Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / অন্যান্য / ইউনূস ইস্যুতে হিলারির বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে ট্রাম্প প্রশাসন – Songbad Protidin BD

ইউনূস ইস্যুতে হিলারির বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে ট্রাম্প প্রশাসন – Songbad Protidin BD

  • ০৩-০৬-২০১৭
  • 03yunus920170603191423সংবাদ প্রতিদিন বিডি ডেস্কঃ  শান্তিতে বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তদন্ত আটকাতে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন প্রভাব খাটিয়ে ছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগীয় সিনেট কমিটি দীর্ঘদিন পর এই তদন্ত শুরু করল। সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান চাক গ্রাসলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে হিলারির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করতে বেশ কিছু বিষয়ে তথ্য চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন।

    গত ১ জুন লেখা ওই চিঠিতে গ্রাসলে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব চেয়েছেন। এতে ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন দূতাবাসের উপ-প্রধান জন ডানিলোউইক যাতে কমিটির কর্মকর্তাদের কাছে সাক্ষাৎকার দেয়; সেবিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠির শুরুতে সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান বলেছেন, হিলারি ক্লিনটনের ফাউন্ডেশন ‌‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ’র (সিজিআই) দাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দুর্নীতির তদন্ত থেকে বাদ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আছে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লিনটন ও তার স্টাফদের বিরুদ্ধে।

    এতে বলা হয়েছে, তদন্ত থেকে ইউনূসকে বাদ দিতে পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে হুমকি দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন, যদি তিনি তদন্ত ঠেকাতে তার মায়ের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা না করেন তাহলে মার্কিন আর্থিক হিসাব তদন্তের (আইআরএস) হুমকি পেয়েছিলেন।

    গত ১১ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চিত করেছেন যে, ২০১১ সালের মার্চে হিলারি ক্লিনটন তাকে ফোন করেছিলেন। এসময় হিলারি দাবি জানিয়ে বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে ইউনূসকে পুনর্বহাল করতে হবে। নতুন এই তথ্য-উপাত্ত ও বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির পেছনে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে দানের বিষয়টি অনুকূল হিসেবে কাজ করেছে।

    চিঠিতে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের এসব পদক্ষেপ যৌক্তিক সন্দেহের উদ্রেক করেছে। তিনি নীতি-নৈতিকতা লঙ্ঘন ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতি মানুষের যে আস্থা আছে তা অবমাননা করেছেন।

    বিল ক্লিনটন যখন আরকানসাসের গভর্নর ছিলেন তখন থেকেই হিলারির সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে ইউনূসের। এক দশক ধরে হিলারির এই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও দেখা যায় ইউনূসকে।

    মার্কিন সিনেট কমিটির চেয়ারম্যানের লেখা ওই চিঠিতে আরো বলা হয়, হিলারি ক্লিনটনের স্বামী বিল ক্লিনটন নোবেল কমিটির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তদবির করেছিলেন। ফলে ২০০৬ সালে ইউনূস শান্তিতে নোবেল পান।

    সংবাদ প্রতিদিন বিডি/ ডেস্ক 

    (Visited 20 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *