Categories
জাতীয়

ফোর্বসের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা

বিশ্বের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগজিন। এই তালিকার শীর্ষ একশ নারীর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল। তালিকার ২৯তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফোর্বসের তালিকায় প্রভাবশালী শীর্ষ ১০ নারীর তালিকায় আছেন অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, ক্রিস্টিনে লেগারদে, নেন্সি পেলোসি, আরসুলা ভন দের লেয়েন, মেরি বারা, মেলিন্ডা গেটস, আবিগেইল জনসন, আনা পেট্রিসিয়া বোটিন, গিনি রোমেটি এবং মেরিলিন হিউসন। ২০১৮ সালে ফোর্বসের প্রভাবশালী ১শ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ২৬তম।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘকালীন সময় ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়ে টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত নির্বাচনে তার দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদের ৩শ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতেই জয় লাভ করে।

বিশ্বের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় ৪০ নম্বরে রয়েছেন ইংল্যান্ডের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাংকা ট্রাম্প রয়েছেন ৪২ নম্বর স্থানে। এদের পেছনে ফেলে ৩৪ নম্বরে স্থান পেয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যদিও দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য ক্রমাগত বিরোধীদের সমালোচনায় বিদ্ধ তিনি। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে তাঁর ব্যর্থতা সোশ্যাল মিডিয়াতেও সমালোচনার শিকার হয়েছে।

ফোর্বসের সেরা ১০০ ক্ষমতাশালী মহিলার তালিকায় রয়েছেন আরও দুই ভারতীয়, ৫৪ নম্বরে রোশনি নাদার মালহোত্রা এবং ৬৫ নম্বরে কিরণ মজুমদার শাহ।

Categories
জাতীয়

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তায় গান-বাজনা নিষেধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তা বা ফ্লাইওভারে কনসার্ট বা নাচ-গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, প্রকাশ্যে-উন্মুক্ত স্থানে কনসার্ট, নাচ ও গানের আয়োজন করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ভুভুজেলা, আতশবাজি, পটকা ফোটানো যাবে না। থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল চারটা থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর থেকে পহেলা জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের সব বার বন্ধ।

এ সময়ের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।

৩১ ডিসেম্বর রাত আটটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকার ব্যতীত কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।

দিনটি উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা রয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোনো রকম আশঙ্কা নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট দুটি দিবসে খুব কাছাকাছি। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন যথাযথভাবে পালন করতে পারে এবং থার্টিফার্স্ট নাইট যাতে শৃঙ্খলভাবে উদযাপন কেউ নষ্ট করতে না পারে সেজন্য আজকের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভাটি করেছি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে যথাযথভাবে বড়দিন উদযাপন করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাসহ সারাদেশের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টি চার্জে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে সমন্বয় করে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে।

বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ কন্ট্রোলরুম থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চার্চগুলোতে রাখা ফোকাল পয়েন্ট সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন। বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ। ফায়ার ফাইটিং এর কুইক রেসপন্স টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে বলেও জানান তিনি।

Categories
জাতীয়

‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত: হাইকোর্ট

‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান হিসেবে ব্যবহারের মৌখিক নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট বলেছেন, ‘জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত। আগামী ১৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে রুলের রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান করার বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার এ রুলের শুনানি শেষ হলো।

এর আগে ‘জয় বাংলাকে’ জাতীয় স্লোগান ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। ওই রিটে ‘জয় বাংলাকে’ কেনো জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, ‘জয় বাংলা কোনো দলের স্লোগান নয়, এটি আমাদের জাতীয় প্রেরণার প্রতীক।’

Categories
জাতীয় ফিচার

অফিসে দেরিতে আসলে বেতন কাটা যাবে সরকারি চাকরিজীবীদের

কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া দেরিতে অফিসে উপস্থিত হতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রতি দুইদিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে।

সম্প্রতি ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ জারি করে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৫ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এতে এ সংক্রান্ত নতুন বিধি আরোপ করা হয়।

এছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ ও দেরিতে অফিসে উপস্থিত হলে ওই কর্মচারীর আরো অতিরিক্ত সাতদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে বলেও বিধিতে বলা হয়।

এতে আরো বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকবে পারবে না। অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মচারী অফিসে অনুপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়ে কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য একদিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নিতে পারবেন।

এতে বলা হয়, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। তবে জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। সংরক্ষিত রেজিস্টারে অফিস ত্যাগের কারণ, সময়, তারিখ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বেতন কাটা হলে তিনি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুনর্বিবেচনার কোনো আবেদন করা হলে, আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, বেতন কর্তনের আদেশ সংশোধন বা বাতিল রাখতে পারবে। পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির ক্ষেত্রে সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কেটে আদায় করতে হবে। ওই কর্মচারী নিজের বিল নিজে উত্তোলনকারী হলে, তাকে বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কাটার নির্দেশ দিতে হবে। নির্দেশের কপি হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাতে হবে। ওই কর্মচারী বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কর্তন না করলে হিসাবরক্ষণ অফিস তা কেটে বিল পাস করবে বলে সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

Categories
জাতীয়

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের তিন বিভাগের সমন্বয় প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি, ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ- নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের মধ্যে অবশ্যই যথাযথ সমন্বয় ও সুসম্পর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি সব সময়ে বিশ্বাস করি রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ একটি রাষ্ট্রের জন্য অনিবার্য। এই বিভাগগুলো তাদের নিজেদের আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ন্যায়বিচার, শান্তি এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই বিভাগগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় জরুরি।

শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) সুপ্রিমকোর্ট আয়োজিত ‘শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ন্যায়বিচার’ শীর্ষক দিনব্যাপী জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন ২০১৯ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি অবস্থান আশা করি যেখানে রাষ্ট্রের এই তিনটি বিভাগ একে অপরের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করবে না। এতে ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তি বজায় রাখা ও সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ তৈরি করেছেন এবং এটি পরিবর্তনের কর্তৃত্ব কেবল তারই। তিনি (রাষ্ট্রপতি) ‘রুলস অব বিজনেস’ও তৈরি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৫১(১) এবং ৫৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম নিয়ে আদালতে কোন প্রশ্ন উঠতে পারবে না। তবে কখনো কখনো রাষ্ট্রপতির জুরিডিকশনের অধীন ইস্যুতে অর্ডার দিতে দেখছি।’

প্রধানমন্ত্রী আশা করেন যে, বিচারকরা তাদের মেধা ও সৃষ্টিশীলতা কাজে লাগানোর পাশপাশি ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবেন।

শেখ হাসিনা প্রধান বিচারপতির প্রস্তাব অনুযায়ী অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ জোরদারে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার, সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার মো. আলী আকবর এবং মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র দায়রা জজ হোসনে আরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং সারাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকরা সম্মেলনে যোগ দেন।

জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় ।

Categories
রাজনীতি

সভাপতি ছাড়া আ’লীগের সব পদেই পরিবর্তন আসতে পারে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী জাতীয় সম্মেলনে সভাপতি পদ ছাড়া আওয়ামী লীগের সব পদেই পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে তিনি আগ্রহী নন বলেও জানান।শুক্রবার আওয়ামী লীগের দপ্তর উপ-কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে দুই শীর্ষ পদে (সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) কোনো পরিবর্তন আসছে কি-না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা পদে কোনো পরিবর্তন আসবে না। সেটা হচ্ছে আমাদের পার্টির সভাপতি। আমাদের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তিনি ছাড়া আমরা কেউই দলের জন্য অপরিহার্য না। তিনি এখনও আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক অপরিহার্য। তৃণমূল পর্যন্ত সবাই তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

‘এর পরের পদটা কাউন্সিলরদের মাইন্ড সেট করে দেয়। সেটাও তিনি (সভাপতি) ভালো করে জানেন। আর দল কীভাবে চলবে, কাকে দিয়ে চলবে, সেটাও তিনি জানেন। তিনি যেটা ভালো মনে করবেন সেটাই করবেন। পরিবর্তন করলেও তার ইচ্ছা, তিনি ডিসাইড করবেন এ ব্যাপারে কারো কোনো কথা থাকবে না। পরিবর্তন হলেও আমরা স্বাগত জানাবো, আর তিনি যদি আমাকে রাখেন সেটাও তার ইচ্ছা। পার্সোনালি আই এম নট ইন্টারেস্টেড’, বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার অচেষ্টা করছে। নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তারা ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চায়। এসব করে নেতারা সফল হবে না। কারণ আওয়ামী লীগ পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী সুসংগঠিত এবং সুশৃঙ্খল একটি দল। নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে। জনগণের জানমাল ক্ষতি করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তার জবাব দেবে।

তিনি বলেন, বিএনপি বারবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন ইস্যুতে। কিন্তু জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মহলকে উসকানি দিচ্ছে- দ্রব্যমূল্য হঠাৎ করে ঊর্ধ্বগতিতে তাদের ইন্ধন রয়েছে এবং উসকানি রয়েছে। আমরা তাদের অনেককেই চিহ্নিত করেছি। অবশ্যই তাদের শাস্তি হবে।

Categories
জাতীয়

প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ‘নেতিবাচক মানসিকতা’ পরিহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈষম্য মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তার সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পর্কে ‘নেতিবাচক মানসিকতা’ পরিহার করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কানাকে কানা আর খোঁড়াকে খোঁড়া বলো না শৈশব থেকে আমরা এ শিক্ষা পেয়েছি। শিশুদেরকে শৈশব থেকে এ শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা মানবিক হয় এবং যাতে তারা আমাদের সঙ্গে একত্রে চলতে পারে- এটিই সবচেয়ে বড় কথা।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ব্যাপারে আমাদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে ২৮তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২১তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।-বাসস

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনির্মিত জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কমপ্লেক্স ‘সুবর্ণ ভবন’ উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য সব মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে তার সরকার বৈষম্য মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের জন্য স্বাধীনতা নিয়ে এসেছেন। আমাদের লক্ষ্য হলো এ স্বাধীন দেশের সব জনগণ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছি।

অটিজম অথবা প্রতিবন্ধিতা কোনো রোগ অথবা অসুস্থতা নয় এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে যাতে অটিজম অথবা প্রতিবন্ধিতায় যারা ভুগছেন তারা সমাজের মূলধারার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন।

আমরা জানি যে, এ ধরনের প্রতিবন্ধিতায় যে সব শিশুরা ভুগছেন তাদের পিতা মাতার জন্য এটি খুবই বেদনাদায়ক। আমরা তাদের এ দুর্দশা নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

দেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার এই উন্নয়নে প্রতিবন্ধীদের ওপর জোর গুরুত্ব দিয়েছে।

তিনি বলেন,আমরা চাই দেশের উন্নয়ন এবং আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিচ্ছি যাতে তারা উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে না থাকে।

Categories
অর্থনীতি জাতীয়

রিজার্ভ ‍চুরি: জরিমানার ২০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ

সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের গচ্ছিত অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনকে (আরসিবিসি) জরিমানা করা ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের সভায় (এফওসি) এই অর্থের দাবি করা হয়।

পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন জানিয়েছেন, এফওসিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে ফিলিপাইনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আমরা ফিলিপাইনের কাছে দোষীদের পরিচয় ও আর্থিক তথ্য জানতে চেয়েছি। আমরা বলেছি, কিছু টাকা আমাদের দেওয়া যেতে পারে। তবে ওদের যুক্তি অন্যরকম আছে। এ ছাড়া রিজার্ভ চুরির কিছু অর্থের হদিস এখনো বের করা যায়নি। তবে আমরা স্টেপ বাই স্টেপ এগোচ্ছি।

মাসুদ বিন মোমেন আরো বলেন, আরসিবিসিকে জরিমানা করা অর্থের বিষয়ে ওরা (ফিলিপাইন) বলেছে, আরসিবিসিকে ওদের আইন অনুযায়ী জরিমানা করেছে। তবে আমরা বলেছি, এই জরিমানা বাংলাদেশ ব্যাংকের কানেকশনে করা হয়েছে। সে কারণে এই অর্থ আমাদের দেওয়া যেতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় দুই দেশের মধ্যে এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব (এশিয়া প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন। আর ফিলিপাইনের পক্ষে দেশটির সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা মেনার্ডো এলভি মন্টিলেগরি নেতৃত্ব দেন।

২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে এফওসি আয়োজনের জন্য একটি সমঝোতা সই হয়। সে অনুযায়ী, গতবছর ম্যানিলায় প্রথমবারের মতো এফওসি অনুষ্ঠিত হয়। এবার ঢাকায় দ্বিতীয় এফওসি অনুষ্ঠিত হলো।

Categories
জাতীয়

বাংলাদেশি ছাড়া কাউকে দেশের মাটিতে ঢুকতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের আসাম থেকে বাংলাদেশে পুশইনের খবরে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, কোনোভাবেই বাংলাদেশি ছাড়া কাউকে দেশের মাটিতে ঢুকতে দেয়া হবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যাদের পুশইন করা হচ্ছে তারা বাংলাদেশের নাগরিক কি না আমাদের সুনিশ্চিত হতে হবে। যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয় তাহলে আমরা তাদের গ্রহণ করতে পারি। যদি তারা বাংলাদেশের নাগরিক না হয় তাহলে তাদেরকে কোনো ক্রমেই গ্রহণ করা হবে না।

তিনি বলেন, যাদের পুশইন করা হচ্ছে তাদের কেউ কেউ বাঙালি, তবে এরা বাংলাদেশি কি না সঠিকভাবে এখনো নিশ্চিত নই। বাঙালিদের ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করেছেন। আমাদের বিজিবি কয়েক জায়গা থেকে এদেরকে ঢুকতে দেয়নি, অ্যালাউ করেনি। এদের সংখ্যা হাজার হাজার নয়, কয়েকশ’।

মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা যারা ভারতে বিভিন্নভাবে ঢুকেছিল তারাও আসতে চেয়েছিল। কিন্তু সুনিশ্চিত না হয়ে কাউকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। আমাদের দেশের সুনিশ্চিত নাগরিক হলে কিভাবে গ্রহণ করা হবে সেটা দেখবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকে বিভিন্ন সময় ভারতে যায়, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তাদের অনেক সময় পাঠিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে,কিন্তু আসতে দেরি হয়েছে এমন জটিলতার ক্ষেত্রে আমাদের নাগরিকদের অবশ্যই আমরা গ্রহণ করবো। তবে এতে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।

এভাবে পুশইনের চেষ্টা কোন উস্কানিমূলক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি হাজার হাজার বা শত শত হতো তাহলে আলোচনার বিষয় হতো। কিন্তু এখানে অল্প সংখ্যক মানুষ। তবে এ বিষয়ে ভারত এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি কোনো চিঠি দেয়নি। যারা আসতে চেষ্টা করছে তারা দেশের নাগরিক হলে গ্রহণ করতে আমরা প্রস্তুত।

ভারত থেকে জোর করে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি ভারত কিছু জানায়নি। তাহলে জোর করে পাঠাচ্ছে কেন বলব। হয়ত কিছু পুশইন বেড়েছে, অস্বীকার করছি না। তবে কোনো ভারতীয় নাগরিক পুশইনের মাধ্যমে এখানে আসবে তা চিন্তাও করি না।

Categories
ফিচার

নৌযানের নামের আগে এম.ভি লেখা থাকে কেন? ।। songbadprotidinbd.com

যাতায়াতের জন্য আমরা তিন ধরনের পথ ব্যবহার করে থাকি। স্থলপথ, জলপথ এবং আকাশপথ। এসব পথে চলার জন্য যানবাহনও থাকে। তেমনি জলপথে চলাচলের জন্য নৌযান থাকে।

লঞ্চ, জাহাজ বা স্টিমারে চলাচল নিশ্চয় করেছেন! চলার পথে হয়তো খেয়ালও করেছেন, নৌযানের নামের আগে এম.ভি (MV) লেখা থাকে। অনেকেরই এই লেখাটি কেন লেখা হয় তা জানার খুব আগ্রহও থাকে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কেন নৌযানের আগে এম.ভি (MV) লেখা থাকে-

এম ভি (MV) এর মানে হচ্ছে ‘মোটর ভেসেল’ (Motor Vessel)। এর মানে বোঝায়, জলযানটি মোটর তথা ইঞ্জিন চালিত। সাধারণত ইঞ্জিন চালিত জলযানের নামের আগে এমভি লেখা হয়। খেয়াল করলে দেখবেন যে, ইঞ্জিন ছাড়া কোনো নৌযানেই এম ভি লেখা থাকে না। সাধারণত দূরের পথে যাত্রার জন্য এইসব নৌযান ব্যবহার করা হয়। তাছাড়াও এসব নৌযানে ভারী মালামাল বহন করা যায়। যা সাধারণ নৌযানে বহন করা সম্ভব হয় না।