Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / প্রতিবেদন : ৩৪৭ শিয়া মুসলিমকে হত্যায় জড়িত নাইজেরীয় সেনাবাহিনী

প্রতিবেদন : ৩৪৭ শিয়া মুসলিমকে হত্যায় জড়িত নাইজেরীয় সেনাবাহিনী

  • ০২-০৮-২০১৬
  • 201gggনাইজেরিয়ার জনগণের ওপর করা এক জনমত জরিপে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। জনগণ গত ডিসেম্বরের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আক্রমণ চালিয়ে ৩৪৭ জন শিয়া মুসলিমকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করেছে দেশটির সামরিক বাহিনীকে। এ সংক্রান্ত ১৯৩ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

    জনমত জরিপে জানা যায়, দুই দিনের এই হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল গত ডিসেম্বরের ১২ তারিখে। শিয়া ধর্মীয় নেতা জাকজাকির আহবানে শিয়া মুসলিমরা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েত হয়েছিলেন। ঐ জমায়েতের কারণে নাইজেরিয়ার সেনাপ্রধান (চিফ অব স্টাফ) লেফটেনেন্ট জেনারেল তুকুর ইউসুফ বুরাতাইয়ের গারিবহর আটকা পড়ে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নাইজেরীয় সেনাবাহিনী ঐ ঘটনায় প্রচণ্ড জুলুম খাটায়।’ সেনাবাহিনী ৩৪৭ জনকে হত্যা করে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের কাদুনা রাজ্যের এক জায়গায় গণকবর দেয়। ঐ সহিংসতায় মোট ৩৪৯ জন নিহত হন। এরমধ্যে এক সেনা ও আরেক শিয়া মুসলিম পরবর্তীতে আটক অবস্থায় নিহত হন।
    শিয়া আলেম ইব্রাহীম জাকজাকি

    জনমত নির্ভর এই প্রতিবেদন কমিশন গঠিত হয়েছিল নাইজেরিয়ায় কাদুনা রাজ্যের সরকার দ্বারা। প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়, সেনাবাহিনীর যে সব সদস্য এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের যথাযথ আইনে বিচার হওয়া উচিত।

    এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশিত পূর্বোক্ত প্রতিবেদনকে সমর্থন করছে।

    অ্যামনেস্টি আগে থেকেই ইরানপন্থী শিয়া আলেম ইব্রাহীম জাকজাকির অনুসারিদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যায় জড়িত থাকা, গণকবর দেয়া এবং অপরাধের আলামত নস্যাত করার জন্য নাইজেরীয় সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত করে আসছে।

    যদিও সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ঐ মজলিসের শিয়া অনুসারীরা সেনাপ্রধান বুরাতাইকে আক্রমণ করার চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী নিরাপত্তার খাতিরে প্রয়োজনমত পদক্ষেপ নিয়েছে শুধু। ঐ ঘটনায় শিয়া নেতা জাকজাকির এক চোখ অন্ধ হয়ে যায় এবং তার শরীরের একাংশ স্থায়ীভাবে সংবেদনহীন হয়ে পড়ে।

    তথ্যসূত্র : আলজাজিরা

    (Visited 6 times, 1 visits today)

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *