Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / ব্রেকিং নিউজ / মিথ্যাচার করে খাদ্যমন্ত্রী রেহাই পাবেন না: রিজভী – Songbad Protidin BD

মিথ্যাচার করে খাদ্যমন্ত্রী রেহাই পাবেন না: রিজভী – Songbad Protidin BD

  • ১৮-০৫-২০১৭
  • image-34758সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার দলীয় লোকদের লুটপাটের কারণেই চাল, চিনি, লবণ, ডাল, তেল, পেঁয়াজ-রসুন, মরিচ, শাক-সবজিসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখন লাগামহীন। চারিদিকে এখন হাহাকার চলছে। মিথ্যার বেসাতি করে খাদ্যমন্ত্রী রেহাই পাবেন না। জনগণ সবকিছুর হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করবে।

    বৃহস্পতিবার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    দেশের অস্থিতিশীল চালের দাম নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী ‘মিথ্যাচার’ করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিগত ৯ বছর ধরে পণ্যবাজার সিন্ডিকেটসহ ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি ব্যাংক-বীমা সবকিছু গ্রাস করা হচ্ছে। তারপরও খাদ্যমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীরা নিজেদের অকর্মণ্যতা ও চৌর্যবৃত্তির কারণে সৃষ্ট ‘খাদ্য নিয়ে মহাদুর্যোগ’ আড়াল করতে নির্লজ্জভাবে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন।
    লিখিত বক্তব্যে রিজভী বলেন, মিথ্যা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এটি সরকারের প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির আরেকটি বহিঃপ্রকাশ। স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতির চাপে গণতন্ত্র ও বহুতত্ত্ববাদকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে সরকার জনরোষকে আটকাতে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখছে।

    দুই দিন আগে সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘চালের মূল্য বৃদ্ধিতে অসাধু মজুদদার ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরাই দায়ী। চালের বাজারে এই দুর্যোগ মনুষ্যসৃষ্ট। হাওর অঞ্চলে বন্যায় ৩ শতাংশ অর্থাৎ ছয় লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কারণে আরো সাত লাখ মেট্রিক টন ধান নষ্ট হয়েছে। এই সুযোগে সরকারবিরোধী ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা আতঙ্ক সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছে।

    খাদ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রিজভী বলেন, ‘‘তিনি বিএনপিকে দোষারোপ করে বলেছেন- ‘চালের বাজার অস্থিতিশীল করার পেছনে বিএনপি কলকাঠি নাড়ছে।’ আমি তাকে বলতে চাই- হাওর অঞ্চলে তিনি ফসলহানি নিয়ে ডাহা মিথ্যাচার করেছেন। তিনি ফসলহানি নিয়ে যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন তার সাথে বাস্তবতার মোটেও মিল নেই। হাওর এলাকার প্রায় সম্পূর্ণ ফসল বিনষ্ট হয়েছে। এখন ৭৪-এর দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ আলামিন আলম 

    (Visited 5 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *