Templates by BIGtheme NET
শিরোনামঃ
Home / Slide Show / আরব নারীদের যৌনজীবন !

আরব নারীদের যৌনজীবন !

  • ০৩-০৩-২০১৬
  • imageszsaডেস্ক : উপকূলীয় অঞ্চলের, বিশেষ করে মিশরের পুরুষরা ভুল জায়গায় সেক্স করতে চায়- এক মিশরীয় নারী লেখিকা শিরীন এল ফেকিকে কানে কানে এমনই বলেছেন।

    রাজনৈতিক দিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে আরব বিশ্বে অনেক পরিবর্তন ঘটে গেছে। কিন্তু যৌনতা সম্পর্কে তাদের দৃষ্টি ভঙ্গি কতটুকু পাল্টেছে তা নিয়ে গবেষণা করেছেন পুরষ্কার বিজয়ী সাংবাদিক ড. শিরীন এল ফেকি। এ নিয়ে তিনি সেক্স এন্ড সিটাডেল শিরোনামের একটি বই লিখেছেন।

    বইটি মূলত সাক্ষাৎকার, পরিসংখ্যান, জরিপ, সাংবাদিকতা এবং ব্যক্তি স্মৃতিচারনের মিশেল। শিরীন এল ফেকি পাশ্চাত্যে বড় হলেও তাঁর মা মিসরীয় এবং বাবা ওয়েলসের। এবং ধর্মের দিক থেকে তিনি মুসলিম।

    বইটির অনেক অধ্যায়ে লেখিকার দাদীর উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। তিনি মজার মজার প্রবচন বলে যান বিভিন্ন প্রসঙ্গে। যেমন, সমকামিতা অধ্যায়ের শুরুতে বলেছেন- যতক্ষণ না এটা আমার সাথে হচ্ছে, ততক্ষন আমার বলার কিছু নেই।

    ঝরঝরে বলার ভঙ্গিমায় লেখিকা আরবের সামজিক এবং যৌন-বিকাশের সম্পর্ক ঘটাতে চেয়েছেন এভাবেঃ মিশরের সমাজে এমন আমূল পরিবর্তন ছুঁয়ে গেছে আজিজার শোবার ঘরে। যদিও মাটিতে কোন কাঁপন লাগে না যখন সে এবং তার স্বামী পরস্পরের কাছে আসে।

    আরব সমাজকে ড. এল ফেকি ভিতর থেকে, বাইরে থেকে দেখতে সক্ষম হয়েছেন। বলা যায়, একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে দেখেছেন।

    বেশীরভাগ আরব দেশে বিবাহ বহির্ভূত সেক্স নিষিদ্ধ। এমন ফতোয়াও দেয়া হয়েছে যে, বিবাহিত দম্পতি নগ্ন হয়ে সেক্স করতে পারবে না। ২০০৯ সালে, এক সৌদি নাগরিক এক স্যাটেলাইট টিভিতে নিজের যৌন জীবন নিয়ে কথা বলেছিলেন। এর ফলে, তাকে ১ হাজার দোররা এবং ৫ বছরের জেল দেয়া হয়েছিল। অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, সে পাপ কাজ প্রচার করেছে। এই ধরনের দৃষ্টি ভঙ্গি ১৭ শতকের মৌলবাদ খ্রিস্টানদের মধ্যে দেখা যেতো।

    সেখানকার প্রচলিত প্রথা অনুসারে, সতীত্ব যেন পুরুষদের থেকে নারীদের জন্য বেশি প্রযোজ্য। আর বিয়ে ব্যাপারটি ব্যক্তিগতও নয়, সমানও নয়। ওখানে সতীত্ব ব্যাপারটি এমন তীব্র যে, বিয়ের প্রথম রাতের পর সতীত্বের প্রমান-স্বরূপ রক্তাক্ত বেড শিট সবাইকে দেখাতে হয়।

    অনেক কণে মনে করেন, যদি তারা যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে না চায় তবে তাদের স্বামীরা তাদের মারধর করতে পারে। এটা স্বামীদের অধিকার। পুলিশও অনেকটা এমন মতামত দিয়েছে।

    ভার্সিটি পড়ুয়ায় এক কম বয়সী মেয়ে এক ফেকিকে বলেছে, সে কেন খুব গোপনে বিয়ে করেছিল। তার ভাষায়- এটা যদি আমার মা বাবা জানত, তবে আমাকে মেরে ফেলত। বিয়ে পূর্ব এমন সম্পর্কের কারণে এমন ঘটনা অনেক পরিবারে হরহামেশাই ঘটে।

    এমন কি আরব বিশ্বের নামকরা এক যৌন থেরাপিস্ট বিয়ে পূর্ব সেক্সের কট্টর বিরোধী। স্ত্রীদের প্রতি তার উপদেশ হল, ঘরের বাইরে স্বামীরা অনেক প্ররোচনায় থাকে। তাকে সন্তুষ্ট করতে আপনাদের সবসময় রাজি থাকতে হবে। সে যেন কোন কারন না পায় জাহান্নামের আগুনের কাছে যেতে।

    মিসরীয় পুলিশ নিয়মিত গে-দের গ্রেপ্তার করে। তাদের ইলেকট্রিক শক এবং নির্মম বেত্রাঘাত করা হয়। প্রায় ৮০ শতাংশ মিসরীয় নারীদের যৌনাঙ্গ ছেদ করা হয়। এ ক্ষেত্রে, তাদের ভগাঙ্কুর কেটে ফেলে দেয়া হয়। যৌন লালসা কমাতে মেয়েদের খাতনার এই ব্যবস্থা মিশরে ব্যাপকভাবে প্রচলিত।

    (Visited 18 times, 1 visits today)

    আরও সংবাদ

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    *