলে, করিডোরে আসা গরু, ছাগল অবিক্রিত থেকে যায়। বারবার লোকসান দেয়ার কারণে সরকার পাঁচ মাসের মাথায় বালুখালী করিডোরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। সেই থেকে চোরাচালানিরা চোরাই পথে মিয়ানমার থেকে গরু-ছাগল পাচার করে নিয়ে আসা অব্যাহত রাখে। প্রতিবছরই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এসব পাচারকারীচক্র তৎপর হয়ে ওঠে।
    নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক আমতলী গ্রামের জনৈক বেশ কয়েকজন জানান, প্রতিরাতে সীমান্তের ডেইলপাড়া, আমতলী, করইবনিয়া পয়েন্ট দিয়ে গরু-ছাগল আসছে। স্থানীয় সোর্স নামধারী কিছু চাঁদাবাজ বিজিবি, পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে পাচার হয়ে আসা প্রতি গরু থেকে এক হাজার ও ছাগল থেকে ৫শ’ টাকা করে চাঁদা আদায় করে ওই সব গবাদিপশু রাতারাতি রামু, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিচ্ছে।

    (Visited 19 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *