Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / ফেনী / ফেনীর পরশুরামে পল্লী বিদ্যুতে ১০ হাজার ৩ শ টাকার মনগড়া বিল দেখে মূর্ছা গেলেন দিনমজুর! – Songbad Protidin BD

ফেনীর পরশুরামে পল্লী বিদ্যুতে ১০ হাজার ৩ শ টাকার মনগড়া বিল দেখে মূর্ছা গেলেন দিনমজুর! – Songbad Protidin BD

  • ১০-০৮-২০১৭
  • IMG_6686-768x442ফেনী বিশেষ প্রতিনিধিঃ  পরশুরামে পল্লী বিদ্যুতের ইচ্ছে মত বিল (অতিরিক্ত বিল) দেখে মূর্ছা গেছেন দিনমজুর আবদুল খালেক। গত জুুন মাসে আবদুল খালেক ৫০ ইউনিট ব্যবহারের বিপরীতে বিল পান ২৩৮ টাকা। আর এক লাফে ৫০ গুন বেড়ে জুলাই মাসের বিল আসে ১০ হাজার ৩শ ২৮ টাকা। ‘নুন আনতে যার পান্তা ফুরোয়’সে কিভাবে দেবে এত টাকা বিদ্যুৎ বিল ! এ যেন ডিজিটাল মিটারের ডিজিটাল কারসাজি। পরশুরামের ৩টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভায় পল্লী বিদ্যুতের ২৬ হাজার গ্রাহক এখন ভূতুড়ে বিলে’র আতংকে আছেন।কখন কার কাছে চলে আসে ভুতুড়ে বিলে’র কাগজ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব অলকা গ্রামের দিনমজুর আবদুল খালেকের আবাসিক ক্যাটাগরির মিটারে (মিটার নং-৫০১৪০০৪৯৯৬০৩) ২০১৭ সালের জানুয়ারি-জুন মাস পর্যন্ত সর্বমোট বিল আসে ১১৬০ টাকা। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ১৯৬,ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬,মার্চে ১৩৬,এপ্রিলে ২১৮,মে’তে ২১৬,জুনে ২৩৮ টাকা।অথচ জুলাই মাসে বিল আসে ১০৩২৮(জরিমানাসহ) টাকা ।ব্যবহৃত ইউনিট দেখানো হয় ১১৬০। এত টাকার বিল দেখে হতভম্ভ হয়ে যান দিন মজুর আবদুল খালেক। স্থানীয় কয়েকজনের পরামর্শে যোগাযোগ করেন পরশুরাম পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে। সেখান থেকে বলা হয়, বিল যেহেতু আসছে বিল পরিশোধ করতে হবে। বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এমন কথা শুনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আবদুল খালেক। আবদুল খালেক জানান,জুন মাসে বিল এসেছে ২৩৮ টাকা। আর জুলাই মাসে ১০ হাজার ৩শ ২৮ টাকা। এই টাকা নাকি আমাকে দিতে হবে। ২টা লাইট ও ১ টা ফ্যানের বিল কি এত টাকা হয়? আমি গরীব মানুষ। দিনে এনে দিনে খাই। এ টাকা আমি কিভাবে দেব?

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চিথলিয়ার পূর্ব অলকায় পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার শাহিন উদ্দিন। অভিযোগ রয়েছে,মিটারের রিডারের ইচ্ছামতো ইউনিট লেখায় এত বড় অংকের বিল এসেছে। এছাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন,গত কয়েকমাস আগে উত্তর গুথুমার পোল্ট্রি খামারি মজিবুল হকের বিল এসেছে ৩৫ হাজার টাকা।সে বিল তাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে বিলোনিয়ায় আবদুর রহিমের আম বাগানকে কারখানা দেখিয়ে ৪৩ হাজার টাকার ভূতুড়ে বিল দিয়েছিল পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।

    পরশুরাম পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম আমজাদ হোসেন জানান,মিটার রিডিংয়ে ভূল হতে পারে।এত টাকার বিল কিভাবে এসেছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বিলের কপি দেখে বলতে হবে।বিষয়টি সমাধান করা হবে বলেও তিনি জানান।

    (Visited 11 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *