Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / স্বাস্থ্য / কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে যা লাগবে

কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে যা লাগবে

  • ১৫-১২-২০১৬
  • image-10055সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ কৃমি অনেক পুরনো একটি পেটের সমস্যা। বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে অধিকাংশ মানুষই কৃমি নামক সমস্যায় ভুগে থাকে। কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তিই পেতে সাধারণত কৃমিনাশক ঔষধ খেয়ে থাকি আমরা। তবে, ঘরোয়া উপায়েও কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
    গাজর: কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে গাজর? অবাক হবার-ই কথা। গাজরে বিশেষ কয়েক ধরনের ভিটামিন, মিনারেল এবং জৈব উপাদান থাকে যা কৃমির ডিম ধ্বংস করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে। গাজরে উপস্থিত উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি, বেটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ এক কথায় কৃমির যম। ভিটামিন এ কৃমির ডিম ধ্বংস করে এবং ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা কৃমির বার বার ফিরে আসাকে প্রতিহত করে।
    নারকেল: নারকেল বা নারকেলের দুধ কৃমির একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া চিকিৎসা। প্রতিদিন সকালে খুব অল্প পরিমানে ঘন নারকেলের দুধ খান। এতে করে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে; কৃমির ডিম ধ্বংস হয়ে কৃমির যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাবেন।
    রসুন: রসুনে কিছু সালফার উপাদান থাকে যেগুলো কৃমি হজম করতে পারে না। প্রতি বেলার খাবারে কয়েক কোয়া রসুন খান। এভাবে দুই সপ্তাহ চালান। প্রথম দিকে নিশ্বাসে একটু খারাপ গন্ধ আসতে পারে; তবে কৃমির যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে রসুনের জুড়ি নেই।
    কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপে প্যাপেইন নামক এক ধরনের উচ্চ মাত্রার এনজাইমে সমৃদ্ধ যা একটি উৎকৃষ্ট কৃমিনাশক উপাদান হিসেবে পরিচিত। এই উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে কৃমি ধ্বংস করে থাকে।
    কাঁচা হলুদ: কৃমির যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার আরও একটি পথ হচ্ছে কাঁচা হলুদ। হলুদে উপস্থিত কৃমিনাশক উপাদান কৃমিগুলোকে অকেজো করে ফেলে এবং ডিমগুলো নষ্ট করে ফেলে। রোজ সকালে অল্প কাঁচা হলুদ পানি দিয়ে গিলে খাবেন। এছাড়া প্রতিদিনের রান্নায় হলুদের ব্যবহার করেও উপকার পেতে পারেন।
    সতর্কতা: কৃমির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবার একাধিক ঘরোয়া চিকিৎসা রয়েছে। এগুলো এক দিকে যেমন সহজলভ্য, অন্য দিকে ঝামেলামুক্ত। তবে, আপনার কৃমির সমস্যা কতটা মারাত্মক তার উপর নির্ভর করবে আপনি ঘরোয়া চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন নাকি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। কৃমির আক্রমণে যদি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস পায়, মাত্রাতিরিক্ত ক্ষুধা পায়, কান্তি লাগে, অ্যানেমিয়া বা অন্যান্য মারাত্মক লক্ষণ দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে আর ঘরোয়া চিকিৎসা চালিয়ে না গিয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ ডেস্ক 

    (Visited 28 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *