Templates by BIGtheme NET
Home / Slide Show / একীভূত হলো ভারতের দুই মোবাইল কোম্পানি

একীভূত হলো ভারতের দুই মোবাইল কোম্পানি

  • ১৭-০৯-২০১৬
  • unnamed_51007নিজস্ব ডেস্ক: একীভূত হলো ভারতের দুই মোবাইল ফোন কোম্পানি। দেশটির মোবাইল অপারেটর এয়ারসেল লিমিটেডের সাথে একটি চুক্তির মাধ্যমে সম্প্রতি একীভূত হয়েছে ওই দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স লিমিটেড (আরকম)।
    বর্তমানে ভারতের টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রাহক সংখ্যার ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রিলায়েন্স। চুক্তির ফলে সৃষ্ট নতুন কোম্পানি বাজার দখলে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসবে। স্পেকট্রাম দখল বিবেচনায় নতুন প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান হবে দ্বিতীয়।
    এ বিষয়ে রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি বলেন, ভারতের টেলিযোগাযোগ খাত অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। আমরা অংশীদার প্রতিষ্ঠান এমসিবির সাথে সমন্বিত চেষ্টায় খাতটির শীর্ষ অবস্থান দখলে নিতে আগ্রহী। প্রথমত এরই অংশ হিসেবে আমরা সিস্টেমা শ্যাম টেলিসার্ভিসেস লিমিটেডকে (এসএসটিএল) অধিগ্রহণ করি। বর্তমান এমসিবির সঙ্গে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের দ্বিতীয় উদ্যোগ।
     তিনি বলেন, আমি মনি করি এ চুক্তি আরকম ও এমসিবি উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারধারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ফলাফল দেবে। একীভূতকরণের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন প্রতিষ্ঠানের যৌথ স্পেকট্রাম, রাজস্ব ও পরিচালন ব্যয় সবকিছুরই সুবিধা পাবেন।
    বিবৃতিতে এমসিবি জানায়, সাম্প্রতিক চুক্তি ভারতের টেলিকম খাত নিয়ে আমাদের পূর্ব প্রতিশ্রুতিকে আরো দৃঢ় করবে। ২০০৬ সালে এয়ারসেলকে অধিগ্রহণের পর এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম প্রসার ও সেবার মান উন্নয়নে আমরা ৫২০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছি। দেশটির এ খাতে বড় অঙ্কের বিদেশী বিনিয়োগ এটি। ভারতে এমসিবির বিনিয়োগ শুধু টেলিযোগাযোগ খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বাইরেও অনেক খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের সাথে আমাদের সাম্প্রতিক চুক্তি ভারত ও ভারতের টেলিকম খাত উভয়ের জন্য ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।
    বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যার ভিত্তিতে ভারতের শীর্ষ সেলফোন অপারেটর কোম্পানি ভারতী এয়ারটেল। এর গ্রাহক সংখ্যা ২৫ কোটি ১০ লাখ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভোডাফোনের গ্রাহক সংখ্যা ১৯ কোটি ৮০ লাখ। আরকম ও এয়ারসেল একীভূতকরণের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন টেলিকম কোম্পানির গ্রাহক সংখ্যা হবে ১৮ কোটি ৬৭ লাখ। নতুন প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬৫ হাজার কোটি রুপির বেশি।
    একীভূতকরণের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন কোম্পানিতে আরকম ও এয়ারসেলের অংশীদারিত্ব থাকবে ৫০ শতাংশ করে। পরিচালনা পর্ষদেও থাকবেন দুই প্রতিষ্ঠানের সমান সংখ্যক প্রতিনিধি। স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে নতুন প্রতিষ্ঠান।
    ২০১৭ সাল নাগাদ একীভূতকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আরকমের মোট ঋণের পরিমাণ ৪০ শতাংশ কমবে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির ঋণের বোঝা কমে দাঁড়াবে ২০ হাজার কোটি রুপি। অন্যদিকে এমসিবির ঋণের পরিমাণ কমে দাঁড়াবে ৪ হাজার কোটি রুপি। চুক্তি অনুযায়ী, অবশিষ্ট ঋণের দায় বর্তাবে নতুন কোম্পানির ওপর।
    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ মযিদ
    (Visited 6 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *