Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / জাতীয় / জঙ্গি আস্তানা: ঝিনাইদহে ২ বাড়িতে অভিযান শুরু – Songbad Protidin BD

জঙ্গি আস্তানা: ঝিনাইদহে ২ বাড়িতে অভিযান শুরু – Songbad Protidin BD

  • ১৬-০৫-২০১৭
  • image-34439ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ধানহাড়িয়া চুয়াডাঙ্গা গ্রামে সেলিম হোসেন ও প্রান্ত নামে দু’ব্যক্তির বাড়ি ‘জঙ্গি আস্তানা’ সন্দেহে অভিযান শুরু করেছে ঝিনাইদহের র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে। সোমবার রাত থেকে ওই বাড়ি দু’টি ঘিরে রাখে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা।

    সেলিম গত ৭ মে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বজরাপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের গুলিতে নিহত জঙ্গি তুহিনের ভাই এবং প্রান্ত তার চাচাতো ভাই বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

    র‌্যাব-৬, ঝিনাইদহের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনির আহমেদ জানান, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে সদর উপজেলার ধানহাড়িয়া চুয়াডাঙ্গা গ্রামের ওই দুটি বাড়ি জঙ্গি আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাড়ি দু’টির মাটির নিচে বিপুল পরিমাণের বিস্ফোরক রয়েছে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল ঝিনাইদহের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। তারা এসে পৌঁছালে চুড়ান্ত অভিযান শুরু করা হবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ৭ মে মহেশপুর উপজেলার বজরাপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি সারারাত ঘিরে রাখার পর ভোরে অভিযান চালানো হয়। সে সময় আব্দুল্লাহ নামের এক জঙ্গি আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে এবং পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে তুহিন নামের অপর এক জঙ্গি নিহত হয়।

    ওই ঘটনায় সিটিটিসি’র এডিসি নাজমুল হাসান, এসআই মুজিবুর রহমান ও এস আই মহাসিন জঙ্গিদের গুলিতে আহত হয়। এ সময় পুলিশ জঙ্গি আস্তানার বাড়ির মালিক নব্য জেএমবির সদস্য জহুরুল ও তার ছেলে জসিমকে আটক করে। এরপর বিকেলে ওই বাড়ি থেকে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) সদস্যরা বাড়ি থেকে বিস্ফোরক, পিস্তল, গুলি উদ্ধার করে। ওই অভিযানের নাম দেয়া হয় ‘সাটল স্পিল্ট’।

    একই দিন সদর উপজেলার লেবুতলা গ্রামে মৃত শরাফত হোসেনের বাড়িতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। এ সময় তারা শরাফত হোসেনের ছেলে নব্য জেএমবির সমন্বয়ক শামিমকে আটক করে। পুলিশ ওই বাড়ি থেকে আটটি বোমা, একটি পিস্তল, সাতটি গ্রেনেড উদ্ধার করে।

    এর আগে গত ২২ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের ঠনঠনিয়া পাড়ার জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে নব্য জেএমবির নেতা আব্দুল্লাহর বাড়ি ঘিরে রাখে। এরপর অভিযান শেষে রাসায়নিক ভর্তি ২০টি কন্টেইনার, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, সাত রাউন্ড গুলি, বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

    অপারেশন শেষে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ওই বাড়িটি জঙ্গিদের বোমা তৈরির কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ সাহাদাত হোসেন 

    (Visited 10 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *