Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার ২৩ শতাংশ নারী – Songbad Protidin BD

গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার ২৩ শতাংশ নারী – Songbad Protidin BD

  • ২০-০৫-২০১৭
  • NRR20170520203845সংবাদ প্রতিদিন বিডি প্রতিবেদকঃ  ২২.৫ শতাংশ নারী গণপরিবহনে বাস চালক, হেলপার ও সহযাত্রীর মাধ্যমে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ‘নারী সংবেদনশীল নগর-পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে।

    গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক আখতার মাহমুদ। তিনি বলেন, “নগর-পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত নারীর অংশগ্রহণ না থাকার কারণে নারীবান্ধব শহর তৈরি করা সম্ভব হয়নি।”

    শনিবার ‘নারী সংবেদনশীল নগর-পরিকল্পনা’ শীর্ষক একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্ব নিরাপদ শহর দিবস উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ।

    এতে বলা হয়, গণপরিবহনে চলাচলকারী ৮৬ শতাংশ নারী যানজট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। পরিবহনব্যবস্থা ভালো না থাকায় ৫৬ শতাংশ নারী বাইরে যেতে চান না। আর বাসের চালক বা সহকারী তাদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণের শিকার হয়েছেন প্রায় এক-চতুর্থাংশ নারী।

    ২০১৬ সালের এপ্রিল ও মে মাসে নগরের বিভিন্ন বয়সী ও পেশার দুইশ জন নারীর মধ্যে গবেষণাটি চালানো হয়।

    গবেষণা প্রতিবদেনে আরও বলা হয়েছে, রাজধানীর ৯৪ শতাংশ নারী নানা কারণে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করেন না। এমনকি পুরুষ সঙ্গী ছাড়া তারা একা টয়লেট ব্যবহার নিরাপদ মনে করেন না। গণপরিবহন, রাস্তাঘাট, ফুটপাত, পাবলিক টয়লেট, পার্কের মতো গণপরিসরে নারীদের ব্যবহার উপযোগিতা সীমিত। নগরের কাঠামোগুলো নারীবান্ধব না হওয়ায় এই অবস্থা। ফলে শঙ্কা, নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতার ভয়ে গণপরিসর এড়িয়ে চলতে হয় নারীদের।

    গবেষণায় অংশ নেয়া এসব নারীর অনেকেই ফুটপাতকে হাঁটার উপযোগীও মনে করেন না।

    অনুষ্ঠানে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, “ঢাকায় অর্ধেক জনসংখ্যা নারী হলেও এখনও এ শহর নারীবান্ধব নয়। যারা হেঁটে কষ্ট করে চলাচল করেন, তাদের উপযোগী নয়।”

    অনুষ্ঠানে আলোচকদের মধ্য থেকে জানানো হয়, বিচ্ছিন্নভাবে নগর উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়, যেখানে গরিব, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ নারী ও প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ নেই বললেই চলে। আলোচকরা কিশোরীদের জন্য খেলার মাঠ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নারীকে উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে ভাবার পরামর্শও দেন।

    গবেষণায় দেশে বিদ্যমান নীতি ও আইনের প্রেক্ষাপটও বিশ্লেষণ করা হয়। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় ৫ ধারায় লিঙ্গ সমতা ও নারী ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে নারীদের সব বৈষম্য ও সহিংসতা দূরীকরণ, গৃহস্থালী কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপযুক্ত ও প্রয়োগযোগ্য আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ আলাউদ্দিন আহমেদ 

    (Visited 9 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *