Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / জাতীয় / “ডিজিটাল বাংলাদেশ” সরকারি সংস্থাগুলো কাগুজে ফাইলে ভরপুর: মোস্তফা জব্বার

“ডিজিটাল বাংলাদেশ” সরকারি সংস্থাগুলো কাগুজে ফাইলে ভরপুর: মোস্তফা জব্বার

  • ০৩-০১-২০১৭
  • 1fb66b20cf6202a8624ef80a45ea57d3_xlargeসংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু ঘোষণা অনুসারে সরকারি সংস্থাগুলো ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে না। এখনও সরকারি অফিসগুলো কাগুজে ফাইলে ভরপুর। তাই আকাশ থেকে সফটওয়্যার এনেও সংস্থাগুলোর অবস্থার কোনো পরিবর্তন করা যাবে না।

    মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্মেলন কক্ষে এক ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি মোস্তফা জব্বার এসব কথা বলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ভোক্তা অধিকার ও রাজস্ব সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংগঠনের ক্যাব, বেসিস, বিবি, আরজেএসসি, আইপিআরের পার্টনারশিপ ডায়ালগ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

    মোস্তফা জব্বার বলেন, “বাংলাদেশের প্রযুক্তিবিদরা বিশ্বের অনেক জায়গার সফটওয়্যার তৈরি করে। অথচ আমাদের দেশে বিদেশ থেকে বেশি অর্থ দিয়ে সফটওয়্যার আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ কোটি খরচ করে বিদেশ থেকে সফটওয়্যার আমদানি করে ব্যবহার করছে। কিন্তু একই মানের সেই সফটওয়্যার মাত্র ২ কোটি টাকায় দেশীয় কোম্পানি সরবরাহ করতে পারতো। এত বেশি দাম সফটওয়্যার এনেও রিজার্ভ চুরি ঠেকাতে পারে নাই। দেশীয় সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এ চুরি ঘটনা ঘটতো না।”

    বেসিস সভাপতি বলেন, “বাংলাদেশি তরুণরা তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের তরুণরা এখন বিদেশিদের সফটওয়্যার তৈরি করছে। আর এসময় দেশি সংস্থাগুলো বিদেশ থেকে সফটওয়্যার আনছে এটা দুঃখজনক। ডিজিটাল এনবিআর গড়তে এই প্রতিষ্ঠানের জনবলকে ডিজিটালাইজ হতে হবে। জনবল ডিজিটাল করতে পারলে যে কোন সিস্টেম সহজেই কাজ করবে। আর শুধু এনবিআরকে ডিজিটাল হলে চলবে না এবং ব্যবসায়ীদের কাযক্রম ডিজিটাল না হলে রাজস্ব সংগ্রহে সুফল আসবে না।”

    এছাড়া দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার পাশাপাশি আমদানিকে নিরুৎসাহিত করার উপর জোর দিতে এনবিআরকে ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

    সংলাপের বিশেষ অতিথি কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, “ভ্যাট আরোপের ক্ষেত্রে এনবিআর এমন কিছু করবে না, যেটা জনগণের ক্ষতি হয়। কারণ ভোক্তারা ঠিকই ভ্যাট দেয়। কিন্তু ওই ভ্যাটের টাকা সরকারের কাছে পৌঁছে না।

    তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে বেশ ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে এনবিআর, যা প্রশংসার দাবিদার। ভ্যাট ফাঁকি কমাতে ব্যবসায়ীদের ইসিআর ব্যবহার নিশ্চিত করাটা জরুরি। ভ্যাট বিষয়ে ভোক্তাদের আরও সচেতন করতে হবে বলে মনে করেন দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান।

    সফটওয়্যার আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদন আহমেদ আলী বলেন, “যারা সফটওয়্যার আমাদানি করে তারা অনেক শক্তিশালী। তাছাড়া বিষয়টি স্পর্শকাতর, তাই চাইলেও অনেক কিছু করা যায় না।

    পাঁচ লাখ টাকার অধিক ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে ইটিআইএন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ক্ষুদ্র ঋণের ক্ষেত্রে নয়, কর প্রদানে সক্ষম সবাইকে ইটিআইএনধারী হতে হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান।

    ডায়ালগে আরও উপস্থিত ছিলেন- যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধক (আরজেএসসি) মো. আবদুল হাই, জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর পরিচালক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, আইপিএবি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজিজুর রহমানসহ এনবিআরের সদস্য ও কর্মকর্তারা।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ আলাউদ্দিন আহমেদ 

    (Visited 31 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *