Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / ছবির হাট / পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি শাহআলী থানার ওসি

পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি শাহআলী থানার ওসি

  • ০৫-০২-২০১৬
  •  

     
    police__100665_115442

    নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশের দেওয়া আগুনে চা বিক্রেতা বাবুল মাতুব্বরের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি শাহ আলী থানার ওসি। শাহআলী থানায় স্বজনদের দিয়ে বাবুলের মৃত্যুর আগেই বুধবার রাত দেড়টার দিকে তড়িঘড়ি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। দগ্ধ বাবুল মাতুব্বরের মেয়ে রোকসানা আকতারকে দিয়ে পুলিশিএ মামলা করিয়েছে। আর এই মামলায় আসামি করা হয়েছে, পারুল, দেলোয়ার, রবিন, শংকর, দুলাল হাওলাদার এবং পারভীন। এদের মধ্যে পুলিশ পারুলকে গ্রেফতার করেছে।

    বাবুলের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা আড়াল করতেই পুলিশ রোকসানাকে দিয়ে মামলা করিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবুল মারা যান। তার মৃত্যুর পর চারজন পুলিশ সদস্যকে শাহআলী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

    নিহতের ছেলে রাজু বলেন, ‘আমার বাবা মিরপুর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কিংশুক সমিতির সামনের ফুটপাতে চা বিক্রি করেন। বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে তিনি দোকানে কাজ করছিলেন। এ সময় ওই রাস্তা দিয়ে পুলিশের সোর্স দেলোয়ারসহ আরো কয়েকজন পুলিশ সদস্য যাচ্ছিলেন। তারা বাবার কাছে এসে চাঁদার টাকা দাবি করেন।’ চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক সময় পুলিশ সদস্যদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে চায়ের চুলায় (স্ট্রোভ) আঘাত করে। এ সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে তার বাবার শরীর ঝলসে যায়। ঢামেকের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, আগুনে বাবুলের ব্যক্তির শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

    বাবুলের মেয়ে লাবণী আক্তার বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা থানায় গিয়েছিলাম পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করতে। কিন্তু মামলা নেয়নি। পুলিশের নাম বাদ দিয়ে তড়িঘড়ি করে মামলা রেকর্ড করে।’ আর এই ঘটনার পর পুলিশ অগ্নিদগ্ধ বাবুলকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার আগে থানায় নিয়েছিল বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো বলেন,‘পুলিশ আমার বাবাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করেনি। আমরাই পরে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’পুলিশের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।

    শাহআলী থানার ওসি শাহীন সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘যথা নিয়মেই মামলা হয়েছে। কাউকে কোনো চাপ দিয়ে মামলা হয়নি। আর মামলা না করলে আসামি ধরব কেমন করে?’ ‘তদন্তে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

    অপরদিকে এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহআলী থানার চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তারা হলেন, থানার এসআই মমিনুর রহমান ও নিয়াজউদ্দিন মোল্লা, এএসআই জগিন্দ্রনাথ ও কনস্টেবল জসিম।

    (Visited 13 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *