Templates by BIGtheme NET
Home / Slide Show / স্পিকারের পদমর্যাদায় প্রধান বিচারপতি

স্পিকারের পদমর্যাদায় প্রধান বিচারপতি

  • ১০-১১-২০১৬
  • image-5636সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদক: দেশের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার ক্রম বাতিল সংক্রান্ত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে প্রধান বিচারপতিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সমমর্যাদায় নিতে বলা হয়েছে।

    রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে এ দুটি পদ একসাথে চার নম্বর তালিকায় ছিল। সে সময় দুই নম্বরে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং তিন নম্বরে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছিল। ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ উঠে যাওয়ায় দুই নম্বরে প্রধানমন্ত্রীকে নেয়া হয়েছে। তিন নম্বরে স্পিকারকে নেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতিকে চার নম্বরে রেখে তার পদমর্যাদার অবনমন করা হয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতির পদটি স্পিকারের সাথে রাখতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৬২ পৃষ্ঠার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপির পর্যবেক্ষণে এসব বিষয় বলা হয়েছে। রায়ে আরও বলা হয়, জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যরা রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের ২৪ নম্বর থেকে ১৬ নম্বরে সরকারের সচিবদের সমমর্যাদায় উন্নীত হবেন। জুডিশিয়াল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদ জেলা জজ। অন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে সচিবরা রয়েছেন।

    অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় সদস্যদের অবস্থান হবে জেলা জজদের ঠিক পরেই, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের ১৭ নম্বরে। আপিল বিভাগের বিচারপতিকে তালিকার ৭ নম্বরে এবং আট নম্বরে হাইকোর্টের বিচারপতিদের সাথে অ্যাটর্নি জেনারেলকে রাখতে বলা হয়েছে। এ তালিকার ১২ নম্বরে সংসদ সদস্য, কম্পট্রোলার এবং অডিটর জেনারেল ও ন্যায়পালকে, ১৫ নম্বরে পিএসসি চেয়ারম্যানকে রাখতে বলা হয়েছে। এভাবে রেখে সরকার আইন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে রায়ের অভিমতে।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের পদক্রমের বিষয়ে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ভারতের পদক্রম তালিকায় অ্যাটর্নি জেনারেলকে তিন বাহিনী প্রধানের (জেনারেল র্যা ঙ্কধারী) ওপরে মন্ত্রী পরিষদ সচিবের সাথে রাখা হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের ওপরে রাখা হয়েছে এ পদটিকে। তাই আমাদের হাইকোর্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি ওপরে রাখতে যে রায় দিয়েছেন তা যুক্তিযুক্ত।

    এর আগে ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ হাইকোর্টের দেয়া রায়ে কিছু সংশোধন করে সরকারের আপিল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।

    সরকারের কার্যপ্রণালী বিধি (রুলস অব বিজনেস) অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ২০০০ সালে তা সংশোধন করে সরকার।সংশোধন করা এই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব আতাউর রহমান ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

    পরে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সরকারের প্রণীত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স বাতিল ঘোষণা করে আট দফা নির্দেশনা দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল নিষ্পত্তি করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ সাহাব উদ্দিন 

    (Visited 22 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *