সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার বলেছেন, তার সরকার পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায়।

তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য কখন, কী প্রয়োজন সে সম্পর্কে আমরা ভালোভাবে জানি এবং আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি। এজন্য আমরা একটি পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চাই।’

মিরপুর সেনানিবাসে শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) ও সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্স (এএফডব্লিউসি) ২০১৯ এর স্নাতক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার গৃহীত প্রতিরক্ষা নীতিমালার আলোকে সরকার ‘সশস্ত্র বাহিনী গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

‘বিশ্ব ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। সেজন্য পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আমাদের অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম থাকতে হবে এবং এসবের জন্য সব ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সর্বশেষ সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। যাতে তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যবহৃত আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জামসমূহের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে ও যেকোনো পরিস্থিতিতে ভূমিকা পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার সময় দেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে অবদানের রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা দেশকে আরও উন্নত করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা আশা করেন, সনদপ্রাপ্ত স্নাতকরা জাতিকে স্থিতিশীলতা, স্বনির্ভরতা ও টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনডিসি কমানড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ।

সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন এবং বিদেশি সামরিক বাহিনীর মোট ৮৫ কর্মকর্তা এনডিসি কোর্স ২০১৯ এবং ৩৮ জন এএফডব্লিউসি-২০১৯ কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

এনডিসি স্নাতকদের মধ্যে চীন, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, মালয়েশিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, তানজানিয়া, যুক্তরাজ্য, মালি ও নাইজার থেকে ১৬ জন বিদেশি সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দুটি কোর্সের স্নাতক শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশংসাপত্র বিতরণ করেন।

মীরজাফররা আর যেন ক্ষমতায় না আসে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ দেশে মোশতাক, জিয়ার মতো মীরজাফররা আর যেন কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে, দেশের উন্নয়ন আর যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।

শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর একটাই স্বপ্ন ছিল। সেটা হলো দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের একজন মানুষও যেন খাদ্যে কষ্ট না পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ওপর কালো মেঘের ছায়া ছিল। সে মেঘ কেটে গেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, হত্যা, খুন, সন্ত্রাস আর লুটপাট করেছে তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছে জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা পালিয়েছিল তাদের ধরে এনে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছে।

‘এ দেশে মোস্তাক, জিয়ার মতো মীরজাফররা আর যেন কোনওদিন ক্ষমতায় না আসতে পারে, দেশের উন্নয়ন আর যেন বাধাগ্রস্ত না হয়’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তো আরও এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের মন্ত্রী বানিয়েছে। তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে। ভোট চুরি করে বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলের নেতা বানিয়েছে।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ ২৪ বছরের পাকিস্তানি বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে দেশের আপামর জনসাধারণকে সংগঠিত করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জামায়াতসহ ধর্মান্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তারা আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে পাক বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুট করে।

‘বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে।’

ফোর্বসের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা

বিশ্বের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগজিন। এই তালিকার শীর্ষ একশ নারীর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। তালিকার ২৯তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফোর্বসের তালিকায় প্রভাবশালী শীর্ষ ১০ নারীর তালিকায় আছেন অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ক্রিস্টিনে লেগারদে, নেন্সি পেলোসি, আরসুলা ভন দের লেয়েন, মেরি বারা, মেলিন্ডা গেটস, আবিগেইল জনসন, আনা পেট্রিসিয়া বোটিন, গিনি রোমেটি এবং মেরিলিন হিউসন। ২০১৮ সালে ফোর্বসের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ২৬তম।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘকালীন সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়ে টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত নির্বাচনে তার দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদের ৩শ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতেই জয় লাভ করে।

বিশ্বের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় ৪০ নম্বরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাংকা ট্রাম্প রয়েছেন ৪২ নম্বর স্থানে। এদের পেছনে ফেলে ৩৪ নম্বরে স্থান পেয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যদিও দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ক্রমাগত বিরোধীদের সমালোচনায় বিদ্ধ তিনি। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে তাঁর ব্যর্থতা সোশ্যাল মিডিয়াতেও সমালোচনার শিকার হয়েছে।

ফোর্বসের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় রয়েছেন আরও দুই ভারতীয়, ৫৪ নম্বরে রোশনি নাদার মালহোত্রা এবং ৬৫ নম্বরে কিরণ মজুমদার শাহ।

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তা বা ফ্লাইওভারে কনসার্ট বা নাচ-গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে-উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা, আতশবাজি, পটকা ফোটানো যাবে না। থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের সব বার বন্ধ।

এ সময়ের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।

৩১ ডিসেম্বর রাত আটটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকার ব্যতীত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।

দিনটি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা রয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো রকম আশঙ্কা নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট দুটি দিবসে খুব কাছাকাছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং থার্টিফার্স্ট নাইট যাতে শৃঙ্খলভাবে উদযাপন কেউ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য আজকের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভাটি করেছি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথভাবে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাসহ সারাদেশের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টি চার্জে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে সমন্বয় করে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে।

বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোলরুম থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চার্চগুলোতে রাখা ফোকাল পয়েন্ট সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ। ফায়ার ফাইটিং এর কুইক রেসপন্স টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান তিনি।

‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত: হাইকোর্ট

‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান হিসেবে ব্যবহারের মৌখিক নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট বলেছেন, ‘জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত। আগামী ১৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে রুলের রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান করার বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার এ রুলের শুনানি শেষ হলো।

এর আগে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। ওই রিটে ‘জয় বাংলাকে’ কেনো জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, ‘জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, এটি আমাদের জাতীয় প্রেরণার প্রতীক।’

অফিসে দেরিতে আসলে বেতন কাটা যাবে সরকারি চাকরিজীবীদের

কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া দেরিতে অফিসে উপস্থিত হতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রতি দুইদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে।

সম্প্রতি ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ জারি করে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৫ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এতে এ সংক্রান্ত নতুন বিধি আরোপ করা হয়।

এছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ ও দেরিতে অফিসে উপস্থিত হলে ওই কর্মচারীর আরো অতিরিক্ত সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে বলেও বিধিতে বলা হয়।

এতে আরো বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকবে পারবে না। অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মচারী অফিসে অনুপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়ে কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নিতে পারবেন।

এতে বলা হয়, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। তবে জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। সংরক্ষিত রেজিস্টারে অফিস ত্যাগের কারণ, সময়, তারিখ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বেতন কাটা হলে তিনি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুনর্বিবেচনার কোনো আবেদন করা হলে, আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, বেতন কর্তনের আদেশ সংশোধন বা বাতিল রাখতে পারবে। পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির ক্ষেত্রে সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কেটে আদায় করতে হবে। ওই কর্মচারী নিজের বিল নিজে উত্তোলনকারী হলে, তাকে বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কাটার নির্দেশ দিতে হবে। নির্দেশের কপি হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাতে হবে। ওই কর্মচারী বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কর্তন না করলে হিসাবরক্ষণ অফিস তা কেটে বিল পাস করবে বলে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের তিন বিভাগের সমন্বয় প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি, ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ- নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের মধ্যে অবশ্যই যথাযথ সমন্বয় ও সুসম্পর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময়ে বিশ্বাস করি রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ একটি রাষ্ট্রের জন্য অনিবার্য। এই বিভাগগুলো তাদের নিজেদের আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ন্যায়বিচার, শান্তি এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই বিভাগগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় জরুরি।

শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) সুপ্রিমকোর্ট আয়োজিত ‘শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ন্যায়বিচার’ শীর্ষক দিনব্যাপী জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন ২০১৯ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি অবস্থান আশা করি যেখানে রাষ্ট্রের এই তিনটি বিভাগ একে অপরের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করবে না। এতে ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তি বজায় রাখা ও সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ তৈরি করেছেন এবং এটি পরিবর্তনের কর্তৃত্ব কেবল তারই। তিনি (রাষ্ট্রপতি) ‘রুলস অব বিজনেস’ও তৈরি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৫১(১) এবং ৫৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম নিয়ে আদালতে কোন প্রশ্ন উঠতে পারবে না। তবে কখনো কখনো রাষ্ট্রপতির জুরিডিকশনের অধীন ইস্যুতে অর্ডার দিতে দেখছি।’

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন যে, বিচারকরা তাদের মেধা ও সৃষ্টিশীলতা কাজে লাগানোর পাশপাশি ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবেন।

শেখ হাসিনা প্রধান বিচারপতির প্রস্তাব অনুযায়ী অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ জোরদারে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার, সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার মো. আলী আকবর এবং মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র দায়রা জজ হোসনে আরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং সারাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকরা সম্মেলনে যোগ দেন।

জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় ।

সভাপতি ছাড়া আ’লীগের সব পদেই পরিবর্তন আসতে পারে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী জাতীয় সম্মেলনে সভাপতি পদ ছাড়া আওয়ামী লীগের সব পদেই পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে তিনি আগ্রহী নন বলেও জানান।শুক্রবার আওয়ামী লীগের দপ্তর উপ-কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে দুই শীর্ষ পদে (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) কোনো পরিবর্তন আসছে কি-না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা পদে কোনো পরিবর্তন আসবে না। সেটা হচ্ছে আমাদের পার্টির সভাপতি। আমাদের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি ছাড়া আমরা কেউই দলের জন্য অপরিহার্য না। তিনি এখনও আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক অপরিহার্য। তৃণমূল পর্যন্ত সবাই তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

‘এর পরের পদটা কাউন্সিলরদের মাইন্ড সেট করে দেয়। সেটাও তিনি (সভাপতি) ভালো করে জানেন। আর দল কীভাবে চলবে, কাকে দিয়ে চলবে, সেটাও তিনি জানেন। তিনি যেটা ভালো মনে করবেন সেটাই করবেন। পরিবর্তন করলেও তার ইচ্ছা, তিনি ডিসাইড করবেন এ ব্যাপারে কারো কোনো কথা থাকবে না। পরিবর্তন হলেও আমরা স্বাগত জানাবো, আর তিনি যদি আমাকে রাখেন সেটাও তার ইচ্ছা। পার্সোনালি আই এম নট ইন্টারেস্টেড’, বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অচেষ্টা করছে। নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তারা ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চায়। এসব করে নেতারা সফল হবে না। কারণ আওয়ামী লীগ পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী সুসংগঠিত এবং সুশৃঙ্খল একটি দল। নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। জনগণের জানমাল ক্ষতি করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তার জবাব দেবে।

তিনি বলেন, বিএনপি বারবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন ইস্যুতে। কিন্তু জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মহলকে উসকানি দিচ্ছে- দ্রব্যমূল্য হঠাৎ করে ঊর্ধ্বগতিতে তাদের ইন্ধন রয়েছে এবং উসকানি রয়েছে। আমরা তাদের অনেককেই চিহ্নিত করেছি। অবশ্যই তাদের শাস্তি হবে।

প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ‘নেতিবাচক মানসিকতা’ পরিহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈষম্য মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তার সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পর্কে ‘নেতিবাচক মানসিকতা’ পরিহার করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কানাকে কানা আর খোঁড়াকে খোঁড়া বলো না শৈশব থেকে আমরা এ শিক্ষা পেয়েছি। শিশুদেরকে শৈশব থেকে এ শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা মানবিক হয় এবং যাতে তারা আমাদের সঙ্গে একত্রে চলতে পারে- এটিই সবচেয়ে বড় কথা।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ব্যাপারে আমাদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে ২৮তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২১তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।-বাসস

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কমপ্লেক্স ‘সুবর্ণ ভবন’ উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সব মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে তার সরকার বৈষম্য মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য স্বাধীনতা নিয়ে এসেছেন। আমাদের লক্ষ্য হলো এ স্বাধীন দেশের সব জনগণ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছি।

অটিজম অথবা প্রতিবন্ধিতা কোনো রোগ অথবা অসুস্থতা নয় এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে যাতে অটিজম অথবা প্রতিবন্ধিতায় যারা ভুগছেন তারা সমাজের মূলধারার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন।

আমরা জানি যে, এ ধরনের প্রতিবন্ধিতায় যে সব শিশুরা ভুগছেন তাদের পিতা মাতার জন্য এটি খুবই বেদনাদায়ক। আমরা তাদের এ দুর্দশা নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

দেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এই উন্নয়নে প্রতিবন্ধীদের ওপর জোর গুরুত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন,আমরা চাই দেশের উন্নয়ন এবং আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিচ্ছি যাতে তারা উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে না থাকে।

রিজার্ভ ‍চুরি: জরিমানার ২০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ

সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের গচ্ছিত অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনকে (আরসিবিসি) জরিমানা করা ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের সভায় (এফওসি) এই অর্থের দাবি করা হয়।

পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন, এফওসিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে ফিলিপাইনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আমরা ফিলিপাইনের কাছে দোষীদের পরিচয় ও আর্থিক তথ্য জানতে চেয়েছি। আমরা বলেছি, কিছু টাকা আমাদের দেওয়া যেতে পারে। তবে ওদের যুক্তি অন্যরকম আছে। এ ছাড়া রিজার্ভ চুরির কিছু অর্থের হদিস এখনো বের করা যায়নি। তবে আমরা স্টেপ বাই স্টেপ এগোচ্ছি।

মাসুদ বিন মোমেন আরো বলেন, আরসিবিসিকে জরিমানা করা অর্থের বিষয়ে ওরা (ফিলিপাইন) বলেছে, আরসিবিসিকে ওদের আইন অনুযায়ী জরিমানা করেছে। তবে আমরা বলেছি, এই জরিমানা বাংলাদেশ ব্যাংকের কানেকশনে করা হয়েছে। সে কারণে এই অর্থ আমাদের দেওয়া যেতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় দুই দেশের মধ্যে এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন। আর ফিলিপাইনের পক্ষে দেশটির সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা মেনার্ডো এলভি মন্টিলেগরি নেতৃত্ব দেন।

২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে এফওসি আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা সই হয়। সে অনুযায়ী, গতবছর ম্যানিলায় প্রথমবারের মতো এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এবার ঢাকায় দ্বিতীয় এফওসি অনুষ্ঠিত হলো।