Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / অন্যান্য / জেনে নিন, জমি ক্রয় করতে কোন বিষয়গুলো জানা জরুরি? – Songbad Protidin BD

জেনে নিন, জমি ক্রয় করতে কোন বিষয়গুলো জানা জরুরি? – Songbad Protidin BD

  • ২৬-০৫-২০১৭
  • Landসংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্ক: নিজের জন্য, পরিবারের জন্য মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য আপনি হয়ত এক টুকরো জমি ক্রয় করবেন। জমি বিক্রেতা কিংবা দালাল হয়তো আপনাকে অনেক কিছুই বোঝাবে। তবে জমি কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো আপনার জানা অত্যন্ত আবশ্যক, তাহলো:

    (১)    জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নক্শা যাচাই করতে হবে।

    (২)    জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌ, খতিয়ান নাম্বার, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।

    (৩)    প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সি এস; এস এ; আর এস পর্চা দেখতে হবে।

    (৪)    বিক্রেতা ক্রয় সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয়ের দালির/বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।

    (৫)    বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগ সূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।

    (৬)    জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার নিকট রক্ষিত মাঠ পর্চা যাচাই করে দেখতে হবে। যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে, যেমন: মন্তব্য কলামে (AD) এভাবে লেখা থাকলে বুঝতে হবে অত্র খতিয়ানের বিরুদ্ধে তসদিক পর্যায়ে আপত্তি আছে। এরূপ জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিস/ক্যাম্পে গিয়ে উক্ত জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।

    (৭)    উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বিক্রেতার শরীকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বন্টননামা (ফারায়েজ) দেখে নিতে হবে।

    (৮)    বিক্রেতার নিকট থেকে সংগ্রহীন দলিল, বায়া দলিল, খতিয়ান/পর্চা ইত্যাদি কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী/স্বত্বলিপি রেজিষ্টারে সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।

    (৯)    সর্বশেষ নামজারী পর্চা ডি. সি. আ. খাজনার দলিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনাসহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায় ক্রেতার।

    (১০)    বিবেচ্য জমিটি সার্টিফিকেট মোকদ্দমা ভুক্ কিনা, কখনো নিলাম হয়েছে কিনা তা তহসিল অফিস/উপজেলা ভূমি অফিস হতে জেনে নিতে হবে। সার্টিফিকেট মামলা ভুক্ত সম্পক্তি বিক্রয়যোগ্য নয় (সরকারি দাবি আদায় আইন ১৯১৩ এর ৭ ধারা)।

    (১১)    বিবেচ্য ভূমি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত (ভি. পি), অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিসকৃত কিনা তা তহসিল, উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

    (১২)    বিবেচ্য ভূমি কোন আদালতে মামলা-মোকদ্দমা ভুক্ত কিনা তা জেনে নিতে হবে। মামলা ভুক্ত কেনা উচিত নয়।

    (১৩)    বিবেচ্য জমিটি সরেজমিনে যাচাই করে এর অবস্থান নক্শার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে এবং দখল সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে বিক্রেতার মালিকানা ও দখল নিশ্চিত হতে হবে।

    (১৪)    সাব রেজিষ্টারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচা-কেনার তথ্য জেনে নেয়া যেতে পারে।

    (১৫)    প্রস্তাবিত জমিটি ঋণের দায়ে কোন ব্যাংক/সংস্থার নিকট দায়বদ্ধ কিনা জেনে নিতে হবে।

    (১৬)    প্রস্তাবিত জমিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা তাও দেখা প্রয়োজন।

    (১৭)    কোন কোন এলাকায় জমিতে নানা ধরণের বিধি নিষেধ থাকতে পারে, যেমন: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের জীব বৈচিত্র সংরক্ষণের স্বার্থে গাজী জেলা সদর উপজেলায় মৌজাসমূহের ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি জমিতে শিল্প, কারখানা, ইমারতসহ ক্ষুদ্র, কুটির শিল্প, কৃষি, দুগ্ধ ও মৎস্য খামার ইত্যাদি স্থাপন না করার জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২২/১১/৯৯ইং তারিখে ceg (শ-৩)১৪/৯৪/৯৮৮ নং স্মারকে একটি পরিপত্র জারি করে। তাই এ সকল বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জমি কেনা উচিত।

    অতিরিক্ত সতর্কতা ও পরবর্তীতে কোন ঝামেলা হলে আইনী সহায়তা অর্জনের লক্ষে জমি ক্রয়ের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য কমপক্ষে ৩টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় “লিগ্যাল নোটিস” প্রকাশ করা যেতে পারে।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ ডেস্ক 

    (Visited 19 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *