Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / মৃত্যুদণ্ড সাজা কমিয়ে ঐশীর যাবজ্জীবন – Songbad Protidin BD

মৃত্যুদণ্ড সাজা কমিয়ে ঐশীর যাবজ্জীবন – Songbad Protidin BD

  • ০৫-০৬-২০১৭
  • image-37268সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদক: বাবা-মাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে ঐশী রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার মানসিক অসুস্থতা, মাদকাসক্ত, পারিবারিক ইতিহাস, সর্বোপরি বয়স বিবেচনা করে হাইকোর্ট এ রায় দেয়।

    একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা কমিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রায় দেন।

    এর আগে, গত ৭ মে শুনানি শেষে যেকোনো দিন দেয়া হবে বলে জানিয়ে রায় ঘোষণা অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন হাইকোর্ট। গত ১২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ শুনানিতে ঐশীর পক্ষে অংশ নেন আইনজীবী আফজাল এইচ খান ও সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির।

    এর মধ্যে গত ১০ এপ্রিল ঐশীর মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে ১৫ মিনিট ধরে একান্তে তার কথা শোনেন হাইকোর্ট। পরে তাকে আবারও পাঠিয়ে দেয়া হয়।

    এর আগে ঐশী রহমানকে ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর দুবার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। প্রত্যেক মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর অন্যটি সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে।

    একই সঙ্গে ঐশীর বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

    মামলার অপর আসামি আসাদুজ্জামান জনিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

    ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে ঐশী রহমান রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন।

    ২০১৪ সালের ৯ মার্চ ঐশীকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক আবুল খায়ের।

    পরে গত বছরের ৩০ নভেম্বর ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ বি এম সাজেদুর রহমান তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় বিভিন্ন সময়ে ৪৯ সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

    ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগের বাসা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরের দিন ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মো. মশিউর রহমান রুবেল পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই দিন পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করেন ঐশী।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ সেলিম খান 

    (Visited 18 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *