Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / ‘খালেদার জোটে আফগান ফেরত জঙ্গি আছে’

‘খালেদার জোটে আফগান ফেরত জঙ্গি আছে’

  • ০৯-০৭-২০১৬
  • DHgh২০ দলীয় জোটে ট্রেনিংপ্রাপ্ত আফগান ফেরত অনেক জঙ্গি রয়েছে ও তাদের অনুসারি অনেকে আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। এসময় জঙ্গিবাদ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক ঐক্যের ডাককে লোক দেখানো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    শুক্রবার (৮ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুরের বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ঈদের দিন বেগম খালেদা জিয়া জঙ্গিবাদ নির্মূলে যে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তার প্রতিক্রিয়ায় দলের পক্ষ থেকে এ ব্রিফিং করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    তিনি বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ এখন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবেলায় আমরা জাতীয় ঐক্য চাই। তবে সেই ঐক্য হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সঙ্গে। যারা জঙ্গিবাদকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না, জঙ্গিবাদের পৃষ্টপোষকতা করে না, যুদ্ধাপরাধীদের লালন করে না। সেই সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই অবশ্যই ঐক্য হবে।’

    ড. হাছান বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন যে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন সেটি হচ্ছে লোক দেখানো। কেন না তিনি নিজেও জঙ্গিবাদের অন্যতম পৃষ্টপোষক, লালনকারী। তার নেতৃত্বাধীন জোটেই জঙ্গি সংশ্লিষ্ট ইসলামী নামধারী অনেক রাজনৈতিক দল ও নেতা রয়েছে। তার জোটে ট্রেনিংপ্রাপ্ত আফগান ফেরত অনেক জঙ্গি রয়েছে। তাদের অনুসারি অনেকে আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ করছেন। এছাড়া যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং তার চারপাশে এসব জঙ্গিদের রেখে জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যের ডাক দেওয়া মানে সেটি লোক দেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়।’

    আওয়ামী লীগের এ প্রচার সম্পাদক আরো বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া নিজের বিরুদ্ধে ওঠা জঙ্গিবাদের বদনাম ও অভিযোগ ঘুচাতে এখন এই ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। তার রাজনৈতিক জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের সহযোগি সংগঠন শিবিরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের চার নম্বর সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। একই সাথে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনেও শিবিরকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে রেখেই বেগম জিয়ার জঙ্গিবাদ মোকাবেলার ডাক লোক দেখানো ছাড়া কিছুই নয়। তার বিরুদ্ধে ওঠা জঙ্গিবাদের অভিযোগকে আড়ালের ব্যর্থ প্রচেষ্টা মাত্র তার এই ঐক্যের ডাক।’

    হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কারা গাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে, ঘুমন্ত চালককে পুড়িয়ে অঙ্গার করেছে, দেশকে তিন মাস অস্থিতিশীল করতে চেয়েছে তাদের আপনারা চিনেন। সেই সব নাশকতার প্রভাব রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে পড়ছে। তার ওই কর্মকাণ্ডের প্রভাবে দেশে এই জঙ্গিবাদ হচ্ছে বললেও ভুল হবে না। দেশের এই পরিস্থিতির জন্য দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এর দায় বেগম খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না।’

    তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের ময়দানেও এরকম নীরহ মানুষ, নারী-শিশুকে হত্যা করেনা। কিন্তু সন্ত্রাসীরা যেভাবে নীরহ মানুষজনকে হত্যা করেছে তা বর্ববর ও নির্মম। ইসলামের নাম দিয়ে যারা এই হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছেন তারা ইসলামের শত্রু, মানবতার শত্রু, রাসূলের দুশমন। তবে এই জঙ্গিবাদ সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় রুখা হবে। বাংলাদেশে জঙ্গিদের কোনও স্থান হতে দেয়া হবে না।’

    জঙ্গিবাদ রুখতে দেশের প্রত্যেক পিতামাতাকে আরো সচেতন হতে আহ্বান জানান সাবেক এ মন্ত্রী। একই সাথে সম্প্রতি গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার ঘটনা দমনে সেনাবাহিনীসহ সরকারের উদ্যোগ দেশ বিদেশে প্রসংশিত হয়েছে বলেও দাবি করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় সদস্য আমিনুল ইসলাম আমীন, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া প্রমুখ।

    (Visited 5 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *