Templates by BIGtheme NET
Home / স্বাস্থ্য / কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক – Songbad Protidin BD

কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক – Songbad Protidin BD

  • ০৬-০৬-২০১৭
  • image-37407সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্ক: হলুদের সক্রিয় উপাদান হল curcumin। ভারতবর্ষে প্রায় ২৫০০ বছর ধরে হলুদ ব্যবহার হয়ে আসছে। যা এখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে ব্যাবহৃত হচ্ছে। এটি মূলত একটি মসলা জাতীয় দ্রব্য। শতকের পর শতক ধরে এই মসলা তার বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় নিয়ে বেরিয়ে এসেছে আরও অনেক চমকপ্রদ তথ্য। দীর্ঘ পরিচিত, হলুদ আলজেইমার্স অসুখ, ক্যান্সার ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত উপকারী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে, এর আরও অনেক চমকপ্রদ উপকারিতা রয়েছে।
    এখানে হলুদের ২০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়া হল:
    ১. কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক এন্টিসেপ্টিক। তাই কাটা ও পোড়া জায়গায় হলুদ বাটা লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায় ও তাড়াতাড়ি ব্যথা এবং দাগের উপশম ঘটে।
    ২. হলুদ যখন ফুলকপির সাথে মিলিত হয় তখন এটা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং বিদ্যমান প্রস্টেট ক্যান্সারের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়।
    ৩. স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধকারী ও অন্ত্রের ক্যান্সার নিরাময়কারী।
    ৪. মেলানোমা প্রতিরোধ এবং আত্মহত্যা করতে মেলানোমা কোষ বিদ্যমান হতে পারে।
    ৫. শিশুদের লিউকেমিয়া ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
    ৬. হলুদের প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য বাত এবং ফোলানো বাতের প্রাকৃতিক চিকিৎসা।
    ৭. হলুদ কেমো ড্রাগের প্রভাব এবং তার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কমায়।
    ৮. গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদ অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার উপশমে চমৎকার কাজ করে।
    ৯. টিউমার হওয়া বন্ধ ও নতুন রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
    ১০. হলুদ পিষে, ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে কিছু দিন খেলে (নিয়মিত) ডায়াবেটিস সারে। প্রমেহও সারে।
    ১১. এটি চর্বি বিপাকে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।
    ১২. দীর্ঘ বিষণ্নতা জন্য একটি চিকিৎসা হিসাবে চীনা দেশে হলুদেরর ঔষধ ব্যবহার করা হয়।
    ১৩. যেকোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, র‌্যাশ, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
    ১৪. হলুদের মানসিক অবসাদ রোধ করতে ব্যবহৃত অ্যান্টি ডিপ্রেস্যান্টের কাজও করে। এ ছাড়া, এই উপাদানে রয়েছে অ্যাস্পিরিনের গুণ। এর প্রয়োগে ভ্যাস্কুলার থ্রম্বোসিস আক্রান্ত রোগীর রক্তের ঘনত্বের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
    ১৫. সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় হলুদ। কাশি কমাতে হলে হলুদের রস খেয়ে নিন কয়েক চামচ, কিংবা এক টুকরো হলুদের সাথে মধু মাখিয়ে তা মুখের মাঝে রেখে আস্তে আস্তে চুষতে পারেন। সেটা করতে না পারলে এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো, সামান্য মাখন এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। কয়েকবার সেবনেই নিরাময় হবে। কাশি ও গলা ব্যথা উভয়েই দূর হবে।
    ১৬. হলুদের মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ লবণ, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, লোহা প্রভৃতি নানা পদার্থ রয়েছে। তাই হলুদ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যেমন বাচ্চাদের লিউকমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত কাঁচা হলুদের রস সেবন। প্রতিদিন দুধ বা পানির সাথে হলুদের গুঁড়ো বা রস মিশিয়ে খাওয়া অভ্যাস করলে অনেকটাই সুস্থ থাকা সম্ভব।
    ১৭. হলুদ গায়ের ত্বক ফর্সা ও লাবণ্যময় করে তোলে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে খেলে, ধীরে ধীরে ত্বকের রঙ ফর্সা হয়।
    ১৮. যেকোনো চর্ম রোগের জন্য হলুদ অনেক উপকারী। কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ মিশিয়ে শরীরে মাখলে একজিমা, অ্যালার্জি, র্যা শ, চুলকানি ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
    ২০. হলুদের অন্য এক উপাদান ‘পলিফেনল’ চোখের অসুখ ‘ক্রনিক অ্যান্টিরিয়ার ইউভেইটিস’ সারাতে কর্টিকোস্টেরয়ডের কাজ করে। উল্লেখ্য, এই রোগের প্রকোপে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ও প্রদাহ দেখা যায়।

    (Visited 65 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *