Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / ব্রেকিং নিউজ / শেখ হাসিনার সামনেই আশরাফ-কাদের বাকযুদ্ধ – Songbad Protidin BD

শেখ হাসিনার সামনেই আশরাফ-কাদের বাকযুদ্ধ – Songbad Protidin BD

  • ১৬-০৫-২০১৭
  • kadersm20170516114847সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতেই আওয়ামী লীগের দুই নেতা বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। পরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তা নিয়ন্ত্রণে আসে।

    সোমবার বৈঠকে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

    ওই বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনায় দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে কথা ওঠে। এ প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমাদের দলের কিছু নেতা প্রকাশ্যে দলের নেতাকর্মীদের সমালোচনা করছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। জনগণের কাছে আওয়ামী লীগ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে। দলের সমালোচনার জন্য দলীয় ফোরাম আছে, সেখানে কথা বলা যেতে পারে। প্রকাশ্য জনসভায় দলের দায়িত্বশীল নেতা হয়ে সমালোচনা মানায় না।’’

    সৈয়দ আশরাফের ওই কথার সঙ্গে সুর মেলান উপস্থিত কয়েকজন মন্ত্রী। এমনকি শেখ হাসিনাও তা সমর্থন করেন।

    কথাটি সৈয়দ আশরাফ যে ওবায়দুল কাদেরকে ইঙ্গত করে বলেছেন তা নাম উল্লেখ না করলেও সবাই বিষয়টি বুঝতে পারেন।

    চট্টগ্রামের এক সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে টাকা পয়সা নিয়ে পালাতে হবে।” এর আগে আওয়ামী লীগে কাউয়া ও হাইব্রিডের অনুপ্রবেশ নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

    এরপর ওবায়দুল কাদের তার কথার প্রতিউত্তরে বলেন, “এখন দলে অনেক গতি এসেছে। দল চাঙ্গা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সবখানেই প্রাণচাঞ্চল্য এসেছে। আগে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা ঘুমিয়ে থাকতেন, দলও ঘুমিয়ে ছিল।”

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কথার সমর্থন করেন ও দলে গতি আসার কথাও স্বীকার করেন।

    এভাবে আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বাকযুদ্ধ মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনেকটা অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে থামিয়ে দেন। পরে বৈঠক শেষে সৈয়দ আশরাফ ও ওবায়দুল কাদেরকে কাছে ডেকে একান্তে কিছু কথাও বলেন। কিন্তু তাদের আলাপের বিষয় সম্পর্কে জানা যায়নি।

    শেখ হাসিনা দলের নেতাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “আগামী সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের নির্বাচনের মতো হবে না। এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলে, এলাকাবাসীর আস্থাভাজন না হলে, এলাকার মানুষ তাদের প্রয়োজনে এমপি-মন্ত্রীকে কাছে না পেলে, আগামী নির্বাচনে তাদের মনোনয়ন দেয়া হবে না। আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পেতে হলে অবশ্যই দলীয় শৃঙ্খলা, দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনা ও স্থানীয় কমিটির নেতাদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ ডেস্ক 

    (Visited 5 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *